শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
লেবানন ও ইসরাইলের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু; লঙ্ঘনের অভিযোগ সেনাবাহিনীর বাণিজ্য সচিবের মৃত্যুতে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের শোক আলোকিত লালমনিরহাটে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান: ট্রাম্প মুন্সীগঞ্জে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও সার বিতরণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব নিঝুম দ্বীপে সাবেক বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রাজধানীতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটক ২: র‌্যাব নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর

আমরা ‘মদিনার ইসলাম’ চর্চা করি: সালাহউদ্দিন আহমেদ

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেছেন, একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনের স্বার্থে ইসলামকে ব্যবহার করে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়।

শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের ঈদগাহ ময়দানে কাসেমি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আজমতে সাহাবা মহা সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে, বিশেষ করে নির্বাচনের আগে ইসলামকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ফায়দা হাসিলের চেষ্টা লক্ষ্য করি। ইদানিং সেটা আরও বেশি লক্ষ্য করি। এজন্য একটি রাজনৈতিক দল ইসলামকে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিভাজিত করতে চায়।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, বাংলাদেশে সব সময় বিশেষ করে নির্বাচনের আগে ইসলামকে রাজনীতি এবং বিভিন্ন তরিকা ব্যবহার করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা আমরা লক্ষ্য করি। ইদানিং সেটা আরও বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন ও রাজনীতির সঙ্গে ইসলামকে ব্যবহার করে জাতির মধ্যে বিভক্তি তৈরি করতে চায়। তারা ইসলামের ক্ষতি করতে চায়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশে আমরা ৯০ থেকে ৯২ শতাংশ মানুষ মুসলমান। আমরা মদিনার ইসলামের চর্চা করি। আমরা মদিনার ইসলামে বিশ্বাস করি। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যে ইসলামের প্রবর্তন করে গেছেন, সেই ইসলামের অনুসারী আমরা। এখানে আমরা মওদুদী ইসলামের অনুসারী তো নয়। সুতরাং যারা ফিতনা তৈরি করে দেশের মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়, তাদের কাছ থেকে আমাদেরকে সাবধান হতে হবে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ইসলাম বিদ্বেষী রাজনীতি করেছে, আলেম বিদ্বেষী রাজনীতি করেছে, মুসলিম বিদ্বেষী রাজনীতি করেছে। তাদের বিদায় কীভাবে হয়েছে, তা আমরা দেখেছি। এখন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী তথা অপরাজনৈতিক সংস্কৃতি বিলুপ্ত করতে আমাদেরকে সঠিক পথে রাজনীতি করতে হবে, আমাদেরকে আদর্শিক রাজনীতি করতে হবে, ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা করতে হবে। এর ফলে দেশ থেকে অপরাজনীতি বিদায় হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com