শংকর দাস পবন, ঝালকাঠি
ঝালকাঠির গণমাধ্যম অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, দক্ষ। সংগঠক এবং মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ ব্যক্তিত্ব হেমায়েত উদ্দিন হিমুর আজ চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী।
সাংবাদিকতা ও সংগঠন পরিচালনায় তাঁর সততা, নিষ্ঠা এবং সাহসিকতা ঝালকাঠির গণমাধ্যম জগতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
তিনি ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের পাঁচবারের সফল সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত হয়ে ওঠে। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং গণমাধ্যমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঝালকাঠি প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সাহসী, বস্তুনিষ্ঠ এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে নিজস্ব একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর ছিল সক্রিয় অংশগ্রহণ। অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ন্যায় ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার পক্ষে সোচ্চার থাকা—এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।
তরুণ সাংবাদিকদের কাছে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ পথপ্রদর্শক। আন্তরিকতা, সহযোগিতা এবং স্নেহ দিয়ে তিনি অনেক নতুন সাংবাদিককে পেশাগতভাবে গড়ে উঠতে সহায়তা করেছেন। সবার কাছে তিনি ছিলেন প্রিয় “হিমু ভাই”।
আজ তাঁর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছেন। তারা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন এবং তাঁর কর্মময় জীবনের আদর্শ অনুসরণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।