ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অঘটনের শঙ্কা জাগিয়ে ভারতের কাছে হারলো জাপান অভিবাসন ও আবাসন নিয়ে ট্রাম্প-মামদানির রুদ্ধদ্বার বৈঠক জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরের চরাঞ্চলে ৫০০০ তালবীজ বিতরণ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গোপন কর্মসূচিতে সহায়তার অভিযোগ জবি ছাত্রলীগ নেতা রাশেদের বিরুদ্ধে ধামইরহাটে যুবদলের উদোগে এক বিক্ষোভ মিছিল নাফ নদীর সীমান্ত সড়কে পোল্ডারসমূহের কাজ হবে জনস্বার্থ বিবেচনায় : পানিসম্পদ মন্ত্রী খুলনায় ৬ষ্ঠ উপকূলীয় শিশু জলবায়ু সম্মেলন শুরু জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিষখালি নদীর পানিতে কাঁঠালিয়ায় ৭ গ্রাম প্লাবিত

ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন চার ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় কাঁঠালিয়া উপজেলার সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে মারাত্মক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ভেসে গেছে জলাশয়ের মাছ ও ডুবে গেছে ফসলের ক্ষেত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষখালি নদীর জোয়ারের পানি শৌলজালিয়া ও আমুয়া ইউনিয়নের সাতটি গ্রামে ঢুকে পড়ে। পানি ঢোকায় ওই গ্রামগুলোর অধিকাংশ বাড়িঘর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, ফসলের ক্ষেত, গোয়াল ঘর ও পুকুর তলিয়ে যাওয়ায় ভেসে গেছে মাছ।

এসব এলাকা দুই থেকে তিন ফুট পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবনে মারাত্মক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো হলো, কচুয়া, ফেরিঘাট, পূর্ব কচুয়া, শৌলজালিয়া, আমুয়া বন্দর ও চরের সিকদার পাড়া।

শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন রিপন জানান, বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি হয়। তিনি বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কেএম নিলয় পাশা বলেন, নদী ভাঙন রোধে ৮৫৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেই প্রকল্প গৃহীত হলে নদী ভাঙনে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অঘটনের শঙ্কা জাগিয়ে ভারতের কাছে হারলো জাপান

বিষখালি নদীর পানিতে কাঁঠালিয়ায় ৭ গ্রাম প্লাবিত

আপডেট টাইম : ০৫:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৩

ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন চার ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় কাঁঠালিয়া উপজেলার সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে মারাত্মক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ভেসে গেছে জলাশয়ের মাছ ও ডুবে গেছে ফসলের ক্ষেত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষখালি নদীর জোয়ারের পানি শৌলজালিয়া ও আমুয়া ইউনিয়নের সাতটি গ্রামে ঢুকে পড়ে। পানি ঢোকায় ওই গ্রামগুলোর অধিকাংশ বাড়িঘর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, ফসলের ক্ষেত, গোয়াল ঘর ও পুকুর তলিয়ে যাওয়ায় ভেসে গেছে মাছ।

এসব এলাকা দুই থেকে তিন ফুট পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবনে মারাত্মক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো হলো, কচুয়া, ফেরিঘাট, পূর্ব কচুয়া, শৌলজালিয়া, আমুয়া বন্দর ও চরের সিকদার পাড়া।

শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন রিপন জানান, বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি হয়। তিনি বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কেএম নিলয় পাশা বলেন, নদী ভাঙন রোধে ৮৫৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেই প্রকল্প গৃহীত হলে নদী ভাঙনে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হবে।


প্রিন্ট