ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোট গ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে-ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদকে বঙ্গভবনে বিদায়ী সংবর্ধনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রত্যাশা সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি;

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৫৫টি চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. এনামুল হক অন্তর (২৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এনামুল হক অন্তরের বসতবাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে লুকানো অবস্থায় ৫৫টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

আটক এনামুল হক অন্তর (২৬) উপজেলার উত্তর তিলাইয়ের বিএসসি পাড়া এলাকার মো. ময়েন আলীর ছেলে।

গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে উদ্ধার হওয়া মোবাইলগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্যবহৃত মোবাইল রয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর অবৈধ সিজার মূল্য আনুমানিক ১৩ লাখ টাকা।

পুলিশ জানায়, তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ভারতীয় চোরাই মোবাইল বিক্রি হয়ে আসছিল। রংপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ব্যবসায়ীরা এসে এসব মোবাইল কিনে নিয়ে যেতেন। সীমান্তবর্তী ভারতের বিভিন্ন স্থানে চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল একটি ভারতীয়-বাংলাদেশি চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ছিল।

এভাবে অবৈধ ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন আইএমইআই (IMEI) যুক্ত চোরাই মোবাইল দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ছিল। এসব মোবাইল ব্যবহার করে অপরাধী চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের অপরাধ করে আসছিল বলেও পুলিশ জানায়।

অভিযানে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই সাইফুল ইসলাম, আল-আমিন ও আসাদুজ্জামানের সমন্বয়ে পুলিশের একটি আভিযানিক দল অংশ নেয়। পাশাপাশি কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির অধীন ধলডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার সুবাদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আসাদমোড় দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল চোরাকারবারিদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। বিজিবির সহায়তায় সুপরিকল্পিতভাবে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে এসব মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

আপডেট টাইম : ১১:৫৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি;

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৫৫টি চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. এনামুল হক অন্তর (২৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এনামুল হক অন্তরের বসতবাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে লুকানো অবস্থায় ৫৫টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

আটক এনামুল হক অন্তর (২৬) উপজেলার উত্তর তিলাইয়ের বিএসসি পাড়া এলাকার মো. ময়েন আলীর ছেলে।

গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে উদ্ধার হওয়া মোবাইলগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্যবহৃত মোবাইল রয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর অবৈধ সিজার মূল্য আনুমানিক ১৩ লাখ টাকা।

পুলিশ জানায়, তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ভারতীয় চোরাই মোবাইল বিক্রি হয়ে আসছিল। রংপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ব্যবসায়ীরা এসে এসব মোবাইল কিনে নিয়ে যেতেন। সীমান্তবর্তী ভারতের বিভিন্ন স্থানে চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল একটি ভারতীয়-বাংলাদেশি চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ছিল।

এভাবে অবৈধ ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন আইএমইআই (IMEI) যুক্ত চোরাই মোবাইল দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ছিল। এসব মোবাইল ব্যবহার করে অপরাধী চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের অপরাধ করে আসছিল বলেও পুলিশ জানায়।

অভিযানে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই সাইফুল ইসলাম, আল-আমিন ও আসাদুজ্জামানের সমন্বয়ে পুলিশের একটি আভিযানিক দল অংশ নেয়। পাশাপাশি কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির অধীন ধলডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার সুবাদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আসাদমোড় দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল চোরাকারবারিদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। বিজিবির সহায়তায় সুপরিকল্পিতভাবে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে এসব মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


প্রিন্ট