শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
লেবানন ও ইসরাইলের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু; লঙ্ঘনের অভিযোগ সেনাবাহিনীর বাণিজ্য সচিবের মৃত্যুতে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের শোক আলোকিত লালমনিরহাটে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান: ট্রাম্প মুন্সীগঞ্জে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও সার বিতরণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব নিঝুম দ্বীপে সাবেক বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রাজধানীতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটক ২: র‌্যাব নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর

‘রাহুলের বাড়িতে আগুন’, সত্যিই যা ঘটেছিল

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৪
  • ১০১ বার পঠিত

বিনোদন প্রতিবেদকঃআগুনে পুড়েছে জলের গানের ভোকাল, যন্ত্রশিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়ি। এ নিয়ে গত ৫ আগস্ট থেকে শুরু হয় নানামাত্রিক আলোচনা, সমালোচনা, নিন্দা। এমনকি ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যমও রাহুলের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে প্রচার শুরু করে।

আজ (১৩ আগস্ট) মঙ্গলবার আবারও নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। সেখানেও ভুক্তভোগী শিল্পী রাহুল আনন্দ। সত্যিই কী ঘটেছিল বাড়িটি ঘিরে?

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, পরিকল্পিতভাবে এ আগুন দেয়া হয়। এক সাক্ষাকারে রাহুল আনন্দ জানান, স্ত্রী- সন্তান নিয়ে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে কোনো মতে বের হয়ে এসেছিলেন তিনি। তবে এখন শোনা যাচ্ছে ভিন্ন কথা।

রাহুল আনন্দের পারিবারিক বন্ধু ফারহানা হামিদ ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে জানান, রাহুল আনন্দের বাসা উদ্দেশ্য করে আগুন দেয়া, লুটপাট বা ভাংচুর করা হয়নি। তিনি লিখেন, ‘আগুন দেয়া হয়েছে ৩২ এর “বর্তমান বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম ও তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ” সেটুকুতে। রাহুলদা একটা একতলা বাসায় ভাড়া থাকতেন। একপাশে তাদের সংসার, অন্য পাশে জলের গানের স্টুডিও (অনেকের ভিডিওতে এই বাসাটা নিয়ে ভুলভাল কথা বলতে দেখেছি আমি)। সেই বাড়িটা ব্যক্তি মালিকানায় ছিলো। ৩২ এর সেখানে আরো অনেক এমন বাসা আছে। রাহুলদা ও তার পরিবারের দুর্ভাগ্য এই মায়াময় বাসাটা নতুন মিউজিয়াম এর দেয়াল ঘেষে এবং সান্তুরের পিছনে ছিলো, তাই তার বাসাতেও আগুন দেয়া হয়।’

তিনি আরও লিখেন, ‘রাহুলদাকে উদ্দেশ্য করে আগুন দিলে তারা এই পরিবারকে এভাবে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতো না। আর সুযোগ না দিলে সেই বাসা থেকে বের হওয়া অসম্ভব। রাহুলদার বাসায় আগুনের সাথে রাহুলদার ধর্ম, বর্ণ, জাত, সংস্কৃতি এর কোন সম্পর্ক নেই। তাই এমন গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ করছি। দেশের এই পরিস্থিতিতে যেকোনো গুজব ভয়াবহ রুপ নিতে পারে। আমরা সচেতন হই।একটা সংসার ,একটা দলের বহুদিনের সাধনা, একজন বাচ্চার শৈশব এর সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। আর কারো কোন কিছু পুড়ে না যাক। ভালোবাসা নেমে আসুক মানুষের মনে , আপনারা তাদের পাশে থাকলে আবার “Joler Gaan” এর সাথে গলা মিলিয়ে গান গাইবো- “এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি সকল দেশের রানী সে যে- আমার জন্মভূমি।’

ফারহানা হামিদের এই লেখাটি আবার জলের গানের ফেসবুক পেজে শেয়ার করা হয়েছে। শেয়ার দিয়ে ক্যাপশনে লিখা হয়েছে, প্লিজ লেখাটা পড়ুন ও সত্য জানুন। আমরাই গড়ব সাম্যের বাংলাদেশ। ভালোবাসি আমার সোনার বাংলা। আগামী সুন্দর হোক।

*** জলের গানের প্রতিটা বাদ্যযন্ত্র দীর্ঘ সময় নিয়ে হাতে বানানো এবং প্রায় সকলের চেনা। কোথাও কেউ কোন কারণে খুঁজে পেলে তা ফেরত দেয়ার অনুরোধ করছি।

(আমি ব্যক্তিগতভাবে কোথাও আগুন দেয়ার পক্ষেই না। বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম এর মতো দেশের একটা গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস এ আগুন দেয়ার পক্ষে তো অবশ্যই না।এই সময়ে সংখ্যালঘু এর উপর আক্রমণ এর বিষয় আমি অবগত এবং এর ঘোর বিপক্ষে। কিন্তু তার মানে এই না-যে বাসা ধর্ম, বর্ণ,জাত, সংস্কৃতি এর কারনে আক্রমণ করা হয় নাই কিন্তু কোন কারনে গুজব ছড়াচ্ছে আর সেই গুজবকে গুজব বলা যাবে না)’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com