ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

বরফাচ্ছন্ন ভূখ-গ্রিনল্যান্ডে এক দিনে গলেছে ২ বিলিয়ন টন বরফ!

 

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: বরফাচ্ছন্ন ভূখ- গ্রিনল্যান্ড এক দিনে ২ বিলিয়ন টনেরও বেশি বরফ হারিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার অস্বাভাবিকভাবে এই পরিমাণ হিমবাহ গলে যায়। সিএনএনের খবরে বলা হয়, সমগ্র গ্রিনল্যান্ডের ৪০ শতাংশ এলাকাজুড়ে এই বরফ হ্রাসের ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুনের মাঝামাঝি সময়ে এভাবে এত পরিমাণ বরফ গলে যাবে তা অপ্রত্যাশিত ছিল। জুন থেকে অগাস্টে গ্রিনল্যান্ডে বরফ গলার সময় থাকলেও মূলত বরফ গলন হয় জুলাই থেকে। এবার অসময়েই ওয়াশিংটন মনুমেন্টের চেয়ে আটগুণ বেশি বরফ গলে গেল।

এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়ার গ্রিনল্যান্ড ক্লাইমেট বিশেষজ্ঞ থমাস মোটে বলেন, এটা অস্বাভাবিক তবে অপ্রত্যাশিত নয়। ২০১২ সালের জুন মাসেও রেকর্ড পরিমাণ বরফ গলেছে গ্রিনল্যান্ডে। তবে এটাও এবার খারাপ ইঙ্গিত। ২০১৯ সালে বরফ গলার রেকর্ড হতে পারে গ্রিনল্যান্ডে। নির্ধারিত সময়ের তিন সপ্তাহ আগেই বরফ গলা শুরু হয়েছে।

এর আগে জেসন বক্স নামের এক আবহাওয়াবিদ বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি বরফ গলবে। ২০০৭, ২০১০ ও ২০১২ সালে ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বরফ গলার ঘটনা ঘটেছিল। ২০১২ সালে গ্রিনল্যান্ডে চার শ বিলিয়ন টনের বেশি বরফ গলেছে। এভাবে বরফ গলার ঘটনা যদি নিয়মিত ঘটে তাহলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা দ্রুতই বাড়বে, যা হুমকির।

এ বছরের ২১ জানুয়ারি দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস-এর প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ আচ্ছাদিত গ্রিনল্যান্ডের পরিবর্তন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে প্রকট। ২০০৩ সাল থেকে বর্তমান সময়ে পূর্বের ধারণার চেয়ে চার গুণ হারে বরফ গলছে। দক্ষিণ-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে এই হার সবচেয়ে বেশি।

এ ছাড়া, গত বছরের ডিসেম্বরে ‘সায়েন্টিফিক জার্নাল নেচার’ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত কয়েক দশকে গ্রিনল্যান্ডে বরফ গলার হার শিল্পযুগ পূর্বের সময়েরে চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি। ৮০ ভাগ বরফের দেশটির সব বরফ গেলে গেলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৭ মিটার বাড়বে। তলিয়ে যাবে বিশ্বের অনেক নি¤œাঞ্চল। বাস্তুহারা হবে লাখ লাখ লোক।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

বরফাচ্ছন্ন ভূখ-গ্রিনল্যান্ডে এক দিনে গলেছে ২ বিলিয়ন টন বরফ!

আপডেট টাইম : ১০:৩৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০১৯

 

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: বরফাচ্ছন্ন ভূখ- গ্রিনল্যান্ড এক দিনে ২ বিলিয়ন টনেরও বেশি বরফ হারিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার অস্বাভাবিকভাবে এই পরিমাণ হিমবাহ গলে যায়। সিএনএনের খবরে বলা হয়, সমগ্র গ্রিনল্যান্ডের ৪০ শতাংশ এলাকাজুড়ে এই বরফ হ্রাসের ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুনের মাঝামাঝি সময়ে এভাবে এত পরিমাণ বরফ গলে যাবে তা অপ্রত্যাশিত ছিল। জুন থেকে অগাস্টে গ্রিনল্যান্ডে বরফ গলার সময় থাকলেও মূলত বরফ গলন হয় জুলাই থেকে। এবার অসময়েই ওয়াশিংটন মনুমেন্টের চেয়ে আটগুণ বেশি বরফ গলে গেল।

এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়ার গ্রিনল্যান্ড ক্লাইমেট বিশেষজ্ঞ থমাস মোটে বলেন, এটা অস্বাভাবিক তবে অপ্রত্যাশিত নয়। ২০১২ সালের জুন মাসেও রেকর্ড পরিমাণ বরফ গলেছে গ্রিনল্যান্ডে। তবে এটাও এবার খারাপ ইঙ্গিত। ২০১৯ সালে বরফ গলার রেকর্ড হতে পারে গ্রিনল্যান্ডে। নির্ধারিত সময়ের তিন সপ্তাহ আগেই বরফ গলা শুরু হয়েছে।

এর আগে জেসন বক্স নামের এক আবহাওয়াবিদ বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি বরফ গলবে। ২০০৭, ২০১০ ও ২০১২ সালে ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বরফ গলার ঘটনা ঘটেছিল। ২০১২ সালে গ্রিনল্যান্ডে চার শ বিলিয়ন টনের বেশি বরফ গলেছে। এভাবে বরফ গলার ঘটনা যদি নিয়মিত ঘটে তাহলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা দ্রুতই বাড়বে, যা হুমকির।

এ বছরের ২১ জানুয়ারি দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস-এর প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ আচ্ছাদিত গ্রিনল্যান্ডের পরিবর্তন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে প্রকট। ২০০৩ সাল থেকে বর্তমান সময়ে পূর্বের ধারণার চেয়ে চার গুণ হারে বরফ গলছে। দক্ষিণ-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে এই হার সবচেয়ে বেশি।

এ ছাড়া, গত বছরের ডিসেম্বরে ‘সায়েন্টিফিক জার্নাল নেচার’ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত কয়েক দশকে গ্রিনল্যান্ডে বরফ গলার হার শিল্পযুগ পূর্বের সময়েরে চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি। ৮০ ভাগ বরফের দেশটির সব বরফ গেলে গেলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৭ মিটার বাড়বে। তলিয়ে যাবে বিশ্বের অনেক নি¤œাঞ্চল। বাস্তুহারা হবে লাখ লাখ লোক।


প্রিন্ট