রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরের একটি মসজিদে ইতিকাফে বোসেছে দেশি-বিদেশি মোট ১৬০০ জন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা: সাবেক কাউন্সিলর মিন্টু দুই দিনের রিমান্ডে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ালো এনবিআর কাউকে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না—সেলিম উদ্দিন গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করার আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশালে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উদযাপন বরিশালে শেষ সময়ে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ সিটিটিসি’র অভিযানে ৯ জন মাদকসেবী গ্রেফতার

বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে এমবাপ্পে

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৯২ বার পঠিত

আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স যখন ফাইনালের টিকিট পেলো তখন থেকেই আলোচনায় ছিলো লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের নাম। দুই দেশের আড়ালে লড়াইটা যে মেসি-এমবাপেরও সেটা বলে আসছিলেন ফুটবলবোদ্ধারা। শেষ পর্যন্ত সেটাই হলো।

৫ গোল নিয়ে ফাইনালে মাঠে নেমেছিলেন মেসি ও এমবাপে। পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল করে এমবাপেকে টপকে গিয়েছিলেন মেসি। দ্বিতীয় গোল করে গোল্ডেন বুট পুরস্কারটা প্রায় নিজের করে ফেলেছিলেন আর্জেন্টনাইন মহাতারকা; কিন্তু বিশ্বকাপের মতো আসরের ফাইনালে এতটা জ্বলে উঠবেন ফরাসি সুপারস্টার এমবাপে তা কে জানতো!

নির্ধারিত সময়ের খেলা ৩-৩ গোলে শেষ হলো। আর্জেন্টিনার জোড়া গোল করলেও মেসি। অন্যটি ডি মারিয়ার। কিন্তু ফ্রান্সের তিনটি গোলই আসলো এমবাপের পা থেকে।

তারপরও ম্যাচ শেষে এমবাপ্পের চোখে-মুখে রাজ্যের হতাশা। নিজে হ্যাটট্রিক করে অনন্য উচ্চতায় উঠলেও দলের লড়াইয়ে যে হেরে গেছেন তারা। ব্যক্তিগত লড়াইয়ে ফাইনালে মেসিকে হারিয়ে দিয়েছেন এমবাপ্পে। এই জয়ে কোন তৃপ্তি নেই এমবাপ্পের। দল জিতলে পেলের পর দ্বিতীয় কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে টানা দুই বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব দেখাতে পারতেন তিনি।

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে হ্যাটট্রিক বিরল ঘটনা। সর্বশেষ এই কীর্তি গড়েছিলেন ইংল্যান্ডের জিওফ হার্স্ট। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে ইংল্যান্ড জিতেছিল ৪-২ গোলে। তিনটি গোল করেছিলেন হার্স্ট।

হার্স্টের পাশে নাম খেলানোর প্রথম সুযোগ এসেছিল ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার মারিও কেম্পেসের সামনে। ফাইনালে আর্জেন্টিনা ৩-১ গোলে হারিয়েছিল নেদারল্যান্ডসকে। জোড়া গোল করেছিলেন কেম্পেস। ১৯৯৮ সালে সুযোগ এসেছিল ফ্রান্সের জিনেদিন জিদানের সামনে। ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৩-০ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল ছিল জিদানের।

জিদান সেদিন না পারলেও ২৪ বছর পর তা পারলেন তার উত্তরসূরী কিলিয়ান এমবাপ্পে। দলের ৩ গোলের তিনটিই করে এমবাপে প্রমাণ করলেও কেন তার নামটি এসেছিল মেসির সঙ্গে লড়াইয়ের তুলনায়। তবে দুর্ভাগ্য তার তিনি অনন্য এই কীর্তি গড়লেও দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com