হাফসা আক্তার :
সৎ, যোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের পরিবর্তে আল্লাহওয়ালা নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ডিএনসিকে দুর্নীতি, লুটপাট, খানা-খন্দক; ঘিঞ্জি, দুর্গন্ধ ও মশকমুক্ত সর্বাধুনিক নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন নগরীতে পরিণত করতে হবে। আগামী নির্বাচনে সৎ, যোগ্য, প্রতিশ্রুতিশীল ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
তিনি আজ স্থানীয় নলভোগ ঈদগাহ মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের তুরাগ মধ্য থানা আয়োজিত স্থানীয়দের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর গাজী মনির হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং নায়েবে আমীর কামরুল হাসান ও সেক্রেটারি মুহিব্বুল্লাহ বাচ্চুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ৫৩ নং ওয়ার্ড কমিশনার প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর সুরুজ্জামান ও উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রান্তিক ৭ শতাধিক মানুষের মধ্যে ১৮ কেজি খাদ্য সামগ্রী উপহার দেওয়া হয়।
সেলিম উদ্দিন বলেন, আগামী ডিএনসিসি নির্বাচনে জনাব সুরুজ্জামান ৫৩ নং ওয়ার্ডের কমিশনার প্রার্থী। জনসেবা ও মানুষের কল্যাণ করা তার পারিবারিক ঐতিহ্য। তিনি একজন সমাজসেবক ও দানবীর। কমিশনার হওয়ার আগেই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ঈদ সামগ্রী বিতরণ করছেন। নির্বাচিত হলে তিনি মানুষের ঘরে ঘরে প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী পৌঁছে দেবেন এবং ওয়ার্ডের সকল নাগরিক সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করবেন। নির্বাচিত হওয়ার আগেই তিনি এ ওয়ার্ডের রাস্তাঘাটের সংস্কার সহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন এবং তা এখনো অব্যাহত আছে। তাই অগামী নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীদের বিজয়ী করে জনসেবার সুযোগ দিলে সকল সমস্যার ইনসাফপূর্ণ সমাধান হবে-ইনশাআল্লাহ। তিনি সৎ, যোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।
তিনি বলেন, জামায়াত কোন গতানুগতিক রাজনৈতিক দল নয়। আমরা রাজনীতির জন্য রাজনীতি করি না বরং আমরা রাজনীতিকে জনকল্যাণের মাধ্যম ও জনসেবার উসিলা বলে মনে করি। আমাদের রাজনীতির উদ্দেশ্যই হচ্ছে মানবসেবা ও কল্যাণের মাধ্যমে আল্লাহ তা’য়ালার সন্তষ্টি অর্জন করে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি অর্জন করা। অথচ গতানুগতিক রাজনীতিতে নিজেদের উদরপূর্তির জন্য রাজনীতি করা হয়। রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের সকল অর্থ আত্মসাৎ করে নিজেরা অর্থ-বিত্তের পাহাড় গড়ে তুলে বিলাস-ব্যসন ও আরাম-আয়েশে দিন কাটায় একশ্রেণির রাজনৈতিক নেতারা। উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ২শতাংশ উন্নয়ন কাজে খরচ করা হয় না। নগরীতে মশক নিধন অভিযান চালানো হয় নকল ঔষধ দিয়ে। তাই আগামী দিনে আমাদেরকে এ অশুভ বৃত্ত থেকে অবশ্যই বেড়িয়ে আসতে হবে। অন্যথায় আমাদের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না।