ঢাকা ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটুকু নিরাপদ সেভ দ্য চিলড্রেনে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ এনসিপির কালীগঞ্জে যুবককে মারধর, অপহরণচেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিআরটি উত্তরা মেট্রো সার্কেল-৩ এ অভিযান বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন নয়, ১৬ ডিসেম্বর চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল চলার পথে নতুন ভরসা, শার্শায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার বিতরণ ‎বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কে পিরোজপুর জেলা বিএনপির ফুলের শুভেচ্ছা আট মাসেও এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি হিন্দুধর্ম শিক্ষা বই দুই মাসে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৭.৬৭ শতাংশ

জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে : চিফ প্রসিকিউটর

 ‘এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় পাওয়া গেছে এবং পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে’ বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ একথা বলেন।

এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচারের অংশ হিসেবে আজ আমরা ডিজিএফআই’র কমপ্লেক্সের ভিতরে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন করেছি। এই জেআইসি নামক প্রতিষ্ঠানটি ছিল মানুষকে ধরে এনে বন্দি করে রেখে তাদের উপর অত্যাচার এবং নির্যাতনের একটা সেল। যেটা পরবর্তীতে আয়নাগর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সেখানে অমানবিকভাবে বন্দিদেরকে ধরে এনে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর রাখা হয়েছে। সেই নির্মম চিত্র আজকে এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ যে জেআইসি আমরা পরিদর্শন করেছি এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তারই কোন একটি কামরায় আনা হয়েছে। তাঁর ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল এটাও কিন্তু আমাদের ইনভেস্টিগেশনে বিভিন্ন সাক্ষীদের মুখের বর্ণনা থেকে (সে তথ্য) পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আমরা বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ জানাবো বাংলাদেশে যাতে আর কোন টিএফআই সেল অথবা জেআইসি বা তথাকথিত আয়নাঘর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত না হয়। দেশের কোন নাগরিক যদি কোন অপরাধ করে থাকে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাকে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। কিন্তু এক্সট্রা জুডিশিয়াল কোন কিলিং এর শিকার যাতে কোন নাগরিক না হয়। কেউ যাতে কোন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা অহেতুক হয়রানীর শিকার না হয়। কেউ যেন বন্দিশালায় দিনের পর দিন মাসের পর মাস হয়রানির শিকার না হয়।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সংখ্যক অতি উৎসাহী সদস্য সরকারের কিছু অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর নামীয় টর্চার সেলগুলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠ করেছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম, আসামিপক্ষের আইনজীবী, ডিজিএফআইয়ের প্রধান ও নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি দৈনিক মানবজমিন– এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না, সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না আজকের পরিদর্শনে অংশ নেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটুকু নিরাপদ

জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে : চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট টাইম : ০৭:১৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

 ‘এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় পাওয়া গেছে এবং পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে’ বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ একথা বলেন।

এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচারের অংশ হিসেবে আজ আমরা ডিজিএফআই’র কমপ্লেক্সের ভিতরে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন করেছি। এই জেআইসি নামক প্রতিষ্ঠানটি ছিল মানুষকে ধরে এনে বন্দি করে রেখে তাদের উপর অত্যাচার এবং নির্যাতনের একটা সেল। যেটা পরবর্তীতে আয়নাগর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সেখানে অমানবিকভাবে বন্দিদেরকে ধরে এনে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর রাখা হয়েছে। সেই নির্মম চিত্র আজকে এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ যে জেআইসি আমরা পরিদর্শন করেছি এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তারই কোন একটি কামরায় আনা হয়েছে। তাঁর ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল এটাও কিন্তু আমাদের ইনভেস্টিগেশনে বিভিন্ন সাক্ষীদের মুখের বর্ণনা থেকে (সে তথ্য) পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আমরা বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ জানাবো বাংলাদেশে যাতে আর কোন টিএফআই সেল অথবা জেআইসি বা তথাকথিত আয়নাঘর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত না হয়। দেশের কোন নাগরিক যদি কোন অপরাধ করে থাকে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাকে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। কিন্তু এক্সট্রা জুডিশিয়াল কোন কিলিং এর শিকার যাতে কোন নাগরিক না হয়। কেউ যাতে কোন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা অহেতুক হয়রানীর শিকার না হয়। কেউ যেন বন্দিশালায় দিনের পর দিন মাসের পর মাস হয়রানির শিকার না হয়।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সংখ্যক অতি উৎসাহী সদস্য সরকারের কিছু অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর নামীয় টর্চার সেলগুলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠ করেছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম, আসামিপক্ষের আইনজীবী, ডিজিএফআইয়ের প্রধান ও নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি দৈনিক মানবজমিন– এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না, সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না আজকের পরিদর্শনে অংশ নেন।


প্রিন্ট