শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::

আজ বিজয়-রাশমিকার বিয়ে

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬ বার পঠিত

বিনোদন ডেস্ক: দক্ষিণী সিনেমার দুই জনপ্রিয় মুখ রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে ঘিরে বহুদিনের জল্পনা-গুঞ্জনের অবসান ঘটছে আজ। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন এই তারকা জুটি। বিলাসবহুল এক রিসোর্টে বসছে বিয়ের আসর। পর্দার রসায়ন এবার বাস্তব জীবনের বন্ধনে রূপ নিচ্ছে।

সূত্রের খবর, বিজয়ের পারিবারিক ঐতিহ্য মেনে তেলুগু হিন্দু রীতিতে প্রথম বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে। এর পর বিকেলের দিকে রাশমিকার পারিবারিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠান। সন্ধ্যা ৭টার পর ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন বিজয় ও রাশমিকা।

এর আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি নবদম্পতি আয়োজন করেছিলেন বিশেষ এক বিলাসবহুল ডিনার। ভলিবল ও ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার। ওই রাতে বসে জমকালো সংগীতের আসর। জানা গেছে, সংগীত অনুষ্ঠানের রাতে বিজয়ের মা মাধবী পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রথা মেনে রাশমিকাকে নিজেদের পরিবারের সোনার বালা উপহার দেন।

ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে বিজয়ের উদ্দেশে দীর্ঘ এক চিঠি লিখেছেন রাশমিকা। তিনি লেখেন, ‘পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি আমার স্বামী বিজয় দেবরাকোন্ডার সঙ্গে। এই মানুষটি আমাকে শিখিয়েছিল সত্যিকারের ভালোবাসা কাকে বলে, সুখ কাকে বলে। সে আমাকে বড় স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করেছে। এই মানুষটি আমাকে কখনো কোনো কিছুতে বাধা দেয়নি। তার ওপর আমি আস্ত একটা বই লিখে ফেলতে পারি। আমার সকল অর্জন, সংগ্রাম, সুখ, দুঃখ, আনন্দ, আমার জীবন সবই অর্থবহ হয়ে উঠেছে। কারণ, আমি তোমাকে পেয়েছি। তোমার স্ত্রী হতে পেরেছি।’

অন্যদিকে, বিজয় লিখেছেন, ‘তাকে সব সময় মিস করেছি। মনে হতো, সে যদি আমার পাশে থাকত, তাহলে দিনগুলো আরও ভালো হতো। তাকে আমার সব সময়ই প্রয়োজন, যেখানেই থাকি না কেন। আমার সেই সেরা বন্ধুকে আমার স্ত্রী বানিয়ে নিয়েছি।’

কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের অনুষ্ঠান। কেবল দুজনের পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির লোকজনের জন্য আগামী ৪ মার্চ হায়দরাবাদে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন বিজয়-রাশমিকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com