ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অবকাঠামো-নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডি মন্ত্রী অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তির উৎস নজরুল: রিজভী প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি

‘জামায়াতের রুকন না হলে চাকরি থাকবে না’

সিটিজেন প্রতিবেদক:বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক তার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি টিকিয়ে রাখতে নির্দিষ্ট দলের রুকন হতে বাধ্য করছেন।

শনিবার (১৬ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্রবৃন্দের উদ্যোগে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদ পতনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ ও আহতদের স্মরণে’ আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মীর সরাফত আলী সপুর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজকে আমরা যেখানেই যাই, শুনি একটি সংগঠনের লোক তারা সেখানে বসে আছে। ডিসি কে? তারা বলছে, এইটা একটি বিশেষ দলের লোক। ওরা ডিসিগিরি করছে না, ওখানে তারা তাদের সংগঠনের কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক চেতনার রংয়ে আমাদের প্রশাসন থাকবে, শেখ হাসিনা যে চেতনা তৈরি করেছিলেন, সেই পাতানো চেতনার জন্যই কি এত রক্তপাত ও হানাহানি? শেখ হাসিনা যেমন তার অপশাসনের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলেই বলতো একে ধরো, এদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে দাও। আবার নতুন করে আমরা দেখছি, অন্য চেতনা ধর্মের নামে যে, রুকন না হলে চাকরি করতে পারবে না।’

‘অনেকেই উপদেষ্টার পদ পেয়েছেন, অনেকেই ভালো আছেন” উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের তাহলে কি আবার নতুন করে নতুন আঙ্গিকে শেখ হাসিনার যে অপশাসন, দুঃশাসন, চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাস, টাকা লুট, চাঁদাবাজি, ভর্তি-বাণিজ্য, চাকরি বাণিজ্য-সেটার আবার পুনরাবৃত্তি মানুষ দেখতে চায়? এজন্য কি প্রায় দেড় হাজারের মতো শিশু-কিশোর, তরুণ, শ্রমিক, রিকশাওয়ালারা জীবন দিয়েছে? এই উপলব্ধি তো সবার হওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, ‘এখনো তো নির্বাচন হয়নি, কে ক্ষমতায় যাবে, জনগণ কাকে ভোট দেবে, এটা তো এখনো নির্দিষ্ট হয়নি। তাহলে এই কথাগুলো এখনই কেন আসছে? এগুলো কেন আমাদেরকে শুনতে হচ্ছে? অনেক সরকারি দপ্তর থেকে অনেকেই আসছে, তারা বলছেন-আমরা কি করব ভাই, আমরা যদি ওই দলের (সদস্য) রুকন না হই, আমরা তো চাকরি করতে পারব না। শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার ভূত, তার আত্মারা আবার নতুন করে নতুন কায়দায়, নতুন চেতনায় তারাই আবার ভর করেছে। এটার জন্য তো এই ছেলেরা জীবন দেয়নি।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

‘জামায়াতের রুকন না হলে চাকরি থাকবে না’

আপডেট টাইম : ০৭:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

সিটিজেন প্রতিবেদক:বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক তার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি টিকিয়ে রাখতে নির্দিষ্ট দলের রুকন হতে বাধ্য করছেন।

শনিবার (১৬ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্রবৃন্দের উদ্যোগে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদ পতনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ ও আহতদের স্মরণে’ আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মীর সরাফত আলী সপুর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজকে আমরা যেখানেই যাই, শুনি একটি সংগঠনের লোক তারা সেখানে বসে আছে। ডিসি কে? তারা বলছে, এইটা একটি বিশেষ দলের লোক। ওরা ডিসিগিরি করছে না, ওখানে তারা তাদের সংগঠনের কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক চেতনার রংয়ে আমাদের প্রশাসন থাকবে, শেখ হাসিনা যে চেতনা তৈরি করেছিলেন, সেই পাতানো চেতনার জন্যই কি এত রক্তপাত ও হানাহানি? শেখ হাসিনা যেমন তার অপশাসনের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলেই বলতো একে ধরো, এদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে দাও। আবার নতুন করে আমরা দেখছি, অন্য চেতনা ধর্মের নামে যে, রুকন না হলে চাকরি করতে পারবে না।’

‘অনেকেই উপদেষ্টার পদ পেয়েছেন, অনেকেই ভালো আছেন” উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের তাহলে কি আবার নতুন করে নতুন আঙ্গিকে শেখ হাসিনার যে অপশাসন, দুঃশাসন, চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাস, টাকা লুট, চাঁদাবাজি, ভর্তি-বাণিজ্য, চাকরি বাণিজ্য-সেটার আবার পুনরাবৃত্তি মানুষ দেখতে চায়? এজন্য কি প্রায় দেড় হাজারের মতো শিশু-কিশোর, তরুণ, শ্রমিক, রিকশাওয়ালারা জীবন দিয়েছে? এই উপলব্ধি তো সবার হওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, ‘এখনো তো নির্বাচন হয়নি, কে ক্ষমতায় যাবে, জনগণ কাকে ভোট দেবে, এটা তো এখনো নির্দিষ্ট হয়নি। তাহলে এই কথাগুলো এখনই কেন আসছে? এগুলো কেন আমাদেরকে শুনতে হচ্ছে? অনেক সরকারি দপ্তর থেকে অনেকেই আসছে, তারা বলছেন-আমরা কি করব ভাই, আমরা যদি ওই দলের (সদস্য) রুকন না হই, আমরা তো চাকরি করতে পারব না। শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার ভূত, তার আত্মারা আবার নতুন করে নতুন কায়দায়, নতুন চেতনায় তারাই আবার ভর করেছে। এটার জন্য তো এই ছেলেরা জীবন দেয়নি।’


প্রিন্ট