এস চাঙমা সত্যজিৎ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে “মাদকবিরোধী অভিযান”-এর আড়ালে ছাত্রনেতা নাঈম উদ্দীনের উপর পুলিশের ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য চরম লজ্জাজনক ও গভীর উদ্বেগজনক। পুলিশের রমনা জোনের ডিসি মাসুদের নেতৃত্বে সংঘটিত এ হামলার ঘটনায় গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট তীব্র ক্ষোভ, ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সংবাদ মাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, গতকাল রাতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতা ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি নাঈম উদ্দীনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও ব্যাগ তল্লাশির নামে হয়রানি করা হয়। তিনি নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও পুলিশ তার ব্যাগ তল্লাশি করে কোনো মাদক বা অবৈধ কিছু না পাওয়ার সত্ত্বেও তাকে নির্মমভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এটি সুস্পষ্টভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের নামে ছাত্রনেতা ও সাধারণ নাগরিকের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ প্রমাণ করে, কিছু পুলিশ কর্মকর্তা আইন রক্ষার বদলে আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট অবিলম্বে এ ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত, রমনা জোনের ডিসি মাসুদকে অপসারনসহ জড়িত পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন– গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি অমল ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি তামজিদ হায়দার চঞ্চল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায়, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান ও বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সভাপতি তাওফিকা প্রিয়া।