ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অবকাঠামো-নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডি মন্ত্রী অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তির উৎস নজরুল: রিজভী প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত

পুরুষরা মিথ্যা বলেন যে সব কারণে

নিউজ ডেস্ক : মিথ্যা বলা মহাপাপ। এ কথা সবারই জানা। তবুও মিথ্যা বলার অভ্যাস কাটানো দায়। প্রতিদিনকার জীবনে একটু-আধটু মিথ্যা কথা তো সবাই বলে থাকেন! তবে প্রয়োজন বা বিপদে পড়ে মিথ্যা বলা আর সব সময় সব কাজে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার বিষয় একেবারেই আলাদা।

নারী-পুরুষ উভয়ই মিথ্যা বলতে পারেন। তবে গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, পুরুষরা কিছু ক্ষেত্রে মিথ্যা বলে থাকেন। নিজেদের নির্দোষ জাহির করতে কিংবা শারীরিক সম্পর্ক গড়তে এমনকি সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারেন পুরুষরা। চলুন জেনে নেওয়া যাক যে ১০ কারণে পুরুষরা মিথ্যা বলেন-

ধরা পড়ার ভয়ে অনেক পুরুষই মিথ্যার আশ্রয় নেন। পুরুষরা যখন তার কোনো ভুল ঢাকতে চায় তখন তারা মিথ্যা কথা বলেন। নানা ধরনের বাহানা বা অজুহাত দেখানোর মাধ্যমে মিথ্যা বলে তারা নিজেদের পক্ষে যুক্তি দেখায়।

অনেক পুরুষই একাধিক নারীর সঙ্গে গোপনে প্রেম করেন। এমন ক্ষেত্রে ওই পুরুষটি মিথ্যা বলার মাধ্যমেই সব নারীর সঙ্গে প্রতারণায় আশ্রয় নেন। তাদের কাছে মিথ্যা মানেই শান্তি!

অতীত সবার জীবনেই থাকে। সে নারী হোক বা পুরুষ। তবে কিছু পুরুষ আছেন যারা প্রাক্তনকে নিয়ে বর্তমান সঙ্গীর কাছে মিথ্যা বলেন। সব দোষ প্রাক্তনের উপর দিয়ে তারা নিজেকে সৎ ও অসহায় দাবি করেন।

আবার দাম্পত্য জীবনে ঘরের কাজ বা যে কোনো দায়িত্ব এড়াতেও পুরুষরা মিথ্যা বলেন। সংসারের দায়িত্ব নিতে অনেক পুরুষই ভয় পান। এক্ষেত্রে মিথ্যাই তাদের ভরসা!

অনেক পুরুষই তার সঙ্গীকে কষ্ট দিতে চান না। এ কারণে মিথ্যা বলে সঙ্গীকে খুশি রাখার চেষ্টা করেন। যা ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেও অনেক পুরুষ মিথ্যার আশ্রয় নেন। জীবনের কোনো অপ্রিয় সত্য, যা সামনে চলে আসতে পারে এ ভয়ে তারা মিথ্যা বলেন।

ছোট থেকে মানুষের মধ্যে মিথ্যা বলার প্রবণতা জন্মায়। তবে কিশোর বয়সে গিয়ে ছেলেরা বেশি মিথ্যা বলে থাকেন। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য অতিরিক্ত মিথ্যা বলার প্রবণতা কমতে শুরু করে।

অনেক পুরুষই পরিবার বা প্রিয়জনকে নিজের হাতের মুঠোয় অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। এ কারণ তারা বিভিন্ন বিষয়ে ছোট-বড় মিথ্যা বলেন।

নিজের অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও অনেক সময় পুরুষরা মিথ্যা বলেন। যা কখনও ইতিবাচক আবার নেতিবাচকও হতে পারে। যেমন- কারও মন খারাপ থাকা স্বত্ত্বেও সামনের মানুষটির কাছে তা গোপন রাখছেন ইত্যাদি।

কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়তে চাইলেও পুরুষরা মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারেন। যেমন- অনেক পুরুষই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেক নারীর সঙ্গে অবৈধভাবে মেলামেশা করেন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি

পুরুষরা মিথ্যা বলেন যে সব কারণে

আপডেট টাইম : ০৫:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিউজ ডেস্ক : মিথ্যা বলা মহাপাপ। এ কথা সবারই জানা। তবুও মিথ্যা বলার অভ্যাস কাটানো দায়। প্রতিদিনকার জীবনে একটু-আধটু মিথ্যা কথা তো সবাই বলে থাকেন! তবে প্রয়োজন বা বিপদে পড়ে মিথ্যা বলা আর সব সময় সব কাজে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার বিষয় একেবারেই আলাদা।

নারী-পুরুষ উভয়ই মিথ্যা বলতে পারেন। তবে গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, পুরুষরা কিছু ক্ষেত্রে মিথ্যা বলে থাকেন। নিজেদের নির্দোষ জাহির করতে কিংবা শারীরিক সম্পর্ক গড়তে এমনকি সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারেন পুরুষরা। চলুন জেনে নেওয়া যাক যে ১০ কারণে পুরুষরা মিথ্যা বলেন-

ধরা পড়ার ভয়ে অনেক পুরুষই মিথ্যার আশ্রয় নেন। পুরুষরা যখন তার কোনো ভুল ঢাকতে চায় তখন তারা মিথ্যা কথা বলেন। নানা ধরনের বাহানা বা অজুহাত দেখানোর মাধ্যমে মিথ্যা বলে তারা নিজেদের পক্ষে যুক্তি দেখায়।

অনেক পুরুষই একাধিক নারীর সঙ্গে গোপনে প্রেম করেন। এমন ক্ষেত্রে ওই পুরুষটি মিথ্যা বলার মাধ্যমেই সব নারীর সঙ্গে প্রতারণায় আশ্রয় নেন। তাদের কাছে মিথ্যা মানেই শান্তি!

অতীত সবার জীবনেই থাকে। সে নারী হোক বা পুরুষ। তবে কিছু পুরুষ আছেন যারা প্রাক্তনকে নিয়ে বর্তমান সঙ্গীর কাছে মিথ্যা বলেন। সব দোষ প্রাক্তনের উপর দিয়ে তারা নিজেকে সৎ ও অসহায় দাবি করেন।

আবার দাম্পত্য জীবনে ঘরের কাজ বা যে কোনো দায়িত্ব এড়াতেও পুরুষরা মিথ্যা বলেন। সংসারের দায়িত্ব নিতে অনেক পুরুষই ভয় পান। এক্ষেত্রে মিথ্যাই তাদের ভরসা!

অনেক পুরুষই তার সঙ্গীকে কষ্ট দিতে চান না। এ কারণে মিথ্যা বলে সঙ্গীকে খুশি রাখার চেষ্টা করেন। যা ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেও অনেক পুরুষ মিথ্যার আশ্রয় নেন। জীবনের কোনো অপ্রিয় সত্য, যা সামনে চলে আসতে পারে এ ভয়ে তারা মিথ্যা বলেন।

ছোট থেকে মানুষের মধ্যে মিথ্যা বলার প্রবণতা জন্মায়। তবে কিশোর বয়সে গিয়ে ছেলেরা বেশি মিথ্যা বলে থাকেন। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য অতিরিক্ত মিথ্যা বলার প্রবণতা কমতে শুরু করে।

অনেক পুরুষই পরিবার বা প্রিয়জনকে নিজের হাতের মুঠোয় অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। এ কারণ তারা বিভিন্ন বিষয়ে ছোট-বড় মিথ্যা বলেন।

নিজের অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও অনেক সময় পুরুষরা মিথ্যা বলেন। যা কখনও ইতিবাচক আবার নেতিবাচকও হতে পারে। যেমন- কারও মন খারাপ থাকা স্বত্ত্বেও সামনের মানুষটির কাছে তা গোপন রাখছেন ইত্যাদি।

কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়তে চাইলেও পুরুষরা মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারেন। যেমন- অনেক পুরুষই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেক নারীর সঙ্গে অবৈধভাবে মেলামেশা করেন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


প্রিন্ট