রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে তরুণদেরকে গড়তে হবে: ফকির মাহবুব আনাম দেশে ফিরেছেন ৫৫ হাজার ১৩৩ হাজি ধামইরহাটে মা’য়ের প্রাণ নাসের হুমকির অভিযোগে ২ ছেলে গ্রেফতার মোঃ আব্দুল ওহাব মন্ডল: শিক্ষা, রাজনীতি ও জনসেবায় পরিচিত এক ব্যক্তিত্ব হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু সালাতু সালাম স্বয়ং আল্লাহ তাআলার আমল জনবল ও অ্যাম্বুলেন্স সংকটে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা হাসপাতাল চরম দুর্ভোগে রোগীরা লেবানন থেকে ২টি ড্রোন আঘাত হেনেছে ইসরাইলে: সামরিক বাহিনী অপরাধীদের আতঙ্ক,জনগণের আস্থার প্রতীক পুলিশের অভিযান পরিচালিত বোয়ালিয়া থানার সিভিল টিম তরুণ সমাজ এবারের বাজেটকে ‘সৃজনশীল অর্থনীতির’ বাজেট বলছে

দিনাজপুরের বিরামপুরের সরকারি বিধি উপেক্ষা করে বনের গাছ কর্তন বিরামপুরে বিট অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫ বার পঠিত

মোঃ নয়ন মিয়া দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় সরকারি নিয়ম কানুন অমান্য করে বন বিভাগের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক বিট অফিসারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ২১ এপ্রিল ২০২৬ ভোরবেলা,যা স্থানীয় জনগণের মাঝে চরম উদ্বেগ ওক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্রের বিট অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম নিজ দায়িত্বে থাকা বন এলাকার একটি অপরিপক্ক ইউক্যালিপটাস গাছ কোনো প্রকার সরকারি অনুমতি ছাড়াই কর্তন করেন।

গাছটি ব্যক্তিগত বাড়ির কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিট অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি স্বীকার করেন যে,“আমি উক্ত গাছটি আমার বাড়ির কাজের জন্য কর্তন করেছি।অফিসিয়ালি অনুমতি নেওয়ার ক্ষেত্রে ত্রুটি হয়েছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমার কিছু বলার নেই।”সরকারি দায়িত্বে থেকে এমন স্বীকারোক্তি ঘটনাটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন,শুধু একটি গাছ নয় চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্রের আশেপাশে থাকা অনেক মূল্যবান গাছ দীর্ঘদিন ধরে রাতের অন্ধকারে কেটে নেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে কিছু অসাধু ব্যক্তির এই বিট অফিসার জড়িত থাকার দাবি করেন।এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নীরব সহযোগিতা বা যোগসাজশ রয়েছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,“বনের গাছ কাটা এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব হচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।”ঘটনার বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা চরকাই ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। আইন কী বলে?বাংলাদেশের প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী,সরকারি বনাঞ্চলের কোনো গাছ কর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক। অনুমতি ব্যতীত গাছ কাটাকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়,যার জন্য অর্থদণ্ড,এমনকি কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে:একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার কীভাবে নিজেই আইন ভঙ্গ করেন?দীর্ঘদিন ধরে বনের গাছ নিধনের পেছনে কারা জড়িত? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি এ বিষয়ে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেবে?স্থানীয়দের দাবি:অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশা পাশি বনাঞ্চল রক্ষায় নজরদারি বাড়ানো এবং অবৈধ গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন এই গুরুতর অভিযোগে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, নাকি আগের মতোই বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com