ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ব্রেকআপের ঠিক পরেই যে ৫টি কাজ কখনোই করা উচিত নয় ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন পেতে খেতে পারেন যেসব খাবার বেস্ট ফ্রেন্ড সাফার জন্মদিন, শুভেচ্ছায় যা বললেন তৌসিফ মাভাবিপ্রবিতে ১৫ দিনব্যাপী তিন হাজারের বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণে বিনিয়োগে আগ্রহী মারস্ক টপ এন্ড সিরিজে বাংলাদেশ এইচপির সেমিফাইনাল প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত শোকে স্তব্ধ নরওয়ে, অষ্টম হাকনের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অত্যন্ত সময়োপযোগী প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা : জিএম কাদের

 
নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের কারণে প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে একে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি।

তবে সরকারের এই প্রণোদনা যাতে অপব্যবহার না হয়, জনকল্যাণে ও ব্যবসায়ীদের কাজে লাগে সেদিকে কড়া নজরদারির কথাও বলেন তিনি।

রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর উত্তরা বাসা থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় জিএম কাদের এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী যে মন্দার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, কিছুটা হলেও এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। সেই প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ আজকে ঘোষণা করেছেন, আমরা এটাকে অত্যন্ত সময়োপযোগী মনে করি। কারণ বিভিন্ন সেক্টরে বা বিভিন্নভাবে মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য অসুবিধায় পড়ছে।’

অল্প সুদে ঋণ হিসেবে এটি দিয়েছেন উনি, এ কারণে আমি মনে করি এটা খুব ভাল হয়েছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো যাতে ঋণসুবিধা দেয় তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে যোগ করেন তিনি।

ঋণ বিতরণে, জনকল্যাণমূলক কাজ বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার জানিয়ে বিরোধী উপনেতা বলেন, ‘সমস্যা হলো আমাদের দেশে যে কোনো জনকল্যাণমূলক কাজ বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দেয়। কারণ তার সুস্পষ্ট নীতিমালা এখনো নেই, তৈরি করাও হয়নি। দ্রুত সময়ে এর একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা করা উচিত। তারপরও যেটা দেখা যায় এটা যখন বাস্তবায়নের প্রশ্ন আসে, ঋণ সুবিধা ব্যবহারের কথা আসবে তখন নানা ধরণের জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ব্যাংগুলোতেও সুশাসনের অভাব লক্ষ্য করে থাকি। যখন যার যেটা পাওয়ার দরকার সেটা সে না পেয়ে আরেকজন পেয়ে যাচ্ছেন। যেভাবে পাওয়া দরকার সেভাবে পাচ্ছেন না। যে সময় দরকার ওই সময়ে পাওয়া যাচেছ না।’

আমরা বিশ্বাস করি যে, এবার অন্তত এ বিষয়ে সুদৃষ্টি দেওয়া হবে, যথাযথভাবে এটাকে বিলি বন্টন করা হবে। যাতে কাজে লাগে-যোগ করেন জাপা চেয়ারম্যান।

জিএম কাদের বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেষে যে কথাটি বলেছেন, সুযোগ সুবিধা দিলাম কিন্তু যেন এটার অপব্যবহার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সুরে অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে আমরাও একমত হয়ে বলতে চাই, ‘সবকিছুই যেনো মনিটরিং করা হয়। এই সুযোগ সুবিধা যেনো কাজে লাগে, সেভাবে যেনো বিতরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী যে কারণে দিচ্ছেন সেটা যেন সঠিকভাবে কার্যকর হয়, জনগণের কাজে আসে, ব্যবসায়ীরা যাতে স্বস্তি পান সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখা উচিত।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি

অত্যন্ত সময়োপযোগী প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা : জিএম কাদের

আপডেট টাইম : ০৮:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০

 
নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের কারণে প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে একে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি।

তবে সরকারের এই প্রণোদনা যাতে অপব্যবহার না হয়, জনকল্যাণে ও ব্যবসায়ীদের কাজে লাগে সেদিকে কড়া নজরদারির কথাও বলেন তিনি।

রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর উত্তরা বাসা থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় জিএম কাদের এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী যে মন্দার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, কিছুটা হলেও এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। সেই প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ আজকে ঘোষণা করেছেন, আমরা এটাকে অত্যন্ত সময়োপযোগী মনে করি। কারণ বিভিন্ন সেক্টরে বা বিভিন্নভাবে মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য অসুবিধায় পড়ছে।’

অল্প সুদে ঋণ হিসেবে এটি দিয়েছেন উনি, এ কারণে আমি মনে করি এটা খুব ভাল হয়েছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো যাতে ঋণসুবিধা দেয় তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে যোগ করেন তিনি।

ঋণ বিতরণে, জনকল্যাণমূলক কাজ বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার জানিয়ে বিরোধী উপনেতা বলেন, ‘সমস্যা হলো আমাদের দেশে যে কোনো জনকল্যাণমূলক কাজ বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দেয়। কারণ তার সুস্পষ্ট নীতিমালা এখনো নেই, তৈরি করাও হয়নি। দ্রুত সময়ে এর একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা করা উচিত। তারপরও যেটা দেখা যায় এটা যখন বাস্তবায়নের প্রশ্ন আসে, ঋণ সুবিধা ব্যবহারের কথা আসবে তখন নানা ধরণের জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ব্যাংগুলোতেও সুশাসনের অভাব লক্ষ্য করে থাকি। যখন যার যেটা পাওয়ার দরকার সেটা সে না পেয়ে আরেকজন পেয়ে যাচ্ছেন। যেভাবে পাওয়া দরকার সেভাবে পাচ্ছেন না। যে সময় দরকার ওই সময়ে পাওয়া যাচেছ না।’

আমরা বিশ্বাস করি যে, এবার অন্তত এ বিষয়ে সুদৃষ্টি দেওয়া হবে, যথাযথভাবে এটাকে বিলি বন্টন করা হবে। যাতে কাজে লাগে-যোগ করেন জাপা চেয়ারম্যান।

জিএম কাদের বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেষে যে কথাটি বলেছেন, সুযোগ সুবিধা দিলাম কিন্তু যেন এটার অপব্যবহার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সুরে অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে আমরাও একমত হয়ে বলতে চাই, ‘সবকিছুই যেনো মনিটরিং করা হয়। এই সুযোগ সুবিধা যেনো কাজে লাগে, সেভাবে যেনো বিতরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী যে কারণে দিচ্ছেন সেটা যেন সঠিকভাবে কার্যকর হয়, জনগণের কাজে আসে, ব্যবসায়ীরা যাতে স্বস্তি পান সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখা উচিত।


প্রিন্ট