ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অবকাঠামো-নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডি মন্ত্রী অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তির উৎস নজরুল: রিজভী প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি

গার্মেন্টসে সুরক্ষা ব্যবস্থা পরিদর্শনে মাঠে বিজিএমইএ’র ৬ টিম

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে চালুকৃত তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা যাচাই করতে মাঠে নেমেছে পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ছয়টি পরিদর্শক দল।

এরই মধ্যে গত চারদিনে পরিদর্শক টিম ১৪৭টি কারখানা পরিদর্শন করে ১৪৪টি কারখানার স্বাস্থ্য সুরক্ষা পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে। বিজিএমইএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজিএমইএ সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিজিএমইএর একাধিক অডিট টিম আকস্মিকভাবে কারখানা পরিদর্শন করছে। বিজিএমইএর পরিচালকদের নেতৃত্বে গঠিত ছয়টি অডিট টিম পরিদর্শনের প্রতিবেদনগুলো প্রতিদিন মূল্যায়ন করছে। এ পর্যন্ত গত চার দিনে ১৪৭টি কারখানা পরিদর্শন করে ১৪৪ টি কারখানার পরিস্থিতি সন্তোষজনক পেয়েছে টিম। বাকি তিনটি কারখানার সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি প্রয়োজন বলে মতামত দিয়ে সংশোধনমূলক পরিকল্পনা নিয়ে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করার পরামর্শ দিয়েছে টিম। তা না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পরিদর্শক টিম।

করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তৈরি পোশাক কারখানা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর হাজারের বেশি কারখানায় সীমিত জনবল দিয়ে কাজ শুরু করে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার স্বার্থে দুই শিফটে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ক্রেতাদের রপ্তানি আদেশের পণ্য পৌঁছানোর চাপ আছে এরূপ কারখানা খুলে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পোশাক খাতের দুই সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ।

এ বিষয়ে সংগঠনটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘আমরা মালিকদের নির্দেশনা দিয়েছি যাতে তারা স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করেন। জীবন-জীবিকার সন্ধানে আমাদের নামতে হবে। করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে যাওয়া অর্থনীতির চাকা আবারও সচল করতে হবে। এমনই অবস্থার প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে ২৬ এপ্রিল থেকে নিটওয়ার সেক্টরের নীটিং, ডায়িং ও স্যাম্পল ইউনিট বিকেএমইএর পক্ষ থেকে খুলে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্যবিধি যেমন ফ্যাক্টরিতে ঢোকার সময় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, ব্লিচিং মিশ্রিত পানিতে জুতা ভিজিয়ে প্রবেশ করা, থার্মাল স্ক্যান দিয়ে তাপমাত্রা চেক করা, মাস্ক ব্যবহার করা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কর্ম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে সকল মালিকদের।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

গার্মেন্টসে সুরক্ষা ব্যবস্থা পরিদর্শনে মাঠে বিজিএমইএ’র ৬ টিম

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে চালুকৃত তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা যাচাই করতে মাঠে নেমেছে পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ছয়টি পরিদর্শক দল।

এরই মধ্যে গত চারদিনে পরিদর্শক টিম ১৪৭টি কারখানা পরিদর্শন করে ১৪৪টি কারখানার স্বাস্থ্য সুরক্ষা পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে। বিজিএমইএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজিএমইএ সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিজিএমইএর একাধিক অডিট টিম আকস্মিকভাবে কারখানা পরিদর্শন করছে। বিজিএমইএর পরিচালকদের নেতৃত্বে গঠিত ছয়টি অডিট টিম পরিদর্শনের প্রতিবেদনগুলো প্রতিদিন মূল্যায়ন করছে। এ পর্যন্ত গত চার দিনে ১৪৭টি কারখানা পরিদর্শন করে ১৪৪ টি কারখানার পরিস্থিতি সন্তোষজনক পেয়েছে টিম। বাকি তিনটি কারখানার সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি প্রয়োজন বলে মতামত দিয়ে সংশোধনমূলক পরিকল্পনা নিয়ে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করার পরামর্শ দিয়েছে টিম। তা না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পরিদর্শক টিম।

করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তৈরি পোশাক কারখানা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর হাজারের বেশি কারখানায় সীমিত জনবল দিয়ে কাজ শুরু করে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার স্বার্থে দুই শিফটে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ক্রেতাদের রপ্তানি আদেশের পণ্য পৌঁছানোর চাপ আছে এরূপ কারখানা খুলে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পোশাক খাতের দুই সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ।

এ বিষয়ে সংগঠনটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘আমরা মালিকদের নির্দেশনা দিয়েছি যাতে তারা স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করেন। জীবন-জীবিকার সন্ধানে আমাদের নামতে হবে। করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে যাওয়া অর্থনীতির চাকা আবারও সচল করতে হবে। এমনই অবস্থার প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে ২৬ এপ্রিল থেকে নিটওয়ার সেক্টরের নীটিং, ডায়িং ও স্যাম্পল ইউনিট বিকেএমইএর পক্ষ থেকে খুলে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্যবিধি যেমন ফ্যাক্টরিতে ঢোকার সময় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, ব্লিচিং মিশ্রিত পানিতে জুতা ভিজিয়ে প্রবেশ করা, থার্মাল স্ক্যান দিয়ে তাপমাত্রা চেক করা, মাস্ক ব্যবহার করা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কর্ম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে সকল মালিকদের।


প্রিন্ট