রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে- তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ঝামেলা কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১২ তদন্ত কমিটি গঠন: তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী জ্যেষ্ঠ তিন সাংবাদিককে ফোন করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সেবায় কাজ করতে চান আমিনুল ইসলাম সুমন পবিত্র ঈদুল ফিতর উৎসবে বিভিন্ন মসজিদে উপস্থিত সায়ন্তিকা ব্যানার্জি ও ববি হাকিম ঈদের দিন মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী আমরা চাই, প্রত্যেকে যেন সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারে : অর্থমন্ত্রী এক মাসেই সরকারের কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে দৃশ্যমান: পানিসম্পদ মন্ত্রী মাধবপুরে খাল কাটা কর্মসূচি উদ্বোধন করেন আনোয়ার হোসেন বেলাল

শেখ হাসিনা ও মোদি যৌথভাবে উদ্বোধন করলেন আখাউড়া-আগরতলা আন্তসীমান্ত রেল সংযোগ

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৪৬ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে ১২ দশমিক ২৪ কিলোমিটার আখাউড়া-আগরতলা আন্তসীমান্ত রেল সংযোগের উদ্বোধন করেছেন। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সংযোগ বাড়াবে।

বুধবার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ও নয়াদিল্লি থেকে যৌথভাবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বোতাম টিপে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এ রেল সংযোগের উদ্বোধন করেন।

একই অনুষ্ঠানে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে ভারতের সহায়তার আরো ‍দুটি উন্নয়ন প্রকল্প খুলনা-মংলা বন্দর রেললাইন এবং মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটও উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা।

১২.২৪ কিলোমিটার আখাউড়া-আগরতলা ক্রস-বর্ডার রেল সংযোগ প্রকল্পটি বাংলাদেশে ৬.৭৮ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেললাইন এবং ৫.৪৬ কিলোমিটার ত্রিপুরায় ৩৯২.৫২ কোটি টাকা ভারতের অনুদান সহায়তায় বাস্তবায়িত হয়েছে।

এই রুটে সোমবার ট্রায়াল রান হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশের গঙ্গাসাগর থেকে আগরতলার নিশ্চিন্তপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত একটি পণ্যবাহী ট্রেন চলে। অন্যদিকে যাত্রীবাহী ট্রেনের ট্রায়াল রান শিগশিরই অনুষ্ঠিত হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

খুলনা-মংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্পটি ভারতের রেয়াতি লাইন অব ক্রেডিট দিয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে, যার মোট প্রকল্প ব্যয় ৩৮৮.৯২ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় এলওসি থেকে ৬৯.১৮ শতাংশ অর্থায়ন)।

প্রায় ৬৪.৭ কিলোমিটার রেললাইনের নির্মাণ কাজ ৪,২৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হয়েছে, যা মোংলা বন্দরসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সুযোগের সূচনা করবে।

রেল সংযোগ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর মংলা ব্রডগেজ রেলওয়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে। মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট ভারতীয় কনসেশনাল ফিনান্সিং স্কিম লোনের অধীনে নির্মাণ হচ্ছে।

বিআইএফপিসিএল সূত্র জানায়, নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড নামে বাংলাদেশ এবং ভারতের যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নির্মাণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের এনটিপিসিলি যৌথভাবে এ কোম্পানি গঠন করেছে। দুই দেশের দুই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এই কোম্পানির সমান অংশীদার।

বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে উভয়ের মধ্যে ২০১২ সালের ৩০ আগস্ট বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের এনটিপিসি লি. এর মধ্যে চুক্তি হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২শ’ কোটি ডলার। এ কোম্পানির অধীনে ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) নামে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু হয়।

প্ল্যানটি বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে। মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের ১ম ইউনিট ও ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীরা যৌথভাবে উদ্বোধন করেন এবং আজ ইউনিট-২ উদ্বোধন করা হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com