ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ব্রেকআপের ঠিক পরেই যে ৫টি কাজ কখনোই করা উচিত নয় ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন পেতে খেতে পারেন যেসব খাবার বেস্ট ফ্রেন্ড সাফার জন্মদিন, শুভেচ্ছায় যা বললেন তৌসিফ মাভাবিপ্রবিতে ১৫ দিনব্যাপী তিন হাজারের বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণে বিনিয়োগে আগ্রহী মারস্ক টপ এন্ড সিরিজে বাংলাদেশ এইচপির সেমিফাইনাল প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত শোকে স্তব্ধ নরওয়ে, অষ্টম হাকনের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকা-আগরতলার মধ্যে ফ্লাইট চাইলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার আগরতলা এবং ঢাকার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চেয়েছে। যদিও এই দুই শহরের দূরত্ব মাত্র ১৩০ কিলোমিটার।

বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই আর্জি জানান ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

এ বিষয়ে বিপ্লব দেব এক টুইটে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রস্তাবে উৎসাহ দেখিয়েছেন।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকেও বিবিসির কাছে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী দেব এবং শেখ হাসিনা আগরতলা-ঢাকা সরাসরি বিমান যোগাযোগের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন।

আগরতলা বিমানবন্দরটি বাংলাদেশের একবারে লাগোয়া। মাস দুয়েক আগে বাংলাদেশ এবং ভারতের বেশকিছু গণমাধ্যমে খবর বের হয় যে, ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশের কাছে জমি চেয়েছে ভারত।

তবে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে, তিনি জমি চাওয়ার খবর নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, ‌ভারত আমাদের কাছে কোনো জমি চায়নি। যে খবরটি আপনারা জেনেছেন সেটা সম্পূর্ণ অসত্য।

শাহরিয়ার আলম তখন জানান, ভারত মূলত যেটা চেয়েছে, সেটা হচ্ছে ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে লাইটের কমপ্লিট ফেজ পূরণ করতে বাংলাদেশের অংশে কিছু লাইট বসাতে।

আগরতলা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ নিয়ে খবরাখবরের পর এখন ঢাকা-আগরতলা সরাসরি ফ্লাইট নিয়ে ত্রিপুরা সরকারের এই আগ্রহের কথা জানা গেলো।

দিল্লিতে বিবিসি বাংলার শুভজ্যোতি ঘোষ বলছেন, দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই-কমিশন এবং ভারতীয় কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, শনিবার শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণায় ঢাকা এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর রাজধানীর সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনের কথা থাকার সম্ভাবনা প্রবল।

এ সপ্তাহের গোড়ার দিকে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই-কমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী বিবিসিকে বলেন, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, এবং তারই অংশ হিসেবে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান শহরগুলোর সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইটের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।

খবর : বিবিসি বাংলা


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি

ঢাকা-আগরতলার মধ্যে ফ্লাইট চাইলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৮:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার আগরতলা এবং ঢাকার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চেয়েছে। যদিও এই দুই শহরের দূরত্ব মাত্র ১৩০ কিলোমিটার।

বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই আর্জি জানান ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

এ বিষয়ে বিপ্লব দেব এক টুইটে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রস্তাবে উৎসাহ দেখিয়েছেন।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকেও বিবিসির কাছে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী দেব এবং শেখ হাসিনা আগরতলা-ঢাকা সরাসরি বিমান যোগাযোগের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন।

আগরতলা বিমানবন্দরটি বাংলাদেশের একবারে লাগোয়া। মাস দুয়েক আগে বাংলাদেশ এবং ভারতের বেশকিছু গণমাধ্যমে খবর বের হয় যে, ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশের কাছে জমি চেয়েছে ভারত।

তবে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে, তিনি জমি চাওয়ার খবর নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, ‌ভারত আমাদের কাছে কোনো জমি চায়নি। যে খবরটি আপনারা জেনেছেন সেটা সম্পূর্ণ অসত্য।

শাহরিয়ার আলম তখন জানান, ভারত মূলত যেটা চেয়েছে, সেটা হচ্ছে ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে লাইটের কমপ্লিট ফেজ পূরণ করতে বাংলাদেশের অংশে কিছু লাইট বসাতে।

আগরতলা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ নিয়ে খবরাখবরের পর এখন ঢাকা-আগরতলা সরাসরি ফ্লাইট নিয়ে ত্রিপুরা সরকারের এই আগ্রহের কথা জানা গেলো।

দিল্লিতে বিবিসি বাংলার শুভজ্যোতি ঘোষ বলছেন, দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই-কমিশন এবং ভারতীয় কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, শনিবার শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণায় ঢাকা এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর রাজধানীর সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনের কথা থাকার সম্ভাবনা প্রবল।

এ সপ্তাহের গোড়ার দিকে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই-কমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী বিবিসিকে বলেন, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, এবং তারই অংশ হিসেবে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান শহরগুলোর সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইটের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।

খবর : বিবিসি বাংলা


প্রিন্ট