ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ব্রেকআপের ঠিক পরেই যে ৫টি কাজ কখনোই করা উচিত নয় ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন পেতে খেতে পারেন যেসব খাবার বেস্ট ফ্রেন্ড সাফার জন্মদিন, শুভেচ্ছায় যা বললেন তৌসিফ মাভাবিপ্রবিতে ১৫ দিনব্যাপী তিন হাজারের বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণে বিনিয়োগে আগ্রহী মারস্ক টপ এন্ড সিরিজে বাংলাদেশ এইচপির সেমিফাইনাল প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত শোকে স্তব্ধ নরওয়ে, অষ্টম হাকনের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের ব্যাপক অস্থিরতা

সিটিজেননিউজ ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক বাজার ও দেশের বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বেড়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করার পর বড় দরপতনের ঘটনাও ঘটেছে। দেশের বাজারেও স্বর্ণের সর্বোচ্চ দামের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এরপর আবার দাম কমেছে। গত সপ্তাহেও বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বেশ অস্থিরতা দেখা যায়। তবে গত এক সপ্তাহে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের ঘটনা ঘটেনি।

গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার আগে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ২ হাজার ৩৩২ ডলার। সেখান থেকে সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস ১৮ জুন লেনদেনের এক পর্যায়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩০৭ ডলারে নেমে আসে। এরপর কয়েক দফায় দাম বেড়ে ২১ জুন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩৬৮ ডলারে ওঠে। দিনের লেনদেন শেষে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩২২ ডলারে নেমে আসে। এতে ২১ জুন বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমে ৩৮ দশমিক ৮৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমে ১০ ডলার বা দশমিক ৪৪ শতাংশ।

তবে দিনের লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই দাম অব্যাহত থাকেনি। দিনের লেনদেন শেষে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৩২২ ডলারে নেমে আসে। এতে ২১ জুন বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৩৮ দশমিক ৮৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ১০ ডলার বা দশমিক ৪৪ শতাংশ।

এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ১ হাজার ৯৯২ ডলার। এখান থেকে দফায় দফায় দামে বেড়ে ২০ মে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৪২৬ দশমিক ২০ ডলারে ওঠে, যা এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। অবশ্য এই রেকর্ড দাম খুব বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। কয়েক দফায় দাম কমে ৭ জুন প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ২৯৩ ডলারে নেমে আসে।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে এমন অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় দেশের বাজারেও দাম সমন্বয়ে অস্থির হয়ে উঠে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সর্বশেষ ১২ জুন দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ২৪ ও ২৫ মে এবং ৯ জুন দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়। অবশ্য তার আগে ২০, ১৯, ১২, ৮, ৬ ও ৫ মে সাত দাফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়।

সর্বশেষ ১২ জুন সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৮৭৪ টাকা বাড়িয়ে ৯৫ হাজার ৬৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৭৩৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে এই দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের ব্যাপক অস্থিরতা

আপডেট টাইম : ০৭:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

সিটিজেননিউজ ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক বাজার ও দেশের বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বেড়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করার পর বড় দরপতনের ঘটনাও ঘটেছে। দেশের বাজারেও স্বর্ণের সর্বোচ্চ দামের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এরপর আবার দাম কমেছে। গত সপ্তাহেও বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বেশ অস্থিরতা দেখা যায়। তবে গত এক সপ্তাহে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের ঘটনা ঘটেনি।

গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার আগে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ২ হাজার ৩৩২ ডলার। সেখান থেকে সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস ১৮ জুন লেনদেনের এক পর্যায়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩০৭ ডলারে নেমে আসে। এরপর কয়েক দফায় দাম বেড়ে ২১ জুন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩৬৮ ডলারে ওঠে। দিনের লেনদেন শেষে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩২২ ডলারে নেমে আসে। এতে ২১ জুন বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমে ৩৮ দশমিক ৮৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমে ১০ ডলার বা দশমিক ৪৪ শতাংশ।

তবে দিনের লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই দাম অব্যাহত থাকেনি। দিনের লেনদেন শেষে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৩২২ ডলারে নেমে আসে। এতে ২১ জুন বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৩৮ দশমিক ৮৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ১০ ডলার বা দশমিক ৪৪ শতাংশ।

এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ১ হাজার ৯৯২ ডলার। এখান থেকে দফায় দফায় দামে বেড়ে ২০ মে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৪২৬ দশমিক ২০ ডলারে ওঠে, যা এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। অবশ্য এই রেকর্ড দাম খুব বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। কয়েক দফায় দাম কমে ৭ জুন প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ২৯৩ ডলারে নেমে আসে।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে এমন অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় দেশের বাজারেও দাম সমন্বয়ে অস্থির হয়ে উঠে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সর্বশেষ ১২ জুন দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ২৪ ও ২৫ মে এবং ৯ জুন দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়। অবশ্য তার আগে ২০, ১৯, ১২, ৮, ৬ ও ৫ মে সাত দাফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়।

সর্বশেষ ১২ জুন সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৮৭৪ টাকা বাড়িয়ে ৯৫ হাজার ৬৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৭৩৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে এই দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।


প্রিন্ট