ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে সরকারি কর্মচারীদের

অনলাইন ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারি কর্মচারীদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মচারীদের সর্বোচ্চ ত্যাগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। এই সেবা উৎপাদন ও বিতরণে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষমতার ওপরই পাবলিক সার্ভিসের দক্ষতা ও কার্যকারিতা নির্ভরশীল।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১২৩ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। সকল পর্যায়ের সরকারি কর্মচারীদের পেশাদারিত্বের উৎকর্ষ লাভের লক্ষ্যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, হংকং বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের উন্নত দেশসমূহের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের সর্বসাধারণের সেবায় নিজেদের আত্মনিয়োগ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি সেবা অল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়াসহ দেশের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে সরকারি প্রশাসন অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনবান্ধব ও সেবামুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলার জন্য আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সরকারি কাজে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে কার্যকর ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই করার লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে উন্নীত করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্বধীনতার ১০০ বছর পূর্তিতে ২০৭১-এ দেশকে সমৃদ্ধির সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সে লক্ষ্য অর্জনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। তারা জনগণের খাদেম, সেবক, ভাই। তারা জনগণের বাপ, জনগণের ছেলে, জনগণের সন্তান। তাদের এই মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।’

বাণীতে তিনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং এ উপলক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সকল কর্মচারীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ‘আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস ২০১৯’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে সরকারি কর্মচারীদের

আপডেট টাইম : ১১:৫৫:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারি কর্মচারীদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মচারীদের সর্বোচ্চ ত্যাগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। এই সেবা উৎপাদন ও বিতরণে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষমতার ওপরই পাবলিক সার্ভিসের দক্ষতা ও কার্যকারিতা নির্ভরশীল।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১২৩ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। সকল পর্যায়ের সরকারি কর্মচারীদের পেশাদারিত্বের উৎকর্ষ লাভের লক্ষ্যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, হংকং বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের উন্নত দেশসমূহের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের সর্বসাধারণের সেবায় নিজেদের আত্মনিয়োগ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি সেবা অল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়াসহ দেশের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে সরকারি প্রশাসন অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনবান্ধব ও সেবামুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলার জন্য আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সরকারি কাজে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে কার্যকর ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই করার লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে উন্নীত করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্বধীনতার ১০০ বছর পূর্তিতে ২০৭১-এ দেশকে সমৃদ্ধির সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সে লক্ষ্য অর্জনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। তারা জনগণের খাদেম, সেবক, ভাই। তারা জনগণের বাপ, জনগণের ছেলে, জনগণের সন্তান। তাদের এই মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।’

বাণীতে তিনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং এ উপলক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সকল কর্মচারীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ‘আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস ২০১৯’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।


প্রিন্ট