ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মিশর

ক্রীড়া ডেস্ক : নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১–১ সমতায় শেষ করে মিশর–অস্ট্রেলিয়া। তাই ফল নির্ধারণে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। সেখানেও সমতায় শেষ করে দু’দল। এরপর টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠেছে মিশর।

এই প্রথমবারের মত মিশর বিশ্বকাপের শেষ ষোল রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো।

অস্ট্রেলিয়ান কোচ টনি পোপোভিচ অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ মিনিটে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যাথু রায়ানকে বদলী বেঞ্চ থেকে মাঠে পাঠান। সকারুজদের প্রথম শটেই ডিফেন্ডার হ্যারি শুটার নিজের সুযোগ নষ্ট করেন। তার শটটি বারের উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। প্রথম মিসেই কার্যত অস্ট্রেলিয়া পিছিয়ে পড়ে। এরপর দুই দলের পাঁচ খেলোয়াড় তাদের শটগুলো গোলে পরিণত করেন। এর মধ্যে মোহাম্মদ সালাহও ছিলেন। কিন্তু নিজেদের চতুর্থ শটে ১৮ বছর বয়সী লুকাস হেরিংটন বারে লাগালে অস্ট্রেলিয়ার পরাজয় সময়ের ব্যপার হয়ে দাঁড়ায়। মিশরের হয়ে হোসাম আবদেলমাগুইড ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে মিশরকে জয় উপহার দেন।

এর আগে ডালাসের কাউবয়েজ স্টেডিয়ামে করিম হাফেজের ক্রসে ১৩ মিনিটে সাতবারের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন মিশরকে এগিয়ে দেন ইমাম আশুর। এবারের আসরে এটি আশুরের দ্বিতীয় গোল। গ্রুপ পর্বে মাত্র দুই গোল করা অস্ট্রেলিয়া এক গোলে পিছিয়ে থেকে অনেকটাই ছন্দ হারিয়ে ফেলে। মিশরের শেষ গ্রুপ ম্যাচে ইনজুরিতে আক্রান্ত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সালাহকে অনেকটাই নিষ্প্রভ মনে হয়েছে।

বিরতির ১০ মিনিট আগে সকারুজরা প্রথম টার্গেটে একটি শট নেয়। ফুল-ব্যাক আজিজ বেহিচের শট কোনমতে রক্ষা করেন গোলরক্ষক মোস্তফা শুবির। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে ফেরা সালাহ ৪৫ মিনিটে একটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি।

বিরতির পরপরই ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারতো। ম্যানচেস্টার সিটি এ্যাটাকার ওমর মামুশের বল অল্পের জন্য জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। ১০ মিনিটের মধ্যে সকারুজদের ফ্রি-কিক থেকে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতি গোলে সমতায় ফিরে অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামেন্টে এটি হানির দ্বিতীয় আত্মঘাতি গোল।

দুই দলের কেউই এর আগে বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে জিততে পারেনি। যে কারণে উভয় দলের সামনে ছিল রেকর্ডের হাতছানি। তারই ধারাবাহিকতায় খুব একটা আক্রমণাত্মক খেলা কেউই খেলেনি। সাবধানে খেলতে গিয়ে অনেক সময়ই ম্যাচে ছন্দপতন ঘটেছে। এর মধ্যে মিশর মাঝে মাঝে কিছু আক্রমণের চেষ্টা করেছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মিশর

আপডেট টাইম : ০২:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

ক্রীড়া ডেস্ক : নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১–১ সমতায় শেষ করে মিশর–অস্ট্রেলিয়া। তাই ফল নির্ধারণে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। সেখানেও সমতায় শেষ করে দু’দল। এরপর টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠেছে মিশর।

এই প্রথমবারের মত মিশর বিশ্বকাপের শেষ ষোল রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো।

অস্ট্রেলিয়ান কোচ টনি পোপোভিচ অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ মিনিটে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যাথু রায়ানকে বদলী বেঞ্চ থেকে মাঠে পাঠান। সকারুজদের প্রথম শটেই ডিফেন্ডার হ্যারি শুটার নিজের সুযোগ নষ্ট করেন। তার শটটি বারের উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। প্রথম মিসেই কার্যত অস্ট্রেলিয়া পিছিয়ে পড়ে। এরপর দুই দলের পাঁচ খেলোয়াড় তাদের শটগুলো গোলে পরিণত করেন। এর মধ্যে মোহাম্মদ সালাহও ছিলেন। কিন্তু নিজেদের চতুর্থ শটে ১৮ বছর বয়সী লুকাস হেরিংটন বারে লাগালে অস্ট্রেলিয়ার পরাজয় সময়ের ব্যপার হয়ে দাঁড়ায়। মিশরের হয়ে হোসাম আবদেলমাগুইড ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে মিশরকে জয় উপহার দেন।

এর আগে ডালাসের কাউবয়েজ স্টেডিয়ামে করিম হাফেজের ক্রসে ১৩ মিনিটে সাতবারের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন মিশরকে এগিয়ে দেন ইমাম আশুর। এবারের আসরে এটি আশুরের দ্বিতীয় গোল। গ্রুপ পর্বে মাত্র দুই গোল করা অস্ট্রেলিয়া এক গোলে পিছিয়ে থেকে অনেকটাই ছন্দ হারিয়ে ফেলে। মিশরের শেষ গ্রুপ ম্যাচে ইনজুরিতে আক্রান্ত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সালাহকে অনেকটাই নিষ্প্রভ মনে হয়েছে।

বিরতির ১০ মিনিট আগে সকারুজরা প্রথম টার্গেটে একটি শট নেয়। ফুল-ব্যাক আজিজ বেহিচের শট কোনমতে রক্ষা করেন গোলরক্ষক মোস্তফা শুবির। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে ফেরা সালাহ ৪৫ মিনিটে একটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি।

বিরতির পরপরই ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারতো। ম্যানচেস্টার সিটি এ্যাটাকার ওমর মামুশের বল অল্পের জন্য জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। ১০ মিনিটের মধ্যে সকারুজদের ফ্রি-কিক থেকে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতি গোলে সমতায় ফিরে অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামেন্টে এটি হানির দ্বিতীয় আত্মঘাতি গোল।

দুই দলের কেউই এর আগে বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে জিততে পারেনি। যে কারণে উভয় দলের সামনে ছিল রেকর্ডের হাতছানি। তারই ধারাবাহিকতায় খুব একটা আক্রমণাত্মক খেলা কেউই খেলেনি। সাবধানে খেলতে গিয়ে অনেক সময়ই ম্যাচে ছন্দপতন ঘটেছে। এর মধ্যে মিশর মাঝে মাঝে কিছু আক্রমণের চেষ্টা করেছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি।


প্রিন্ট