বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যক্তিগত কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়িত্ব ছাড়লেন রব ওয়াল্টার যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া ঈদের তৃতীয় দিনেই সিনেপ্লেক্স থেকে নেমে গেল শাকিবের যে সিনেমা মাকে নিয়ে পার্কে ঘুরলেন তারেক রহমান চরমপন্থার সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না: তথ্য উপদেষ্টা দেশে জঙ্গিবাদ উত্থানের মতো কিছুই হয়নি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা গুম-খুন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে হয়েছিল: উপদেষ্টা মাহফুজ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ইনসানিয়াত বিপ্লব মহাসচিবের শুভেচ্ছা বিনিময় রুনা লায়লা প্রসঙ্গে ড. ইউনূসের সঙ্গে যে কথা হলো শাহবাজের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন –গণমাধ্যমকর্মী  মোঃ মজিবর রহমান শেখ

সামরিক অভিধান থেকে ‘মার্শাল ল’ শব্দটি বাদ দিন : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২২৫ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘সামরিক অভিধান’ থেকে ‘মার্শাল ল’ শব্দটি বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ সোমবার সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে আর্মড ফোর্সেস সিলেকশন বোর্ড মিটিং ২০২০-এ ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে যোগ দিয়ে এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মার্শাল ল’ রক্তপাত ছাড়া দেশ ও সশস্ত্র বাহিনীর কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। তাই ‘সামরিক অভিধান’ থেকে আমাদের ‘মার্শাল ল’ শব্দটি বাদ দেওয়া উচিত।’

জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন আমলের ১৯টি ক্যুর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের আমলে সশস্ত্র বাহিনীর এত বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা ও সৈন্যকে হত্যা করা হয়েছে যে যুদ্ধেও এত বিপুলসংখ্যক সৈন্য নিহত হয়নি। আমরা (সশস্ত্র বাহিনীতে) আর কোনো ছেলেহারা পিতা বা পিতাহারা ছেলের কান্না শুনতে চাই না।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পর একের পর এক ক্যুর কারণে সশস্ত্র বাহিনী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব ক্যুর নামে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সশস্ত্র বাহিনীর অনেক সদস্যকে বর্বরোচিতভাবে হত্যা করা হয়। সেনা ও বিমানবাহিনীতে সবচেয়ে বেশি রক্তপাত হয় এবং আমাদেরকে বহু স্বামীহারা বিধবা ও পুত্রহারা মা–বাবার কান্না শুনতে হয়েছে।’

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও একে সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা তার সরকারের লক্ষ্য বলে পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আমাদের পরিবারের সম্মানিত সদস্য। তারা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য এবং এই লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তার সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তার সরকার দেশের সুরক্ষা ও কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও সুসজ্জিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com