ক্রীড়া ডেস্ক : ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির চতুর্থ ও শেষ ধাপ ১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে বলে ঘোষনা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রন সংস্থা ফিফা। তবে কত সংখ্যক টিকিট বিক্রি করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, এই ‘লাস্ট-মিনিট’ বিক্রির ধাপটি পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে খোলা থাকবে। ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে টিকিট বিক্রি করা হবে এবং ধাপে ধাপে টিকিট ছাড়া হবে। এমনকি কখনো কখনো ম্যাচের দিনই টিকিট বিক্রির জন্য ছাড়া হতে পারে।
এটি টিকিট বিক্রির চতুর্থ ও শেষ আনুষ্ঠানিক ধাপ। আগের ধাপগুলোতে ৫০ কোটির বেশি আবেদন থেকে ১০ লাখের বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিফা।
আগামী ১১ জুন মাঠে গড়াবে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ, চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ। আর এই ১৬টি স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার ওপর নির্ভর করে মোট প্রায় ৭০ লাখ টিকিট বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে ফিফা। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ইউরোপীয় কমিশনে ‘অতিরিক্ত টিকিট মূল্য’র অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ নামের একটি সংগঠন।
তাদের দাবি, ফিফা একচেটিয়া ক্ষমতা ব্যবহার করে ইউরোপীয় সমর্থকদের ওপর উচ্চমূল্য, অস্বচ্ছ ও অন্যায্য ক্রয় প্রক্রিয়া চাপিয়ে দিয়েছে।
তবে, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো টিকিটের দামকে সমর্থন করে বলেছেন, ‘অস্বাভাবিক’ চাহিদার কারণেই এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
চাপের মুখে ফিফা ৬০ ডলারের একটি বিশেষ ক্যাটাগরির টিকিট চালু করেছে, যা অফিসিয়াল সাপোর্টার্স ক্লাবগুলোর জন্য সংরক্ষিত। তবে ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপের মতে, সাধারণ বিক্রি শুরুর আগেই এই ক্যাটাগরির টিকিট প্রায় শেষ হয়ে গেছে।
এদিকে ফিফা জানিয়েছে ২ এপ্রিল থেকে টিকিট পুনর্বিক্রয় ও বিনিময়ের জন্য তাদের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম আবার চালু করা হবে। এই প্ল্যাটফর্মটিও সমালোচনার মুখে পড়েছে, কারণ পুনর্বিক্রয় করা টিকিটের দাম অনেক বেশি।
যদিও ফিফা বলছে, এটি একটি ‘ফ্যান-টু-ফ্যান’ মার্কেট ও এখানে বিক্রেতারাই টিকিটের দাম নির্ধারণ করে।
সূত্র : বাসস