ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বুলেট ট্রেনের সমীক্ষা হবে

বিশেষ প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে দ্রুতগামী বুলেট ট্রেন পরিচালনা করা যায় কি-না এ বিষয়ে একটা সমীক্ষা করা হবে। সরকার রেলওয়েকে একটি সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সে লক্ষ্যে এ খাতের উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’

শুক্রবার বিকেলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। বাজেটের লিখিত বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেল ৩টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিবার বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বক্তব্য দিলেও এবারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল মান্নান, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেলওয়ের সার্বিক উন্নয়নে সরকার ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৬-৪৫ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরব্যাপী মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। এ সময়ে ২৩০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ১১২০টি নতুন যাত্রীবাহী রেলকোচ এবং ১১১০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ ডাবল রেল ট্র্যাক নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫২ কিলোমিটার নতুন রেল ট্র্যাক নির্মাণের পাশাপাশি ১০০টি রেল ইঞ্জিন কেনা হবে। ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দ্রুতগামী বুলেট ট্রেন পরিচালনা করা যায় কি-না, এ বিষয়ে একটা সমীক্ষা করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রেলপথে তিনটা মেজর ব্রিজ ও তিনটি রেলওয়ে ওয়ার্কশপ নির্মাণ করা হবে। রেলের সিগন্যালিং ব্যবস্থা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ই-টিকিটিং চালুর ফলে যাত্রীদের রেলভ্রমণ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি মোবাইল অ্যাপস প্রবর্তনের ফলে বর্তমানে অতি সহজেই যাত্রীরা রেলের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন।’
এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়। এটি দেশের ৪৮তম এবং বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয় ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি।

গতকাল বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম বাজেট।

দাঁড়িয়ে বাজেট বক্তৃতা শুরু করলেও পরে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী নিজ আসনে বসে বাজেট উপস্থাপন করেন। কিন্তু বিকেল ৪টার পর অসুস্থ অর্থমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন সম্ভব না হওয়ায় স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বাকি অংশ সংসদে উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বুলেট ট্রেনের সমীক্ষা হবে

আপডেট টাইম : ১১:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে দ্রুতগামী বুলেট ট্রেন পরিচালনা করা যায় কি-না এ বিষয়ে একটা সমীক্ষা করা হবে। সরকার রেলওয়েকে একটি সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সে লক্ষ্যে এ খাতের উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’

শুক্রবার বিকেলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। বাজেটের লিখিত বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেল ৩টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিবার বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বক্তব্য দিলেও এবারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল মান্নান, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেলওয়ের সার্বিক উন্নয়নে সরকার ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৬-৪৫ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরব্যাপী মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। এ সময়ে ২৩০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ১১২০টি নতুন যাত্রীবাহী রেলকোচ এবং ১১১০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ ডাবল রেল ট্র্যাক নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫২ কিলোমিটার নতুন রেল ট্র্যাক নির্মাণের পাশাপাশি ১০০টি রেল ইঞ্জিন কেনা হবে। ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দ্রুতগামী বুলেট ট্রেন পরিচালনা করা যায় কি-না, এ বিষয়ে একটা সমীক্ষা করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রেলপথে তিনটা মেজর ব্রিজ ও তিনটি রেলওয়ে ওয়ার্কশপ নির্মাণ করা হবে। রেলের সিগন্যালিং ব্যবস্থা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ই-টিকিটিং চালুর ফলে যাত্রীদের রেলভ্রমণ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি মোবাইল অ্যাপস প্রবর্তনের ফলে বর্তমানে অতি সহজেই যাত্রীরা রেলের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন।’
এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়। এটি দেশের ৪৮তম এবং বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয় ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি।

গতকাল বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম বাজেট।

দাঁড়িয়ে বাজেট বক্তৃতা শুরু করলেও পরে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী নিজ আসনে বসে বাজেট উপস্থাপন করেন। কিন্তু বিকেল ৪টার পর অসুস্থ অর্থমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন সম্ভব না হওয়ায় স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বাকি অংশ সংসদে উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


প্রিন্ট