নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থলবন্দরে ট্যারিফ (শুল্ক) শিডিউল বাড়ানোর সুপারিশ করেছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। একই সঙ্গে কমিটি বুড়িগঙ্গা, তুরাগ নদতীরের ওয়াকওয়ে রক্ষণাবেক্ষণে দ্রুত পাহারাদার নিয়োগেরও সুপারিশ করেছে।
জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে গতকাল এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর চারপাশে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদ-নদীর তীর দখলমুক্ত করা হয়েছে। এটিকে দখলমুক্ত রাখতে তীরভূমিতে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগের তীরে ২০ কিলোমিটার নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। বাকি ৩২ কিলোমিটারের কাজ শেষ পর্যায়ে বলে জানা গেছে। ওয়াকওয়ে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। নীতিমালাটি সংসদীয় কমিটিতে উপস্থাপন করা হয় বলে জানা গেছে।
সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক নির্মিত ওয়াকওয়েতে অতি দ্রুত পাহারাদার নিয়োগ, যন্ত্রচালিত নৌযানের বদলে প্যাডেলচালিত নৌযানের ব্যবস্থা রাখার সুপারিশ করেছে কমিটি।
একই সঙ্গে টয়লেট ফ্যাসিলিটি রাখার, সামঞ্জস্যপূর্ণ ও রুচিসম্মত বিলবোর্ডগুলোর ইজারা দেয়ার, সার্কেল গেট নির্মাণ, ধূমপানবর্জিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা, অসুস্থতাজনিত কারণে ইভ্যাকুয়েশনের জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করে সংসদীয় কমিটি।
কমিটি খাল সচল রাখতে প্রতি বছর ড্রেজিংকৃত খালগুলোর মাটি বা বালি বিক্রি করার সুপারিশ করে। বালি ডিসপোজালের বিষয়ে কার্যকরী সিদ্ধান্ত নিতে চার সদস্যের একটি সংসদীয় সাবকমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন গোলাম কিবরিয়া টিপু, আছলাম হোসেন সওদাগর, এসএম শাহজাদা ও বিআইডব্লিউটিএর একজন সদস্য।
সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরো অংশ নেন কমিটির সদস্য রণজিত কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া টিপু ও এসএম শাহজাদা।
সম্পাদক : মো: মাসুদ পারভেজ, মোবাইল : 01712-983974, অফিস : রহমান ম্যানসন, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০, ই-মেইল : citizennews786@gmail.com
© All rights reserved 2019-2026 CitizenNews24