বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা সংস্কৃতির সব প্রকাশ যেন নির্বিঘ্ন হয়: ছায়ানট সভাপতি নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে। ডিসি ইলিয়াসকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল রাজিহারে ঈদগাহ মাঠ সংস্কার কাজের উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র সুযোগের অপেক্ষায়, সবার সতর্ক থাকা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরের বিরামপুরে বিষ প্রয়োগে ধান নষ্টের অভিযোগ: তিন বছরেও মেলেনি প্রতিকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সাথে বিডব্লিউজেএফ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পালিয়ে আসা বিজিপি সদস্যদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১২৬ বার পঠিত

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), পুলিশ, ইমিগ্রেশনসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের দেশটি নৌবাহিনীর জাহাজে ফিরিয়ে নিতে চায়। এরই মধ্যে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মিয়ানমারের বিদ্রোহী দল আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যে এ পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৩২৯ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০০ সদস্যকে ফেরত পাঠাতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে বিজিবির সহযোগিতায় টেকনাফে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এদিকে বৃহস্প‌তিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন জানিয়েছেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া সীমান্তরক্ষীদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া সেনা সদস্যদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তাদের গভীর সমুদ্র দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

মাসখানেক ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে জান্তা সরকারের বাহিনীর সঙ্গে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির তুমুল সংঘাত চলছে। সীমান্ত লাগোয়া রাখাইন রাজ্যে দুই গ্রুপের সেই সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে এর প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের সীমান্তবাসীর মধ্যেও। ওপার থেকে উড়ে আসা মর্টার শেলে প্রাণ যায় বাংলাদেশি এক নারীসহ দুজনের, গুলিবিদ্ধ হন বেশ কয়েকজন। বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এর মধ্যে গত সোম ও মঙ্গলবার বাংলাদেশের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এবং কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্ত এলাকা থেকে তুমুল গোলা ও গুলিবর্ষণের শব্দে আঁতকে ওঠেন বাসিন্দারা। তারা বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদে চলে যেতে বাধ্য হন। তবে গত বুধবারের পর গতকাল বৃহস্পতিবার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে গুলির শব্দ পাওয়া না গেলেও উখিয়া সীমান্তেও ওপার থেকে থেমে থেমে গুলির শব্দ আসছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ বন্ধ বা যুদ্ধবিরোধীর কোনো তথ্য না থাকায় আতঙ্ক কাটেনি বাংলাদেশের সীমান্তের মানুষদের।

যেভাবে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে মিয়ানমার বাহিনীর সদস্যদের

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্র জানায়, আরাকান আর্মির সঙ্গে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে গত রোববার থেকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি, সেনা, ইমিগ্রেশনসহ অন্য সরকারি কর্মকর্তারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে শুরু করেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম ও মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে তাদের অস্ত্রমুক্ত করে বিজিবি। পালিয়ে আসাদের আহতদের চিকিৎসা ও খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়। সবাইকে এতদিন নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবি হেফাজতে রাখা হলেও গতকাল তাদের মধ্য থেকে বিজিপির ১০০ সদস্যকে টেকনাফে সরিয়ে নেয়া হয়।

এই সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম জানান, প্রশাসনিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে তুমব্রু থেকে ১০০ জনকে টেকনাফের হ্নীলায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ব্যক্তিদের নিজ দেশে ফেরানো সুবিধাজনক করতে ঘুমধুম থেকে টেকনাফের হ্নীলায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকায় এক আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় পালিয়ে আসাদের সমুদ্রপথে ফেরত পাঠানোর কথা হয়েছে। সমুদ্রপথে ফেরত পাঠানো হলে টেকনাফের দিক থেকে সবচেয়ে সুবিধাজনক হবে। এ জন্য ঘুমধুমে আশ্রয় দেওয়া বিজিপি, সেনাবাহিনী, ইমিগ্রেশন, পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার ১০০ সদস্যকে টেকনাফে স্থানান্তর করে হ্নীলার একটি স্কুলে রাখা হয়েছে।

সূত্রগুলো বলছে, মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি রাজ্য বিদ্রোহীরা দখলে নিলেও এখন পর্যন্ত মংডু এলাকাটি জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেয়া ব্যক্তিদের সেখানেই ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার সরকার। টেকনাফ থেকে সমুদ্রপথে মংডুর যাতায়াত সুবিধা হওয়ায় সেখানে নেয়া হতে পারে তাদের।

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি জানান, গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবির গাড়িতে করে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আত্মসমর্পণ করা ব্যক্তিদের মধ্যে ১০০ জনকে টেকনাফ উপজেলার উপকূলবর্তী হ্নিলা ইউনিয়নে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com