ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

আমরা ফখরুলদের ফাঁদে পা দেবো না: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মিয়ানমার ইস্যুতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা এখনো কোনো আক্রমণ দেখিনি।

মিয়ানমার ইস্যুতে সরকার নতজানু নীতি অবলম্বন করছে- বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিরোধী দলের নেতাদের এমন অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বুধবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতরে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সেন্ট মার্টিনে যে গুলিটা আসছে এটা মিয়ানমার সরকারের নয়। এটা আরাকানের যে রেবেলরা আছে তাদের। সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হচ্ছে, সেটা তারা সরিয়ে নিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় আছি। ২৫ আগস্ট যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো আসছিল, তখনও অনেকে চেয়েছিল তারা কখনও কখনও আকাশ সীমা অতিক্রম করেছিল। তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে। আমি একমাস ধরে কক্সবাজারে ছিলাম। তখন প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি বাহিনীর প্রধানকে ফোন করে বলতেন, কোনও অবস্থাতেই আমরা যেন যুদ্ধে লিপ্ত না হই। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা আলাপ আলোচনা করবো। আলোচনা করে সমাধান করবো। আমরা যুদ্ধে জড়াবো না। এটা আমাদের দেশের জনগণের চাওয়া। এখন ফখরুল সাহেব যুদ্ধে জড়াতে চান, আমরা সে ফাঁদে পড়বো কেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে। কর্তব্য আছে। সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই ব্যথা লাগবে বেশি। কারণ এ জাতির মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে, মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব প্রস্তুতি স্বাধিকার লড়াইয়ের সঙ্গে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ফখরুল সাহেব কী করেছেন জানি না। কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন সেটাও জানি না। এসব কথা বলে লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ আলোচনার সীমা যদি কেউ পেরিয়ে যায়, সত্যিই যদি তারা আক্রমণে আসে, আমরা কী বসে থাকবো? আমরা বসে বসে আঙ্গুল চুষবো? আমাদেরও পাল্টা আক্রমণ করতে হবে। আমরা তো এখনও আক্রমণ দেখিনি। ওদের অভ্যন্তরীণ অনেক সমস্যা আছে। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতেই পারে। গুলির আওয়াজ হতে পারে। এটা সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন নয়। এটা ওদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। সেখান থেকেই হচ্ছে। সেটার জন্য আমরা কেন মিয়ানমার সরকারকে দায়ী করবো। আমরা যতদিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আলাপ আলোচনার দরজা খোলা রাখবো।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

আমরা ফখরুলদের ফাঁদে পা দেবো না: ওবায়দুল কাদের

আপডেট টাইম : ০১:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মিয়ানমার ইস্যুতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা এখনো কোনো আক্রমণ দেখিনি।

মিয়ানমার ইস্যুতে সরকার নতজানু নীতি অবলম্বন করছে- বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিরোধী দলের নেতাদের এমন অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বুধবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতরে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সেন্ট মার্টিনে যে গুলিটা আসছে এটা মিয়ানমার সরকারের নয়। এটা আরাকানের যে রেবেলরা আছে তাদের। সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হচ্ছে, সেটা তারা সরিয়ে নিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় আছি। ২৫ আগস্ট যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো আসছিল, তখনও অনেকে চেয়েছিল তারা কখনও কখনও আকাশ সীমা অতিক্রম করেছিল। তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে। আমি একমাস ধরে কক্সবাজারে ছিলাম। তখন প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি বাহিনীর প্রধানকে ফোন করে বলতেন, কোনও অবস্থাতেই আমরা যেন যুদ্ধে লিপ্ত না হই। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা আলাপ আলোচনা করবো। আলোচনা করে সমাধান করবো। আমরা যুদ্ধে জড়াবো না। এটা আমাদের দেশের জনগণের চাওয়া। এখন ফখরুল সাহেব যুদ্ধে জড়াতে চান, আমরা সে ফাঁদে পড়বো কেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে। কর্তব্য আছে। সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই ব্যথা লাগবে বেশি। কারণ এ জাতির মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে, মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব প্রস্তুতি স্বাধিকার লড়াইয়ের সঙ্গে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ফখরুল সাহেব কী করেছেন জানি না। কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন সেটাও জানি না। এসব কথা বলে লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ আলোচনার সীমা যদি কেউ পেরিয়ে যায়, সত্যিই যদি তারা আক্রমণে আসে, আমরা কী বসে থাকবো? আমরা বসে বসে আঙ্গুল চুষবো? আমাদেরও পাল্টা আক্রমণ করতে হবে। আমরা তো এখনও আক্রমণ দেখিনি। ওদের অভ্যন্তরীণ অনেক সমস্যা আছে। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতেই পারে। গুলির আওয়াজ হতে পারে। এটা সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন নয়। এটা ওদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। সেখান থেকেই হচ্ছে। সেটার জন্য আমরা কেন মিয়ানমার সরকারকে দায়ী করবো। আমরা যতদিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আলাপ আলোচনার দরজা খোলা রাখবো।


প্রিন্ট