ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সালমান শাহ হত্যা: ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি চড়া দামে বিক্রি হল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক বাগআঁচড়ায় ইয়াবাসহ একজন আ/টক পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পোনা অবমুক্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সুনামগঞ্জের ডাবর এলাকায় রক্তের প্রয়োজনে দিন-রাত মানুষের পাশে ছুটে চলা উজ্জ্বল হোসেন সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হয়েছেন সুনামগঞ্জের দিরাই টানাখালি বাজারের পশ্চিমপাড়ে কালনী নদীতে এক নারীর লাশ উদ্ধার শান্তিগঞ্জের ডাবর এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় এক আনসার বাহিনীর সদস্য নিহত

চড়া দামে বিক্রি হল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৯৮৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলে ব্যবহৃত ম্যাচ বলটি নিলামে প্রায় ৩.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদায় যা প্রায় ৪০ কোটি টাকার বেশি) বিক্রি হয়েছে।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশন্সে ঐতিহাসিক এই ফুটবলটি বিক্রি হয়। যদিও নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের ধারণা ছিল ফুটবলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ম্যারাডোনা এই বলেই তাঁর বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেছিলেন এবং এর মাত্র চার মিনিট পর ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একক প্রচেষ্টার গোলটি করেছিলেন।
দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিলামকারীরা আশা করেছিলেন যে বলটির দাম ম্যানাডোসার সেই ম্যাচের জার্সিটির রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০২২ সালে সোথবির নিলামে মারাদোনার সেই জার্সিটি প্রায় ৯০ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়া, এটি খেলাধুলায় ব্যবহৃত বলের সর্বকালের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি; যেটি বর্তমানে ২০২০ সালে বিক্রিত বেসবল তারকা শোতে ওহতানির ৫০তম হোম রানের বলের (৪.৩৯২ মিলিয়ন ডলার) দখলে রয়েছে।

দাম কম হওয়ার নেপথ্য কারণ

এর আগে ২০২২ সালে গ্রাহাম বাড অকশন্স থেকে বলটি ২ মিলিয়ান ডলারে হাতবদল হয়েছিল। তবে এর পরের বছর সর্বোচ্চ ২.০৪ মিলিয়ন ডলারের বিড উঠলেও তা ন্যূনতম রিজার্ভ মূল্য ছুঁতে না পারায় বিক্রি হয়নি। চলতি গ্রীষ্মে ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উন্মাদনার সুযোগ নিতেই বলটি পুনরায় নিলামে তোলা হয়েছিল। তবে বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর এর নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়া এবং টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার শিরোপা জিততে না পারা—এই দুটি বিষয়ই মূলত নিলামে ক্রেতাদের আগ্রহ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক অনুমান ১ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে না পারলেও, এই বিক্রয়মূল্য পুরোনো ফুটবল স্মারক বাজারের জন্য একটি বাস্তবসম্মত মানদণ্ড তৈরি করে দিল।

আগামী মাসগুলোতে বিংশ শতাব্দীর অন্য কোনো দুর্লভ স্মারক বাজারে আসে কি না, তা বিশ্বজুড়ে সংগ্রাহকরা বেশ কৌতূহলের সাথেই লক্ষ্য করবেন। তা সত্ত্বেও, বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর উচ্চমূল্যের স্মারকগুলো বিশ্বজুড়ে প্রাইভেট ইনভেস্টরদের মাঝে সবসময়ই একটা স্থিতিশীল আগ্রহ ধরে রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা: ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি

চড়া দামে বিক্রি হল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল

আপডেট টাইম : ০৫:৫২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৯৮৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলে ব্যবহৃত ম্যাচ বলটি নিলামে প্রায় ৩.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদায় যা প্রায় ৪০ কোটি টাকার বেশি) বিক্রি হয়েছে।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশন্সে ঐতিহাসিক এই ফুটবলটি বিক্রি হয়। যদিও নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের ধারণা ছিল ফুটবলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ম্যারাডোনা এই বলেই তাঁর বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেছিলেন এবং এর মাত্র চার মিনিট পর ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একক প্রচেষ্টার গোলটি করেছিলেন।
দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিলামকারীরা আশা করেছিলেন যে বলটির দাম ম্যানাডোসার সেই ম্যাচের জার্সিটির রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০২২ সালে সোথবির নিলামে মারাদোনার সেই জার্সিটি প্রায় ৯০ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়া, এটি খেলাধুলায় ব্যবহৃত বলের সর্বকালের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি; যেটি বর্তমানে ২০২০ সালে বিক্রিত বেসবল তারকা শোতে ওহতানির ৫০তম হোম রানের বলের (৪.৩৯২ মিলিয়ন ডলার) দখলে রয়েছে।

দাম কম হওয়ার নেপথ্য কারণ

এর আগে ২০২২ সালে গ্রাহাম বাড অকশন্স থেকে বলটি ২ মিলিয়ান ডলারে হাতবদল হয়েছিল। তবে এর পরের বছর সর্বোচ্চ ২.০৪ মিলিয়ন ডলারের বিড উঠলেও তা ন্যূনতম রিজার্ভ মূল্য ছুঁতে না পারায় বিক্রি হয়নি। চলতি গ্রীষ্মে ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উন্মাদনার সুযোগ নিতেই বলটি পুনরায় নিলামে তোলা হয়েছিল। তবে বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর এর নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়া এবং টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার শিরোপা জিততে না পারা—এই দুটি বিষয়ই মূলত নিলামে ক্রেতাদের আগ্রহ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক অনুমান ১ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে না পারলেও, এই বিক্রয়মূল্য পুরোনো ফুটবল স্মারক বাজারের জন্য একটি বাস্তবসম্মত মানদণ্ড তৈরি করে দিল।

আগামী মাসগুলোতে বিংশ শতাব্দীর অন্য কোনো দুর্লভ স্মারক বাজারে আসে কি না, তা বিশ্বজুড়ে সংগ্রাহকরা বেশ কৌতূহলের সাথেই লক্ষ্য করবেন। তা সত্ত্বেও, বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর উচ্চমূল্যের স্মারকগুলো বিশ্বজুড়ে প্রাইভেট ইনভেস্টরদের মাঝে সবসময়ই একটা স্থিতিশীল আগ্রহ ধরে রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রিন্ট