মনোহরগঞ্জ, সংবাদদাতা,(কুমিল্লা):
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের নিকাহ ও তালাক রেজিস্টার কাজী মাওলানা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি তার দুর্নীতি তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দুর্নীতি দমন কমিশনের দুদক প্রধান কার্যালয় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ
রাজনৈতিক প্রভাবে বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারের সময় স্থানীয়-প্রভাবশালী রাজনৈতিক ছএ ছায়ায় সিদ্দিকুর রহমান বেপরোয়া হয়ে উঠেন। তিনি বেআইনিভাবে পার্শ্ববর্তী ৪ নং ঝলম উত্তর ইউনিয়ন কাবিন রেজিস্টারের দায়িত্ব নিজের দখলে রাখেন, বছরের পর বছর সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অতিরিক্ত ফি আদায়ের মাধ্যমে তিনি রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদের হদিস অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী একজন সাধারণ শিক্ষক ও ইউনিয়ন কাজী হয়ে, গত ১৫-১৬ বছরে সিদ্দিকুর রহমান নামে বেনামে বিপুল সম্পত্তি গড়েছেন
তার সম্পদের উল্লেখযোগ্য কিছু বিবরণ উল্লেখ করা হলো, নরহরিপুর বাজারে (পশ্চিম পাশে) ১২ শতাংশ জমির উপর নির্মিত ভবন ৫ তলা ফাউন্ডেশন নির্মিত ভবন, যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা, নরহরিপুর বাজারে( দক্ষিণ মাথায়) বিশাল আকৃতির একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণাধীন, যার মূল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি টাকারও বেশি, গাজীমুড়া মৌজা (লাকসাম) ৬ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেছেন যার বাজার মূল্য ১ কোটি টাকা, বিবিধ ভূমি ক্রয়ের মধ্যে রয়েছে, নরহরিপুর মৌজায় বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট থেকে আরো প্রায় ১৩১ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে, পারিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতা কেবল আর্থিক দুর্নীতি নয়, সিদ্দিকুর রহমান বিরুদ্ধে নিজপৈএিক সম্পত্তিতে অন্য ওয়ারিশদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং ক্ষমতার দাপটে জায়গা দখল করে অট্টালিকা নির্মাণের অভিযোগ ও রয়েছে।
এমনকি তার বৃদ্ধ পিতার সাথে চরম দুর্ব্যবহার ও শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে আশপাশের লোকজনের অভিযোগ ও অভিযোগ পএে রয়েছে,
তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর পক্ষে দাখিলকৃত ওই অভিযোগে বলা হয় একজন সাধারণ মাদ্রাসার শিক্ষক ও কাজী হয়ে কিভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া সম্ভব
তা গভীরভাবে তদন্ত দাবি রাখে। এলাকার কতিপয় অসাধু নেতাদের মদদে তিনি এই দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।
অভিযুক্ত কাজীর অবৈধ সম্পদের উৎস খুঁজে বের করতে এবং তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে দুদকের প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে বিষয়ে জানতে চাহিলে তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে জানান,আমার বিষয়ে আনীত অভিযোগ সবগুলো সত্য নয়,আমি লাকসামে ৫ শতাংশ জায়গায় ক্রয় করেছি,আর নরহরিপুর বাজারে ১ ভবন করেছি এবং ১টি ভবন নির্মাণাধীন আছে,তবে আমি আমার ১৫ ঘন্ডা জায়গায় বিক্রি করে, এ ভবন গুলোর কাজগুলো করেছি। আমার উপর হিংসার বশীভূত হয়ে এক শ্রেনীর কিছু আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।