ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষক-শ্রমিক-দিনমজুরের সম্মান ও সেবামুখী ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার; মানুষের আস্থা অর্জনেই গুরুত্ব নিকুঞ্জে হ/ত্যাচেষ্টা মা//মলার আ/সা/মি ও মা/দক কারবারি ‘গা/ঞ্জা রিফাত’ আ/টক অজস্র কলমের ছোঁয়া -এর দশম সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত। পটুয়াখালীতে টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, পানির নিচে আমনের বীজতলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব : মোনায়েম মুন্না হিলিতে ‘কেনা প্রশ্নপত্রে’ অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ, অভিভাবকদের ক্ষোভ পেলে-ম্যারাডোনার ক্লাবে বেলিংহাম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর শোক চিলমারীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দেড় শতাধিক পরিবার ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জেলা শাখার বন্যায় কবলিত মানুষদের ত্রান সামগ্রী বিতরণ।

চিলমারীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দেড় শতাধিক পরিবার

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার করাই বরিশাল গ্রামে নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও বসতভিটা হারানো অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশন। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ (রবিবার) নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এর আগে চার দিন আগে ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল করাই বরিশাল গ্রাম পরিদর্শন করে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেয়। এ সময় যেসব পরিবারের ঘরবাড়ি ও বসতভিটা সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে, তাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতেই আজ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিটি পরিবারের জন্য বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, আধা কেজি লবণ, আধা কেজি ভোজ্যতেল এবং ১ কেজি ময়দা।

খাদ্যসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, নদীভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমন কঠিন সময়ে এই সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে এসেছে।

ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা জানান, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তারা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ভবিষ্যতেও অসহায়, দরিদ্র ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদীভাঙনের কারণে প্রতিবছর বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এগিয়ে আসা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অন্যান্য বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষক-শ্রমিক-দিনমজুরের সম্মান ও সেবামুখী ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার; মানুষের আস্থা অর্জনেই গুরুত্ব

চিলমারীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দেড় শতাধিক পরিবার

আপডেট টাইম : ০৬:০১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার করাই বরিশাল গ্রামে নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও বসতভিটা হারানো অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশন। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ (রবিবার) নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এর আগে চার দিন আগে ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল করাই বরিশাল গ্রাম পরিদর্শন করে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেয়। এ সময় যেসব পরিবারের ঘরবাড়ি ও বসতভিটা সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে, তাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতেই আজ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিটি পরিবারের জন্য বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, আধা কেজি লবণ, আধা কেজি ভোজ্যতেল এবং ১ কেজি ময়দা।

খাদ্যসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, নদীভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমন কঠিন সময়ে এই সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে এসেছে।

ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা জানান, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তারা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ভবিষ্যতেও অসহায়, দরিদ্র ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদীভাঙনের কারণে প্রতিবছর বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এগিয়ে আসা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অন্যান্য বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।


প্রিন্ট