ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কুড়িগ্রামের বিজিবি সদস্য নিহত উলিপুরে কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া ও সংগীতানুষ্ঠান সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ কলকাতার আগুনে নিভে গেল ৭ বাংলাদেশির প্রাণ, বেনাপোলে ফিরল ৫ মরদেহ—স্বজনদের আহাজারিতে ভারী সীমান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা বরিশালে বিমানবন্দরে এলাকায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বাসযাত্রী গ্রে/প্তার ‎ ‎আইনে নিষেধ, বাস্তবে জমজমাট: পিরোজপুরে সরকারি শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ আদালতের স্থিতাবস্থা অমান্যের অভিযোগ, ওয়াকফ জমি রক্ষায় দুয়ারীপাড়ায় মানববন্ধন তালায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষ/ণচেষ্টা, যুবক আ/টক মক্কায় ডায়মন্ড প্রবাসী গ্রুপের সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিটি নির্বাচন : শনির কবলে মেয়র সাইদ খোকনের মনোনয়ন

এম.এস. দোহা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাইদ খোকনের দিনকাল ভালো যাচ্ছে না। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন, প্রায়ত মেয়র মোঃ হানিফের উত্তরাধিকার সূত্রে তার রাজনীতিতে অগ্রযাত্রা। রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সাথে হানিফের পারিবারিক সুসম্পর্ক ছিল। সে সুবাদে সাইদ খোকনকে শিশুকাল থেকেই শেখ হাসিনার চেনা-জানা। তাই ভাতিজার প্রতি আদর স্নেহের কমতি ছিল না। কিন্তু মোঃ হানিফের মৃত্যুর পর সাইদ খোকন রাজনৈতিক হিসেব নিকেশে তাল-গোল পাকিয়ে ফেলেন।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারী আলোচনায় শিরোনাম হন সাইদ খোকন। তিনি বঙ্গবন্ধূ ও আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে অস্বীকার করে ওয়ানইলেভেনের কুশীলবদের সাথে হাত মিলান। যোগদেন সুযোগ সন্ধানীদের গড়া কিংস্ পার্টিতে। ফেরদৌস আহমদ কোরেশীর সাথে ফটোসেশনে কথা আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা আজও ভুলতে পারে নি। শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের রাজনীতি নিয়ে অনেক বেফাঁস কথাও বলেছিল তিনি। শেখ হাসিনাকে মাইনাস করতে চেয়েছিলেন নিজেই হিরো হতে। অতপর সকল ষড়যন্ত্র ও বৈরী পরিবেশ মোকাবেলা করে ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিন সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০০৯ সালে নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যা গরিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন অধ্যায় সুচনা হয়। এরপর থেকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি। আওয়ামীলীগের নৌকার বৈঠা কৌশলে বেয়ে চলছেন শেখ হাসিনা। যার ধারাবাহিকতায় তারপর দুটি মেয়াদে তার সরকার ক্ষমতায়। সেই সাথে এক সময়ের তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন ও সমবৃদ্ধির পথে। নতুন এক সম্ভাবনার পথে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে লালসবুজের জাতীয় পতাকাখচিত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ।

২০১৫ সালের কথা। ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে শুরু নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের মধ্যে শুরু হয় স্নায়ুযুদ্ধ। আলোচনায় আসে দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী হিসেবে সাইদ খোকনের নাম। কিন্তু আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে নারাজ। কারন ওয়ান ইলেভেনের সময় ডিগবাজি খাওয়া সাইদ খোকন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান কোন সাহসে? অবশেষে সকল জল্পনার-কল্পনার অবশান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাইদ খোকনকেই মনোনয়ন দেন। কারন আর যাই হোক তিনি প্রয়াত মেয়র হানিফের সন্তান। যিনি একুশে আগষ্টের গ্রেনেড হামলায় মানবঢালের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে নিরাপদ রাখতে জীবনবাজী রাখেন। যা করতে গিয়ে অসংখ্য স্প্রিন্টারবিদ্ধ হয়েছিল মেয়র হানিফের দেহে। মৃত্যুর পৃষ্ঠ পর্যন্ত এসব স্প্রিন্টারের অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ করেন তিনি। এসব বিষয় বিবেচনায় সাইদ খোকনকে ক্ষমা করে দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়। শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা আশা করেছিল সাইদ খোকন তার তারুণ্য ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে নবরূপে সাজাবেন। নগরবাসীর মনে আস্থা ও ভালবাসার বিকাশ ঘটাবে। নগরবাসীকে কাঙ্খিত নাগরিক সুবিধা পৌছে দিয়ে আওয়ামীলীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, বাস্তবে এই চিত্র সম্পূর্ন বিপরীত। মেয়র হানিফের আশে পাশেও নেই সাইদ খোকন। তার ৫ বছরের ক্ষমতার আমলনামা নেতিবাচক। বিশেষ করে ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচী ও তার এ সম্পকিত বক্তব্য ও কর্মকান্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারুণ হতাশ। অকার্যকর মশার ঔষধ ব্যবহার, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঔষধ বেশী দামে সংগ্রহের বিষয়টি বিরোধী দলকে সমালোচনার খোরক করে দেয়। যা সামাল দিতে শেষপর্যন্ত বিদেশে চিকিৎসারত অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে মেয়র খোকনের দুরদর্শিতা ও ব্যর্থতায় হতাশ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। শুধু মশায় নয় দক্ষিণ সিটির রাস্তাঘাটের বাস্তবায়নের বেহাল দশায় নগরবাসী উৎকন্ঠিত। কাউন্সিলরদের নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থতা, জানজট নিরসনে উদাসীনতা, সর্বপরি দক্ষিণ সিটি এলাকার আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক অগ্রযাত্রায় সহায়ক তেমন কোন কর্মসূচী ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন সাইদ খোকন। যা দক্ষিণ সিটির আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী, দলের নীতিনির্ধারক, তথা সভানেত্রী শেখ হাসিনাও অবগত।

তাই এসব প্রেক্ষাপটের বিবেচনায় আসন্ন সিটি নির্বাচনে তার প্রার্থীতা এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। ২০০৭ সালে কিংস পাটিতে যোগাদানের মাধ্যমে রুহুর কবলে পড়েছিলেন সাইদ খোকন। সেই যাত্রায় কোনভাবে বেঁচে গেলেও মেয়র হিসেবে ৫ বছরের কর্মকান্ডে আশানুরুপ সাফল্য প্রর্দশনে ব্যর্থ হওয়ায় আসন্ন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার টিকিট প্রাপ্তির বিষয়টি এখন পুরোপুরি পড়েছে শনির কবলে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কুড়িগ্রামের বিজিবি সদস্য নিহত

সিটি নির্বাচন : শনির কবলে মেয়র সাইদ খোকনের মনোনয়ন

আপডেট টাইম : ০১:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৯

এম.এস. দোহা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাইদ খোকনের দিনকাল ভালো যাচ্ছে না। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন, প্রায়ত মেয়র মোঃ হানিফের উত্তরাধিকার সূত্রে তার রাজনীতিতে অগ্রযাত্রা। রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সাথে হানিফের পারিবারিক সুসম্পর্ক ছিল। সে সুবাদে সাইদ খোকনকে শিশুকাল থেকেই শেখ হাসিনার চেনা-জানা। তাই ভাতিজার প্রতি আদর স্নেহের কমতি ছিল না। কিন্তু মোঃ হানিফের মৃত্যুর পর সাইদ খোকন রাজনৈতিক হিসেব নিকেশে তাল-গোল পাকিয়ে ফেলেন।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারী আলোচনায় শিরোনাম হন সাইদ খোকন। তিনি বঙ্গবন্ধূ ও আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে অস্বীকার করে ওয়ানইলেভেনের কুশীলবদের সাথে হাত মিলান। যোগদেন সুযোগ সন্ধানীদের গড়া কিংস্ পার্টিতে। ফেরদৌস আহমদ কোরেশীর সাথে ফটোসেশনে কথা আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা আজও ভুলতে পারে নি। শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের রাজনীতি নিয়ে অনেক বেফাঁস কথাও বলেছিল তিনি। শেখ হাসিনাকে মাইনাস করতে চেয়েছিলেন নিজেই হিরো হতে। অতপর সকল ষড়যন্ত্র ও বৈরী পরিবেশ মোকাবেলা করে ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিন সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০০৯ সালে নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যা গরিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন অধ্যায় সুচনা হয়। এরপর থেকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি। আওয়ামীলীগের নৌকার বৈঠা কৌশলে বেয়ে চলছেন শেখ হাসিনা। যার ধারাবাহিকতায় তারপর দুটি মেয়াদে তার সরকার ক্ষমতায়। সেই সাথে এক সময়ের তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন ও সমবৃদ্ধির পথে। নতুন এক সম্ভাবনার পথে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে লালসবুজের জাতীয় পতাকাখচিত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ।

২০১৫ সালের কথা। ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে শুরু নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের মধ্যে শুরু হয় স্নায়ুযুদ্ধ। আলোচনায় আসে দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী হিসেবে সাইদ খোকনের নাম। কিন্তু আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে নারাজ। কারন ওয়ান ইলেভেনের সময় ডিগবাজি খাওয়া সাইদ খোকন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান কোন সাহসে? অবশেষে সকল জল্পনার-কল্পনার অবশান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাইদ খোকনকেই মনোনয়ন দেন। কারন আর যাই হোক তিনি প্রয়াত মেয়র হানিফের সন্তান। যিনি একুশে আগষ্টের গ্রেনেড হামলায় মানবঢালের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে নিরাপদ রাখতে জীবনবাজী রাখেন। যা করতে গিয়ে অসংখ্য স্প্রিন্টারবিদ্ধ হয়েছিল মেয়র হানিফের দেহে। মৃত্যুর পৃষ্ঠ পর্যন্ত এসব স্প্রিন্টারের অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ করেন তিনি। এসব বিষয় বিবেচনায় সাইদ খোকনকে ক্ষমা করে দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়। শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা আশা করেছিল সাইদ খোকন তার তারুণ্য ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে নবরূপে সাজাবেন। নগরবাসীর মনে আস্থা ও ভালবাসার বিকাশ ঘটাবে। নগরবাসীকে কাঙ্খিত নাগরিক সুবিধা পৌছে দিয়ে আওয়ামীলীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, বাস্তবে এই চিত্র সম্পূর্ন বিপরীত। মেয়র হানিফের আশে পাশেও নেই সাইদ খোকন। তার ৫ বছরের ক্ষমতার আমলনামা নেতিবাচক। বিশেষ করে ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচী ও তার এ সম্পকিত বক্তব্য ও কর্মকান্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারুণ হতাশ। অকার্যকর মশার ঔষধ ব্যবহার, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঔষধ বেশী দামে সংগ্রহের বিষয়টি বিরোধী দলকে সমালোচনার খোরক করে দেয়। যা সামাল দিতে শেষপর্যন্ত বিদেশে চিকিৎসারত অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে মেয়র খোকনের দুরদর্শিতা ও ব্যর্থতায় হতাশ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। শুধু মশায় নয় দক্ষিণ সিটির রাস্তাঘাটের বাস্তবায়নের বেহাল দশায় নগরবাসী উৎকন্ঠিত। কাউন্সিলরদের নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থতা, জানজট নিরসনে উদাসীনতা, সর্বপরি দক্ষিণ সিটি এলাকার আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক অগ্রযাত্রায় সহায়ক তেমন কোন কর্মসূচী ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন সাইদ খোকন। যা দক্ষিণ সিটির আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী, দলের নীতিনির্ধারক, তথা সভানেত্রী শেখ হাসিনাও অবগত।

তাই এসব প্রেক্ষাপটের বিবেচনায় আসন্ন সিটি নির্বাচনে তার প্রার্থীতা এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। ২০০৭ সালে কিংস পাটিতে যোগাদানের মাধ্যমে রুহুর কবলে পড়েছিলেন সাইদ খোকন। সেই যাত্রায় কোনভাবে বেঁচে গেলেও মেয়র হিসেবে ৫ বছরের কর্মকান্ডে আশানুরুপ সাফল্য প্রর্দশনে ব্যর্থ হওয়ায় আসন্ন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার টিকিট প্রাপ্তির বিষয়টি এখন পুরোপুরি পড়েছে শনির কবলে।


প্রিন্ট