শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
হাতিয়ার ঢালচরে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন তাহিরপুরে ইয়াবা ব্যবসায়ীর বাপ-চাচার নাম প্রকাশ, সংবাদকর্মীকে হুমকির অভিযোগ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান প্রত্যাবাসন: জাতিসংঘে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’ বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিশ্চিত হাইতির অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম এইচ৫এন১ শনাক্ত, বার্ড ফ্লু এখন সব মহাদেশে এক ভিসাতেই ২২ দেশ চাটখিলে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পুকুর খননে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি এমপি লিটনের ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নুরুল ইসলামের ওপর হামলার প্রতিবাদ

৫ আগস্টের রক্তঝরা হামলার অভিযোগ মাথায় নিয়েই প্রকাশে ঘুরছে কাজী শফিকুল দায়িত্বে বহাল তবিয়তে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

রাজশাহীতে ছাত্র-জনতার ওপর ৫ আগস্টের ভয়াবহ হামলার পর দেশজুড়ে যখন ন্যায়বিচারের দাবি উঠেছে,ঠিক সেই সময়েই সবচেয়ে বিতর্কিত বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে—অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা আ’লীগের দোসর সাবেক ছাত্রলীগ সদস্য কাজী শফিকুল ইসলাম।

ভিডিও,ছবি ও প্রত্যক্ষ অভিযোগের পরও ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর হিসেবে অভিযুক্ত এই ব্যক্তি ৪ নং ওয়ার্ডের কাজীর দায়িত্ব পালন করছেন। যা নিয়ে ক্ষোভ ও বিস্ময় ক্রমেই রূপ নিচ্ছে তীব্র জনরোষে।

কাজী শফিকুল ইসলাম রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া হেলেনা বাদ এলাকার মৃত গোলাম মর্তুজা ছেলে।

তার ভাই ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অপর ভাই মোঃ রফিকুল ইসলাম আ’লীগ সদস্য। এই রাজনৈতিক পরিচয় ও ক্ষমতার বলয়ই কি তাকে আজ পর্যন্ত অদৃশ্য ঢাল হয়ে রক্ষা করে চলেছে-সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

৫ আগস্ট রাজশাহীতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রদের ওপর সংঘটিত হামলার ভিডিও ও স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওইসব ভিডিওতে হামলার স্থলে কাজী শফিকুল ইসলাম হামলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। ছাত্রদের ওপর হামলার ও সহিংসতার দৃশ্য দেশজুড়ে আলোড়ন তুললেও বাস্তবতা হলো-এখনো পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেই।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এমন গুরুতর অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবহিত দিয়ে তদন্তের আওতায় আনার কথা।

কিন্তু কাজী শফিকুল ইসলাম ক্ষেত্রে ঘটছে ঠিক উল্টোটা। তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন এবং ক্ষমতার অংশ হিসেবেই বহাল রয়েছেন।

৪ নং ওয়ার্ডের এখন প্রকাশ্যেই প্রশ্ন উঠছে-আইন কি সত্যিই সবার জন্য সমান,নাকি রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে বিচার থেমে যায়?অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি যদি কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই কাজীর দায়িত্বে বহাল থাকেন,তাহলে প্রশাসনের এই নীরবতা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকট ডেকে আনতে পারে।

৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে ছাত্রদের ক্ষোভও ক্রমাগত বাড়ছে। এক শিক্ষার্থী বলেন,আমরা রাস্তায় হামলার শিকার হয়েছি,আমাদের সহপাঠীরা আহত হয়েছে। অথচ অভিযুক্ত ব্যক্তি এখনো নিরাপদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এতে ন্যায়বিচার শব্দটাই অর্থহীন হয়ে পড়ে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে কাজী শফিকুল ইসলাম
কে মুঠোফোন ফোন দিলে তিনি ফোন কেটে দেয়।
পরে আবারও একাধিক ফোন দিলে তিনি অন্য এক ব্যক্তিকে দিয়ে ফোন রিসিভ করান।ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

এবিষয়ে জানতে চাইলে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আবুল কালাম আজাদ বলেন,
আইন সবার জন্য সমান আর আইনের চোখে অপরাধী শুধু অপরাধী।সে যদি হামলার সাথে জড়িত থাকে তদন্ত করে সত্যতা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com