ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

আইসিইউতে ফরিদা পারভীন

বিনোদন প্রতিবেদক: দেশবরেণ্য লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন। কিডনি জটিলতা ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগতে থাকা এই সংগীতশিল্পীকে গত ২ সেপ্টেম্বর ডায়ালিসিস করানো হয়। তবে ডায়ালিসিসের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

এখন ফরিদা পারভীন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চিকিৎসক আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, ‘আজ দিনের যেকোনো সময় আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হবে ফরিদা পারভীনকে। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা কিছুটা জটিল। কিডনি জটিলতার পাশাপাশি তাঁর শ্বাসকষ্টসহ আরো নানা সমস্যা আছে।

আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি। তাঁর সুস্থতার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছি।
ফরিদা পারভীনের ছেলে ইমাম নিমেরি উপল জানিয়েছেন, ‘আম্মাকে ডায়ালিসিস করতে নিয়ে গিয়েছিলাম। এরপর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়।

তারপর তো আইসিইউতে ভর্তি করাতে হয়।’
এর আগে ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে স্বামী যন্ত্রসংগীতশিল্পী গাজী আবদুল হাকিম বলেছিলেন, ‘সার্বিকভাবে তাঁর অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। গত কয়েক মাসে এ নিয়ে চারবার আইসিইউতে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করাতে হয়েছে। ফুসফুস আর কিডনিজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন তিনি। শরীর প্রচণ্ড দুর্বল থাকে।

উঠে দাঁড়ানোর মতো শক্তি পান না। হাঁটতেও পারেন না। সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন।’
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন ফরিদা পারভীন। ফুসফুসের সমস্যা ছাড়াও ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও থাইরয়েড জটিলতা রয়েছে তাঁর। বমি ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাঁর শারীরিক অবস্থা আরো জটিল আকার ধারণ করেছে।

১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত গেয়ে সংগীতাঙ্গনে পথচলা শুরু করেন ফরিদা পারভীন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালনসংগীতে তালিম নেন এবং ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনগীতির জীবন্ত কিংবদন্তি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

আইসিইউতে ফরিদা পারভীন

আপডেট টাইম : ১১:২১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিনোদন প্রতিবেদক: দেশবরেণ্য লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন। কিডনি জটিলতা ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগতে থাকা এই সংগীতশিল্পীকে গত ২ সেপ্টেম্বর ডায়ালিসিস করানো হয়। তবে ডায়ালিসিসের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

এখন ফরিদা পারভীন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চিকিৎসক আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, ‘আজ দিনের যেকোনো সময় আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হবে ফরিদা পারভীনকে। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা কিছুটা জটিল। কিডনি জটিলতার পাশাপাশি তাঁর শ্বাসকষ্টসহ আরো নানা সমস্যা আছে।

আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি। তাঁর সুস্থতার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছি।
ফরিদা পারভীনের ছেলে ইমাম নিমেরি উপল জানিয়েছেন, ‘আম্মাকে ডায়ালিসিস করতে নিয়ে গিয়েছিলাম। এরপর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়।

তারপর তো আইসিইউতে ভর্তি করাতে হয়।’
এর আগে ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে স্বামী যন্ত্রসংগীতশিল্পী গাজী আবদুল হাকিম বলেছিলেন, ‘সার্বিকভাবে তাঁর অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। গত কয়েক মাসে এ নিয়ে চারবার আইসিইউতে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করাতে হয়েছে। ফুসফুস আর কিডনিজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন তিনি। শরীর প্রচণ্ড দুর্বল থাকে।

উঠে দাঁড়ানোর মতো শক্তি পান না। হাঁটতেও পারেন না। সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন।’
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন ফরিদা পারভীন। ফুসফুসের সমস্যা ছাড়াও ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও থাইরয়েড জটিলতা রয়েছে তাঁর। বমি ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাঁর শারীরিক অবস্থা আরো জটিল আকার ধারণ করেছে।

১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত গেয়ে সংগীতাঙ্গনে পথচলা শুরু করেন ফরিদা পারভীন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালনসংগীতে তালিম নেন এবং ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনগীতির জীবন্ত কিংবদন্তি।


প্রিন্ট