ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদের বিবরণী জমা না দেয়ার মামলায় বেসরকারি টিভি চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) কমিশনের বৈঠকে অনুমোদন হওয়া অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী না দেওয়া এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক সামছুল আলম শিগগিরই বিচারিক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেবেন।
দুদক সাংবাদিকদের জানায়, নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী জমা না দেয়ায় ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল আবদুস সালামের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক সামছুল আলম। মামলার তদন্তও করেন তিনি। তদন্ত শেষে তার প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় কমিশন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে ২১ নভেম্বর কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপারের মাধ্যমে আবদুস সালামের কাছে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করা হয়। আবদুস সালাম ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর তা গ্রহণ করেন। ২০১৭ সালের ১২ মার্চ জেল সুপার এক চিঠির মাধ্যমে দুদককে জানান, আবদুস সালাম এ সংক্রান্ত কোনো বিবরণী তাদের কাছে জমা দেননি। তাই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

তদন্তে দেখা যায়, আবদুস সালামের নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদের মূল্য ১৩ কোটি ৮৫ লাখ ৫ হাজার ৬৫৬ টাকা, অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৬৪ কোটি ৯৯ লাখ ৮ হাজার ২৬১ টাকা। স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ মিলে তার মোট সম্পদ ৭৮ কোটি ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৭ টাকা।

তদন্তের সময় আবদুস সালামের বক্তব্য নেয়া হয় এবং তাকে তার আয়ের উৎসের বিষয়ে রেকর্ডপত্র সরবরাহের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি তার আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোনো রেকর্ডপত্র উপস্থাপন করেননি। আয়কর বিভাগে তার জমা দেয়া আয়কর রিটার্ন সংশ্লিষ্ট নথি জব্দ করা হয়। সেগুলো বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে ৩২ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার ৮৫৬ টাকার।

সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার মামলার তদন্তের ফল অনুসারে, তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ফলে তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী না দেয়া এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযোগপত্র দেয়ার সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন তা অনুমোদন দিয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের চার্জশিট

আপডেট টাইম : ০৩:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদের বিবরণী জমা না দেয়ার মামলায় বেসরকারি টিভি চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) কমিশনের বৈঠকে অনুমোদন হওয়া অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী না দেওয়া এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক সামছুল আলম শিগগিরই বিচারিক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেবেন।
দুদক সাংবাদিকদের জানায়, নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী জমা না দেয়ায় ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল আবদুস সালামের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক সামছুল আলম। মামলার তদন্তও করেন তিনি। তদন্ত শেষে তার প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় কমিশন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে ২১ নভেম্বর কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপারের মাধ্যমে আবদুস সালামের কাছে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করা হয়। আবদুস সালাম ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর তা গ্রহণ করেন। ২০১৭ সালের ১২ মার্চ জেল সুপার এক চিঠির মাধ্যমে দুদককে জানান, আবদুস সালাম এ সংক্রান্ত কোনো বিবরণী তাদের কাছে জমা দেননি। তাই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

তদন্তে দেখা যায়, আবদুস সালামের নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদের মূল্য ১৩ কোটি ৮৫ লাখ ৫ হাজার ৬৫৬ টাকা, অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৬৪ কোটি ৯৯ লাখ ৮ হাজার ২৬১ টাকা। স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ মিলে তার মোট সম্পদ ৭৮ কোটি ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৭ টাকা।

তদন্তের সময় আবদুস সালামের বক্তব্য নেয়া হয় এবং তাকে তার আয়ের উৎসের বিষয়ে রেকর্ডপত্র সরবরাহের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি তার আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোনো রেকর্ডপত্র উপস্থাপন করেননি। আয়কর বিভাগে তার জমা দেয়া আয়কর রিটার্ন সংশ্লিষ্ট নথি জব্দ করা হয়। সেগুলো বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে ৩২ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার ৮৫৬ টাকার।

সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার মামলার তদন্তের ফল অনুসারে, তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ফলে তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী না দেয়া এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযোগপত্র দেয়ার সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন তা অনুমোদন দিয়েছে।


প্রিন্ট