রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিন ফসলি জমিতে গড়ে ওঠা ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে অন্তত ২০ একর জমির ধানসহ বিভিন্ন সবজি ও ফল নষ্ট হয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ বিষয়টি তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কথা বললেও করলেও কৃষকেরা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না। ইটভাটার মালিক ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের সাথে ক্ষতিপূরণ নিরূপণ করে সমাধান করা কথা হলেও ইট ভাটার মালিক ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না। কৃষকদের অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ দাবি করায় তাঁদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
ইটভাটাটি আবুল কালাম মন্ডল এ কেএম মেসার্স এন্টারপ্রাইজ নামে উলিপুর উপজেলার গূনাই গাছ ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কালু ডাঙ্গা নেফরা গ্রামে অবস্থিত। জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কুড়িগ্রাম রেজাউল করিমের তথ্যমতে, এই ইটভাটাটি অবৈধ। তাদের কাগজপত্র নেই পরিবেশ অধিদপ্তর কোন ছাড়পত্র নেই। পেট ভাটার মালিক প্রকৃতপক্ষে দ্বীন ইসলাম রুবেল কিন্তু ভাড়া হিসাবে আবুল কালাম মন্ডল চালান। তবে ইটভাটার মালিক দ্বীন ইসলামের মুঠোফোন যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি
কৃষকদের অভিযোগ, দুই সপ্তাহ আগে একেএএম ব্রিকসের আগুন নেভানোর জন্য বিষাক্ত গ্যাস ছাড়া হয়। এতে ভাটাসংলগ্ন উত্তর পাশের জমির ধান, সবজি, গাছের আমসহ বিভিন্ন ধরনের ফল নষ্ট হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিনে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে অন্তত ৩০-৩৫ জন কৃষকের প্রায় ২০ একর জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া গত বছরও ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ার কারণে স্থানীয় কৃষকদের ফসল নষ্ট হয়েছিল।
কৃষক দেনোনা বর্মণ বলেন, ও আব্দুর রহিম সহ উপস্থিত কয়েকজন জানান তাদের ইরি আবাদি জমি নষ্ট হয়ে গেছে অন্যরও নষ্ট হয়ে গেছে বিষয়টি নিয়ে গত ৫ এপ্রিল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নিয়ে ইট ভাটার মালিক বসার কথা ছিল কিন্তু তা বসেনি ইট ভাটার মালিক। বেশ কয়েকজন কিছু জানান জমিতে ব্রি-১০২ জাতের ধান রোপণ করেন। ধানের থোড় এসেছে। এমন সময় ভাটার ধোঁয়ায় সব ধান গাছ পুড়ে গেছে।
উলিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন এ প্রতিবেদককে জানান বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি এবং ইট ভাটার মালিক কে বিষয়টি ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে । ক্ষতিপূরণ না দিলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ।