ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের মোরবিতে ঝুলন্ত একটি সেতু ভেঙে নদীতে পড়ে নারী ও শিশুসহ বিপুলসংখ্যক লোকের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (৩১ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লিখিত এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এবং আমি নিজে এই হৃদয়বিদারক মর্মান্তিক ঘটনায় ভারতের সরকার ও জনগণের নিকট গভীর শোক প্রকাশ করছি।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে ভারত সরকারের গৃহীত উদ্ধার কার্যক্রমের আমরা প্রশংসা করি।
শেখ হাসিনা নিহতদের আত্মার শান্তি এবং আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, আমি আশা করি, শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শক্তি যোগাবে।
শেখ হাসিনা পুর্নব্যক্ত করেন, এই কঠিন সময়ে আমরা ভারতের সরকার ও জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছি।
শনিবার (৩০ অক্টোবর) রাতের এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। কিন্তু কীভাবে ঘটল দেশটির ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা?
বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সেতুটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ভাড়া করা সংস্থা অজন্তা ম্যানুফ্যাকচারিং প্রাইভেট লিমিটেড নির্ধারিত সময়ের আগেই জনসাধারণের জন্য সেটি উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। যা এ দুর্ঘটনার অন্যতম বড় কারণ।
মোরবি শহর কর্তৃপক্ষ এবং অজন্তা ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের মধ্যকার চুক্তি পর্যালোচনা করে এনডিটিভি বলছে, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য সেতুটি কমপক্ষে ৮ থেকে ১২ মাস বন্ধ রাখার প্রয়োজন ছিল।
কিন্তু গুজরাটি নববর্ষ উদ্যাপনের আগে গেল ২৬ অক্টোবর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের ঐতিহাসিক ওই সেতুটি।
সম্পাদক : মো: মাসুদ পারভেজ, মোবাইল : 01712-983974, অফিস : রহমান ম্যানসন, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০, ই-মেইল : citizennews786@gmail.com
© All rights reserved 2019-2026 CitizenNews24