ঢাকা ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটুকু নিরাপদ সেভ দ্য চিলড্রেনে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ এনসিপির কালীগঞ্জে যুবককে মারধর, অপহরণচেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিআরটি উত্তরা মেট্রো সার্কেল-৩ এ অভিযান বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন নয়, ১৬ ডিসেম্বর চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল চলার পথে নতুন ভরসা, শার্শায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার বিতরণ ‎বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কে পিরোজপুর জেলা বিএনপির ফুলের শুভেচ্ছা আট মাসেও এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি হিন্দুধর্ম শিক্ষা বই দুই মাসে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৭.৬৭ শতাংশ

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। তবে শুধু সরকার নয়, গণমাধ্যম, মালিকপক্ষ, সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান-সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীল ভূমিকাই একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে টিভি এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জনগণের মতামত ও প্রত্যাশার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার নামই গণতন্ত্র। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করা যায় না।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার গঠনের মাত্র তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই অনেকেই সরকারকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ক্ষমতা থেকে সরানোর কথা বলছেন। তার ভাষায়, এ ধরনের বক্তব্য গণতান্ত্রিক নয়, বরং ‘ফ্যাসিবাদী মানসিকতার’ প্রতিফলন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিপরীত অবস্থান নিয়েছে। তার অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের নামে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। কিন্তু বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অধৈর্যতা গণতান্ত্রিক বিকাশের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা থাকা প্রয়োজন। তবে অনেক টকশোতে এমন চিত্র তুলে ধরা হয়, যেন সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং দেশ ধ্বংসের মুখে। এ ধরনের উপস্থাপনা বাস্তবতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, গণমাধ্যম যদি শক্ত থাকে, তাহলে গণতন্ত্রও টেকসই হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটুকু নিরাপদ

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

আপডেট টাইম : ০৬:২৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। তবে শুধু সরকার নয়, গণমাধ্যম, মালিকপক্ষ, সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান-সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীল ভূমিকাই একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে টিভি এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জনগণের মতামত ও প্রত্যাশার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার নামই গণতন্ত্র। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করা যায় না।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার গঠনের মাত্র তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই অনেকেই সরকারকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ক্ষমতা থেকে সরানোর কথা বলছেন। তার ভাষায়, এ ধরনের বক্তব্য গণতান্ত্রিক নয়, বরং ‘ফ্যাসিবাদী মানসিকতার’ প্রতিফলন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিপরীত অবস্থান নিয়েছে। তার অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের নামে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। কিন্তু বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অধৈর্যতা গণতান্ত্রিক বিকাশের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা থাকা প্রয়োজন। তবে অনেক টকশোতে এমন চিত্র তুলে ধরা হয়, যেন সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং দেশ ধ্বংসের মুখে। এ ধরনের উপস্থাপনা বাস্তবতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, গণমাধ্যম যদি শক্ত থাকে, তাহলে গণতন্ত্রও টেকসই হবে।


প্রিন্ট