ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অবকাঠামো-নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডি মন্ত্রী অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তির উৎস নজরুল: রিজভী প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি

কোনো ব্যক্তি নয়, মাস্টারমাইন্ড গণতন্ত্রকামী জনগণ : তারেক রহমান

সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, না। আমি অবশ্যই এই জুলাই আন্দোলনে নিজেকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখি না। এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের জনগণের আন্দোলন। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড কোনো দল বা ব্যক্তি নয়।এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।

বিবিসি বাংলায় দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান এ কথা বলেন।

তারেক রহমানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আপনার ভূমিকা নিয়ে অনেক আলোচনা আছে। এটি মোটামুটি সব পক্ষই স্বীকার করে।

সেই সময়ে আপনার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। আবার আপনার দলের কিছু নেতা বা সমর্থক এই অভ্যুত্থানের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড হিসেবে আপনাকে আখ্যা দিয়েছেন। আপনি কি নিজেকে এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখেন?

তখন তারেক রহমান বলেন— না, আমি অবশ্যই এই জুলাই আন্দোলনে নিজেকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখি না। এই ৫ আগস্টের আন্দোলন, যা জুলাই আন্দোলন হিসেবে বিখ্যাত বা সবার কাছে গৃহীত, এটি সফল হলেও এর প্রেক্ষাপট বহু বছর আগে থেকেই শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, এই আন্দোলনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা—চাই তা বিএনপি হোক বা অন্য রাজনৈতিক দল—বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছে। বিভিন্নভাবে তাদের নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে। আমি মনে করি, জুলাই-আগস্ট মাসে জনগণ সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে।

তারেক রহমান বলেন, শুধু কি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই সেদিন মাঠে ছিলেন? অবশ্যই নয়। আমরা দেখেছি, সেদিন মাদরাসার ছাত্ররাও আন্দোলনের মাঠে ছিলেন।

আমরা দেখেছি, গৃহিণীরাও রাস্তায় নেমে এসেছেন। আমরা দেখেছি, কৃষক, শ্রমিক, সিএনজিচালক, ছোট দোকান কর্মচারী, দোকান মালিক থেকে গার্মেন্টস-কর্মী পর্যন্ত—সবাই অংশগ্রহণ করেছেন। আমরা দেখেছি, সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মীরাও আন্দোলনে নেমে এসেছেন। এমন অনেক সাংবাদিক, যারা স্বৈরাচারের অত্যাচারে নির্যাতিত হয়ে দেশ থেকে বাইরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন, তারা সম্পৃক্ত হয়েছেন আন্দোলনে। কাজেই কারো ভূমিকাকে আমরা ছোট করে দেখতে চাই না। খাটো করে দেখতে চাই না।
তিনি আরো বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সমাজের দল-মত-নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের অবদান আছে। এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের জনগণের আন্দোলন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড কোনো দল, কোনো ব্যক্তি নয়। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

কোনো ব্যক্তি নয়, মাস্টারমাইন্ড গণতন্ত্রকামী জনগণ : তারেক রহমান

আপডেট টাইম : ০১:৩৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, না। আমি অবশ্যই এই জুলাই আন্দোলনে নিজেকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখি না। এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের জনগণের আন্দোলন। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড কোনো দল বা ব্যক্তি নয়।এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।

বিবিসি বাংলায় দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান এ কথা বলেন।

তারেক রহমানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আপনার ভূমিকা নিয়ে অনেক আলোচনা আছে। এটি মোটামুটি সব পক্ষই স্বীকার করে।

সেই সময়ে আপনার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। আবার আপনার দলের কিছু নেতা বা সমর্থক এই অভ্যুত্থানের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড হিসেবে আপনাকে আখ্যা দিয়েছেন। আপনি কি নিজেকে এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখেন?

তখন তারেক রহমান বলেন— না, আমি অবশ্যই এই জুলাই আন্দোলনে নিজেকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখি না। এই ৫ আগস্টের আন্দোলন, যা জুলাই আন্দোলন হিসেবে বিখ্যাত বা সবার কাছে গৃহীত, এটি সফল হলেও এর প্রেক্ষাপট বহু বছর আগে থেকেই শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, এই আন্দোলনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা—চাই তা বিএনপি হোক বা অন্য রাজনৈতিক দল—বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছে। বিভিন্নভাবে তাদের নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে। আমি মনে করি, জুলাই-আগস্ট মাসে জনগণ সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে।

তারেক রহমান বলেন, শুধু কি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই সেদিন মাঠে ছিলেন? অবশ্যই নয়। আমরা দেখেছি, সেদিন মাদরাসার ছাত্ররাও আন্দোলনের মাঠে ছিলেন।

আমরা দেখেছি, গৃহিণীরাও রাস্তায় নেমে এসেছেন। আমরা দেখেছি, কৃষক, শ্রমিক, সিএনজিচালক, ছোট দোকান কর্মচারী, দোকান মালিক থেকে গার্মেন্টস-কর্মী পর্যন্ত—সবাই অংশগ্রহণ করেছেন। আমরা দেখেছি, সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মীরাও আন্দোলনে নেমে এসেছেন। এমন অনেক সাংবাদিক, যারা স্বৈরাচারের অত্যাচারে নির্যাতিত হয়ে দেশ থেকে বাইরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন, তারা সম্পৃক্ত হয়েছেন আন্দোলনে। কাজেই কারো ভূমিকাকে আমরা ছোট করে দেখতে চাই না। খাটো করে দেখতে চাই না।
তিনি আরো বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সমাজের দল-মত-নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের অবদান আছে। এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের জনগণের আন্দোলন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড কোনো দল, কোনো ব্যক্তি নয়। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।


প্রিন্ট