নিউজ ডেস্কঃ
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় কুয়েত ফেরত প্রবাসী মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিরাশ মিয়ার দুটি আম বাগানে বিভিন্ন জাতের সুস্বাদ আমের সমারোহ।
এই জেলায় একমাত্র এই দুটি আমের বাগান থাকায় প্রতিদিনই ক্রেতাদের আনোগোনা বাড়ছে। চলতি বছর ১৭০ মন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা হবে।
ভয়েজ অভার ঃ-
১২টি উপজেলা নিয়ে হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের অবস্থান হলে ও একমাত্র এই জেলার বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৩নং ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি গ্রামের মৃত রুহিত মিয়ার ছেলে কুয়েত ফেরত প্রবাসী মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিরাশ দেশে ফিরে এসে নিজের ৪ একর পতিত জমিতে পৃথক দুটি আমের বাগার গড়ে তুলেন।
তিনি ২০১৩ সালে রাজশাহীতে তার এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে রাজশাহীর আম বাগানে গিয়ে হিম সাগর,লকনা,ফজলি,আম রুপালী,আসিনাসহ বেশ কয়েক জাতের আম দেখে তিনি আম চাষের প্রতি ঝৃুঁকে পড়েন। তিনি সেখান থেকে ঐ সমস্ত কলুপ লাগানো আমের চারা এনে তার গ্রাম চিনাকান্দি সীমান্ত বাহিনী(বিজিবি)”র ক্যাম্পের পাশে তার পৈতিক ২ একর ৪০ শতক পতিত জমিতে প্রথমে ২৮০ টি আমের চারা রোপন করেন।
এর কিছুদিন পর গ্রামের পাশে মধ্যনগরে তার নিজের আরেকটি ১ একর ৪০ শতক পতিত জায়গাতে আরো ১২০টি ঐসমস্ত আমের চারা রোপন করেন। বর্তমানে তার দুটি বাগানে প্রায় ৪ একর জমিতে ৪ শতাধিক আমের গাছে ফরমালিনমুক্ত (বিষ) মুক্ত আমের সমারোহ এবং আম পাকতে শুরু করেছে।
প্রতিদিন এই সুস্বাদু আম কিনতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আম ক্রেতাটা ছুটে আসছেন এই আম বাগানগুলোতে। এই দুটি বাগানে ৪ জন শ্রমিক কাজ করছেন। চলতি বছর এই দুটি বাগানে আমের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে কমপক্ষে ১৭০ মন,যার বর্তমান বাজার মূল্যে প্রায় ৪/৫ লাখ টাকা হবে।
বাগান মালিক মিরাশ ইতিমধ্যে প্রায় দুইলাখ টাকার উপরে আম বিক্রি করে ফেলেছেন। সরকার ও বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শ ফেলে আগামীতে আমের উৎপাদন আরো দিগুন করা যাবে বলে বাগান মালিক জানিয়েছেন।
ভস্কপপপ ঃ- শ্রমিক ও আম ক্রেতা ও জনপ্রতিনিধি ৫ জন।
শ্রমিকরা জানান,আমের বাগানে কাজ করে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন।
সিংক ঃ- মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিরাশ,বাগান মালিক,চিনাকান্দি,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা,সুনামগঞ্জ।
সিংক ঃ- মোঃ মিলন মিয়া,চেয়ারম্যান,৩নং ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদ,বিশ্বম্ভরপুর,সুনামগঞ্জ।
চেয়ারম্যান জানান,আমাদের এই জেলায় একমাত্র আম রুপালী থেকে শুরু করে বিভিন্ন জাতের সুস্বাদ দুটি আমের বাগান রয়েছেন আক্তারুজ্জমান মিরাশের। আগামীতে যদি স্থানীয় কৃষি বিভাগ বেশী আম উৎপাদনের সঠিক পরামর্শ পেলে এই বাগান দুটি জেলাবাসীর আমের চাহিদা মিঠানো সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।