ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

নাগরিক তথ্য ও গোপনীয়তার সুরক্ষায় সংসদে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ:‘বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে। সহিংসতা উসকে দেয় এমন ডিজিটাল মিথ্যা প্রচারণা ঠেকাতে এবং নাগরিক তথ্য ও গোপনীয়তার সুরক্ষায় গত বছর সংসদে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট পাস হয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে এ ধরনের আইন চালু আছে।’

মঙ্গলবার মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন টাইমসে লেখা এক নিবন্ধে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

এতে তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু পশ্চিমা গণমাধ্যম ও বেসরকারি সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ এই আইনকে ভুলভাবে তুলে ধরেছে এবং এটিকে ব্যবহার করে সরকার সাংবাদিকদের অধিকার ও বাক-স্বাধীনতা দমন করছে বলে অভিযোগ করেছে।

‘এটা সত্য নয়। বাংলাদেশে অনেক মুক্ত গণমাধ্যম আছে। দেশে ৯টি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র ও তিন শতাধিক স্থানীয় সংবাদপত্র রয়েছে; যারা বিভিন্ন ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরছে, অনেক দৈনিক সরকারের তীব্র সমালোচনাও করছে।’

সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী সংবাদ পরিবেশন করে, কিন্তু এর বিপরীতে প্রায় ৩০টি বেসরকারি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক রয়েছে, তারা যেভাবে দেখে সেভাবেই সংবাদ পরিবেশন করে। প্রতিনিয়ত তারা সরকার, রাজনীতিবিদ ও সরকারের নীতিমালার সমালোচনা করছে। একই ধরনের বৈচিত্র্যতা দেখা যায়, দেশের আরো ২২০টির বেশি অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও।

এসব গণমাধ্যমকে দমনের পরিবর্তে সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে; যাতে সংখ্যালঘুদেরও কণ্ঠ শোনা যায় এবং সাইবার অপরাধীদের হাত থেকে সব বাংলাদেশির সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। তবে ডিজিটাল মিডিয়া ও এ সম্পর্কিত প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত থাকায় এই আইনেরও পরিমার্জন হবে। অন্যান্য নতুন আইনের মতোও ডিজিটাল সিকিউরিট অ্যাক্টও নিখুঁত নয়।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, স্বাধীনতারও চ্যালেঞ্জ রয়েছে; গণতন্ত্র জটিল বিষয়। বাংলাদেশে স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র দুটিই রয়েছে। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই দুটি বিষয়ের সুরক্ষাও ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের উদ্দেশ্য। এ দুটি বিষয়ের সংমিশ্রণ সরল কিংবা ভারসাম্য তৈরি করা সহজ নয়।

এই আইনের সর্বোত্তম প্রয়োগের জন্য কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এতে ক্রমবর্ধমান কিছু সমস্যাও আছে। অনেক সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে, এই আইনের আওতায় বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু এই আইনে আদালতে কেউ দোষী সাব্যস্ত না হওয়ার পর প্রতিবাদকারীরা অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের খসড়া অনুযায়ী এই আইনের ব্যাপারে সংসদে, গণমাধ্যমে ও আইনি সংস্থাগুলোর মাঝে বিতর্ক হয়েছে। সাংবাদিক, সম্পাদক এমনকি এডিটরস গিল্ডও এই আইন নিয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে; যা চূড়ান্ত আইন তৈরিতে সহায়তা করেছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

নাগরিক তথ্য ও গোপনীয়তার সুরক্ষায় সংসদে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট

আপডেট টাইম : ০১:৫৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ:‘বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে। সহিংসতা উসকে দেয় এমন ডিজিটাল মিথ্যা প্রচারণা ঠেকাতে এবং নাগরিক তথ্য ও গোপনীয়তার সুরক্ষায় গত বছর সংসদে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট পাস হয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে এ ধরনের আইন চালু আছে।’

মঙ্গলবার মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন টাইমসে লেখা এক নিবন্ধে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

এতে তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু পশ্চিমা গণমাধ্যম ও বেসরকারি সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ এই আইনকে ভুলভাবে তুলে ধরেছে এবং এটিকে ব্যবহার করে সরকার সাংবাদিকদের অধিকার ও বাক-স্বাধীনতা দমন করছে বলে অভিযোগ করেছে।

‘এটা সত্য নয়। বাংলাদেশে অনেক মুক্ত গণমাধ্যম আছে। দেশে ৯টি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র ও তিন শতাধিক স্থানীয় সংবাদপত্র রয়েছে; যারা বিভিন্ন ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরছে, অনেক দৈনিক সরকারের তীব্র সমালোচনাও করছে।’

সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী সংবাদ পরিবেশন করে, কিন্তু এর বিপরীতে প্রায় ৩০টি বেসরকারি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক রয়েছে, তারা যেভাবে দেখে সেভাবেই সংবাদ পরিবেশন করে। প্রতিনিয়ত তারা সরকার, রাজনীতিবিদ ও সরকারের নীতিমালার সমালোচনা করছে। একই ধরনের বৈচিত্র্যতা দেখা যায়, দেশের আরো ২২০টির বেশি অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও।

এসব গণমাধ্যমকে দমনের পরিবর্তে সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে; যাতে সংখ্যালঘুদেরও কণ্ঠ শোনা যায় এবং সাইবার অপরাধীদের হাত থেকে সব বাংলাদেশির সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। তবে ডিজিটাল মিডিয়া ও এ সম্পর্কিত প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত থাকায় এই আইনেরও পরিমার্জন হবে। অন্যান্য নতুন আইনের মতোও ডিজিটাল সিকিউরিট অ্যাক্টও নিখুঁত নয়।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, স্বাধীনতারও চ্যালেঞ্জ রয়েছে; গণতন্ত্র জটিল বিষয়। বাংলাদেশে স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র দুটিই রয়েছে। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই দুটি বিষয়ের সুরক্ষাও ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের উদ্দেশ্য। এ দুটি বিষয়ের সংমিশ্রণ সরল কিংবা ভারসাম্য তৈরি করা সহজ নয়।

এই আইনের সর্বোত্তম প্রয়োগের জন্য কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এতে ক্রমবর্ধমান কিছু সমস্যাও আছে। অনেক সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে, এই আইনের আওতায় বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু এই আইনে আদালতে কেউ দোষী সাব্যস্ত না হওয়ার পর প্রতিবাদকারীরা অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের খসড়া অনুযায়ী এই আইনের ব্যাপারে সংসদে, গণমাধ্যমে ও আইনি সংস্থাগুলোর মাঝে বিতর্ক হয়েছে। সাংবাদিক, সম্পাদক এমনকি এডিটরস গিল্ডও এই আইন নিয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে; যা চূড়ান্ত আইন তৈরিতে সহায়তা করেছে।


প্রিন্ট