
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি প্রাথমিক হিসাবের চেয়ে কিছুটা বেশি বেড়েছে। বুধবার প্রকাশিত সংশোধিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে জুন সময়ে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ০.৫ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে প্রবৃদ্ধির প্রাথমিক হিসাব ছিল ০.৪ শতাংশ।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
আগামী মাসের বার্ষিক বাজেট ঘোষণার আগে এই তথ্য প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের জন্য কিছুটা স্বস্তির কারণ হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস (ওএনএস) জানিয়েছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি ০.৫ শতাংশ বাড়লেও এটি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রেকর্ড করা ০.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় কম।
ওএনএসের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান বিভাগের পরিচালক লিজ ম্যাককিওন বলেন, সর্বশেষ প্রান্তিকে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ায় যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি আগের হিসাবের তুলনায় কিছুটা বড় হয়েছে।
জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোকে তার লেবার সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন বার্নহাম। তবে আগামী ২৮ অক্টোবরের বাজেট ঘোষণায় কঠিন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
চলতি মাসে মূল্যস্ফীতি বাড়ার পাশাপাশি সরকারি বন্ডের সুদহার কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে বাজেট উপস্থাপন করতে যাওয়া অর্থমন্ত্রী জন হিলি কঠোর আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান কুইল্টার শেভিওটের ফিক্সড-ইনকাম গবেষণার প্রধান রিচার্ড কার্টার বলেন, প্রবৃদ্ধি প্রাথমিক পূর্বাভাসের তুলনায় সামান্য ভালো হলেও পরিস্থিতি এখনো কঠিন।
তার মতে, উচ্চ ঋণ নেওয়ার খরচ, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং শ্রমবাজারের গতি কমে যাওয়ার কারণে পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো চাপের মধ্যে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় প্রান্তিকের পর থেকে জ্বালানি ও ঋণের খরচ সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়ায় অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সম্পাদক : মো: মাসুদ পারভেজ, মোবাইল : 01712-983974, অফিস : রহমান ম্যানসন, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০, ই-মেইল : citizennews786@gmail.com
© All rights reserved 2019-2026 CitizenNews24