শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিজিবির ঈদ উপহার বিতরণ খাগড়াছড়ি জোনের উদ্যোগে পানছড়িতে শতাধিক পরিবারে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কালীগঞ্জে প্রিন্সের পিতার কুলখানি উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উলিপুরে ভিজিএফ স্লিপ বিতরণকে কেন্দ্র করে গণধোলাইয়ের শিকার চেয়ারম্যান রহমত,মাগফিরাত, নাজাতের পবিত্র রমজান মাসে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোঃ সোহেল সরকার, সভাপতি,৭ নং ওয়ার্ড যুবদল হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিদ্যালয় বসন্ত উৎসব জাতীয় সংসদের ‘বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’ গঠন সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সংসদ অধিবেশন মুলতবি যশোরের আবিন হোসেন (২৬) নামে একজনকে অপহরণ করে টাকা মুক্তিপণের দাবি

দুর্নীতিবাজ চক্রের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৫০৬ বার পঠিত
ফাইল ছবি

এনসিটিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বছরে ছয়টি উৎসবভাতা নেন, উপরন্তু নানা ধরনের সম্মানী ভাতা বাবদ তাঁরা চলতি বছর ইতিমধ্যে ২৭ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের একটি অংশ পাঠ্যবই মুদ্রণ-প্রক্রিয়ার সঙ্গে অবৈধভাবে জড়িয়ে পড়েছেন। দরপত্র আহ্বানের আগেই তাঁরা প্রাক্কলিত দর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে জানিয়ে দেন; সেই সব প্রতিষ্ঠান নিজেদের মধ্যে যোগসাজশ করে দরপত্র জমা দেয়। অর্থাৎ তাঁদের সহযোগিতায় একটা সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যাঁরা দরপত্র-প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতার নীতিকে অর্থহীন করে দিয়েছেন। এনসিটিবির কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বেনামে মুদ্রণ-প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান পাঠ্যবই ছাপার কাজ পায়। অবৈধ আর্থিক লেনদেনের ফলে নিম্নমানের কাগজে ছাপা পাঠ্যবই ‘সন্তোষজনক’ ছাড়পত্র পায়; মুদ্রণ-প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাপা বই জমা দিতে ব্যর্থ হলেও এনসিটিবির প্রতিবেদনে বলা হয়, সঠিক সময়ে বই পাওয়া গেছে।

এনসিটিবির এসব অনিয়ম-দুর্নীতি চলছে বছরের পর বছর ধরে; এটা একটা সংঘবদ্ধ ও নিয়মিত ব্যবস্থা, যা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ধারণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা টিআইবির প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রথম আলোকে বলেছেন, এ ব্যাপারে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে করণীয় কী, তা তাঁরা পরে জানাবেন। এটা দায়সারা বক্তব্য; এই মাত্রার অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে করণীয় নির্ধারণের দ্বিধাদ্বন্দ্বের সুযোগ নেই। তাঁর প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে নজরদারি করলে এসব অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়মিত চর্চায় পরিণত হতে পারত না।

পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন-প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক, দলীয় বা ভাবাদর্শগত দিকে যেসব অভিযোগ টিআইবির প্রতিবদনে তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। এ নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা হতে পারে, কিন্তু পাঠ্যবই প্রণয়ন, মুদ্রণ ও বিতরণের প্রক্রিয়ায় আর্থিক দুর্নীতি ফৌজদারি অপরাধ এবং তা চলে আসছে সংঘবদ্ধভাবে, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে। এটা কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না। শুধু এনসিটিবির প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নয়, এই অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিকার করা ও তা চিরতরে বন্ধ করার জন্য ফৌজদারি আইন প্রয়োগ করা উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com