ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন আগে হইনি: মাহি

সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘আশীর্বাদ’ নামে একটি ছবির কো-প্রযোজক জেনিফার ছবিটির নায়িকা মাহিয়া মাহির নামে শুটিংয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ আনেন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে প্রডাকশনের ছেলের নায়িকাকে তেল দিতে দেরি হওয়ায় তাকে বাদ না দিলে মাহি শুটিং করবে না বলে জানান। পরে প্রযোজক বাধ্য হয় ছেলেটিকে বাদ দেন।

প্রযোজকের এমন অভিযোগের বিপরীতে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি বললেন, ঘটনাটা আসলে এমন না। এটা বিকৃত করে বলা হচ্ছে। আসল ঘটনা জানলে সবাই প্রযোজজের দিকেই আঙ্গুল তুলবে। তবে আমি প্রযোজককে সম্মান করি। একটা ছবি শুধু প্রযোজকের একার না। এটা আমাদেরও ছবি। আশীর্বাদ ছবিটি সরকারি অনুদানের ছবি। তাই আর্টিস্টরা অনেক কম পারিশ্রমিক নিয়েছি। কিন্তু সেই তুলনায় আমরা সম্মান পাইনি।

মাহি আরো বলেন, এই ছবির নির্মাতা মানিক ভাই একজন ভালো মানুষ। তার প্রতি যথেষ্ট সম্মান ও শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি সব কিছু জানেন শুটিংয়ে কি হয়েছে। সে যদি বলে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো সত্য তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই। মাথা পেতে নেবো সব।

২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি ‘আশীর্বা’দ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। আগামী ১৯ আগস্ট ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা। এই মুক্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেই সংবাদ সম্মেলনে ছবির নায়ক ও নায়িকা কাউকেই বলেননি প্রযোজক। কেনো বলেননি সেটার কারণ জানেন না মাহি। নায়িকার ভাষ্য, একটি সিনেমা আমার সন্তানের মত, অথচ আমার চোখের সামনে সেই সন্তানটি মারা যাচ্ছে বিষয়টি আমাদেরও তো খারাপ লাগে।

ছবিটি নির্মাণের জন্য ৬০ম লাখ টাকা অনুদান পেয়েছেন প্রযোজক। ছবিটি নির্মাতা মানিক নির্মাণ করবেন বলে এটা নিয়ে বাড়তি আগ্রহের জায়গা ছিলো মাহির। মাহি বলেন, এই ছবিটা আমাদের স্বপ্নের সিনেমা ছিলো। কিন্তু সব কিছুই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সাইনিংয়ের প্রথম দিনেই আমাদের শর্ত দেয়া হয় প্রযোজক ছাড়া কোন ছবি ফেসবুকে দেয়া যাবে না। এটা কেমন নিয়ম। এতগুলা সিনেমা করেছি কখনো এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়নি।

এদিকে ছবির নায়ক জিয়াউর রোশানও প্রযোজকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন। নায়কের ভাষ্য, উনি অপেশাদার প্রযোজক, শুটিংয়ে খাবার ও পানিটাও তালা দিয়ে রাখতেন। ঠিকমতো খেতে দেননি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন আগে হইনি: মাহি

আপডেট টাইম : ০৭:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২

সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘আশীর্বাদ’ নামে একটি ছবির কো-প্রযোজক জেনিফার ছবিটির নায়িকা মাহিয়া মাহির নামে শুটিংয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ আনেন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে প্রডাকশনের ছেলের নায়িকাকে তেল দিতে দেরি হওয়ায় তাকে বাদ না দিলে মাহি শুটিং করবে না বলে জানান। পরে প্রযোজক বাধ্য হয় ছেলেটিকে বাদ দেন।

প্রযোজকের এমন অভিযোগের বিপরীতে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি বললেন, ঘটনাটা আসলে এমন না। এটা বিকৃত করে বলা হচ্ছে। আসল ঘটনা জানলে সবাই প্রযোজজের দিকেই আঙ্গুল তুলবে। তবে আমি প্রযোজককে সম্মান করি। একটা ছবি শুধু প্রযোজকের একার না। এটা আমাদেরও ছবি। আশীর্বাদ ছবিটি সরকারি অনুদানের ছবি। তাই আর্টিস্টরা অনেক কম পারিশ্রমিক নিয়েছি। কিন্তু সেই তুলনায় আমরা সম্মান পাইনি।

মাহি আরো বলেন, এই ছবির নির্মাতা মানিক ভাই একজন ভালো মানুষ। তার প্রতি যথেষ্ট সম্মান ও শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি সব কিছু জানেন শুটিংয়ে কি হয়েছে। সে যদি বলে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো সত্য তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই। মাথা পেতে নেবো সব।

২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি ‘আশীর্বা’দ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। আগামী ১৯ আগস্ট ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা। এই মুক্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেই সংবাদ সম্মেলনে ছবির নায়ক ও নায়িকা কাউকেই বলেননি প্রযোজক। কেনো বলেননি সেটার কারণ জানেন না মাহি। নায়িকার ভাষ্য, একটি সিনেমা আমার সন্তানের মত, অথচ আমার চোখের সামনে সেই সন্তানটি মারা যাচ্ছে বিষয়টি আমাদেরও তো খারাপ লাগে।

ছবিটি নির্মাণের জন্য ৬০ম লাখ টাকা অনুদান পেয়েছেন প্রযোজক। ছবিটি নির্মাতা মানিক নির্মাণ করবেন বলে এটা নিয়ে বাড়তি আগ্রহের জায়গা ছিলো মাহির। মাহি বলেন, এই ছবিটা আমাদের স্বপ্নের সিনেমা ছিলো। কিন্তু সব কিছুই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সাইনিংয়ের প্রথম দিনেই আমাদের শর্ত দেয়া হয় প্রযোজক ছাড়া কোন ছবি ফেসবুকে দেয়া যাবে না। এটা কেমন নিয়ম। এতগুলা সিনেমা করেছি কখনো এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়নি।

এদিকে ছবির নায়ক জিয়াউর রোশানও প্রযোজকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন। নায়কের ভাষ্য, উনি অপেশাদার প্রযোজক, শুটিংয়ে খাবার ও পানিটাও তালা দিয়ে রাখতেন। ঠিকমতো খেতে দেননি।


প্রিন্ট