ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

শুটিং সেটে যে খাবার না দিলে ‘মাথা গরম’ হয়ে যায় জয়া আহসানের

বিনোদন প্রতিবেদক: দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান তাঁর অভিনয়ের পাশাপাশি চমৎকার শারীরিক গঠন ও সৌন্দর্য সচেতনতার কারণে সবসময়ই আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকেন। বিশেষ করে তাঁর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ভক্তদের মাঝে কৌতূহলের শেষ নেই।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান তার খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি নিজেকে একজন প্যাস্কিটেরিয়ান হিসেবে দাবি করার চেষ্টা করছেন গত তিন বছর ধরে।

জয়া বলেন, ‘আমি খেতে ভালোবাসি এবং আমি খাই। আমার মনে হয় মাঝে মাঝে নিজের আত্মাকে তৃপ্ত করার জন্য খাওয়া প্রয়োজন। অনেকেই ডায়েট মেনে বিদেশি খাবার খায়, কিন্তু আমি তেমনটা করি না।’

তবে এই খাদ্যাভ্যাসের পেছনে রয়েছে এক গভীর মানসিক পরিবর্তন। জয়া জানান, বর্তমানে তিনি মাছ বা ডিম খেতেও দ্বিধাবোধ করছেন। তার কথায়, ‘ইদানিং তো ডিমও খেতে পারছি না, মাছও খেতে পারছি না। আমার মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি। এটি আমার একটি মানসিক সমস্যা।’

প্রাণীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে গিয়েই জয়ার মনে এই বোধ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি যখন অ্যানিমেল রাইটস নিয়ে কাজ করা শুরু করলাম, তখন থেকে এই বোধটা প্রকট হয়েছে। এখন চিকেন খেলে আমার মনে হয় আমি রাস্তার চারপেয়ে বাচ্চাদের (কুকুর-বিড়াল) খাবার খেয়ে ফেলছি। তবে আমি মনে করি সবারই প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত, বিশেষ করে মেয়েদের।’

জয়া বলেন, ‘শুটিং সেটে শিঙাড়া, কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ না দিলে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। এটা আমাদের শুটিংয়ের জাতীয় খাবার।’ এছাড়া প্রতিদিন সকালে মায়ের হাতের এক কাপ দুধ চা না হলে তার চলেই না।

সবজি ও কাঁচা খাবারের প্রতি জয়ার দুর্বলতা ছোটবেলা থেকেই। অনেকেই মজা করে বলেন তিনি সব কাঁচা খান। এ প্রসঙ্গে জয়ার ভাষ্য, ‘সবকিছু কাঁচা খাই না, তবে আমি অনেক কিছু কাঁচা খেতে পারি।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

শুটিং সেটে যে খাবার না দিলে ‘মাথা গরম’ হয়ে যায় জয়া আহসানের

আপডেট টাইম : ০২:২৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বিনোদন প্রতিবেদক: দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান তাঁর অভিনয়ের পাশাপাশি চমৎকার শারীরিক গঠন ও সৌন্দর্য সচেতনতার কারণে সবসময়ই আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকেন। বিশেষ করে তাঁর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ভক্তদের মাঝে কৌতূহলের শেষ নেই।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান তার খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি নিজেকে একজন প্যাস্কিটেরিয়ান হিসেবে দাবি করার চেষ্টা করছেন গত তিন বছর ধরে।

জয়া বলেন, ‘আমি খেতে ভালোবাসি এবং আমি খাই। আমার মনে হয় মাঝে মাঝে নিজের আত্মাকে তৃপ্ত করার জন্য খাওয়া প্রয়োজন। অনেকেই ডায়েট মেনে বিদেশি খাবার খায়, কিন্তু আমি তেমনটা করি না।’

তবে এই খাদ্যাভ্যাসের পেছনে রয়েছে এক গভীর মানসিক পরিবর্তন। জয়া জানান, বর্তমানে তিনি মাছ বা ডিম খেতেও দ্বিধাবোধ করছেন। তার কথায়, ‘ইদানিং তো ডিমও খেতে পারছি না, মাছও খেতে পারছি না। আমার মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি। এটি আমার একটি মানসিক সমস্যা।’

প্রাণীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে গিয়েই জয়ার মনে এই বোধ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি যখন অ্যানিমেল রাইটস নিয়ে কাজ করা শুরু করলাম, তখন থেকে এই বোধটা প্রকট হয়েছে। এখন চিকেন খেলে আমার মনে হয় আমি রাস্তার চারপেয়ে বাচ্চাদের (কুকুর-বিড়াল) খাবার খেয়ে ফেলছি। তবে আমি মনে করি সবারই প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত, বিশেষ করে মেয়েদের।’

জয়া বলেন, ‘শুটিং সেটে শিঙাড়া, কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ না দিলে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। এটা আমাদের শুটিংয়ের জাতীয় খাবার।’ এছাড়া প্রতিদিন সকালে মায়ের হাতের এক কাপ দুধ চা না হলে তার চলেই না।

সবজি ও কাঁচা খাবারের প্রতি জয়ার দুর্বলতা ছোটবেলা থেকেই। অনেকেই মজা করে বলেন তিনি সব কাঁচা খান। এ প্রসঙ্গে জয়ার ভাষ্য, ‘সবকিছু কাঁচা খাই না, তবে আমি অনেক কিছু কাঁচা খেতে পারি।’


প্রিন্ট