ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদীভাঙনে বিলীন দ্রুত ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি

মোঃ সিমান্ত তালুকদার

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসুড়িয়া গ্রামে নদী খননের পর থেকেই ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী খননের সময় তীর রক্ষায় ব্লক বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

নদীভাঙনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঘাসুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুস সাত্তার। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর। তাঁর বসতবাড়ি বর্তমানে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে তাঁর ও আশপাশের বেশ কয়েকজনের কৃষিজমির একটি বড় অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ফলে নদীতীরবর্তী পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

গ্রামবাসী অবিলম্বে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশেষ করে ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারাবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নদীভাঙনে বিলীন দ্রুত ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি

আপডেট টাইম : ০২:২৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ সিমান্ত তালুকদার

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসুড়িয়া গ্রামে নদী খননের পর থেকেই ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী খননের সময় তীর রক্ষায় ব্লক বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

নদীভাঙনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঘাসুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুস সাত্তার। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর। তাঁর বসতবাড়ি বর্তমানে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে তাঁর ও আশপাশের বেশ কয়েকজনের কৃষিজমির একটি বড় অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ফলে নদীতীরবর্তী পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

গ্রামবাসী অবিলম্বে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশেষ করে ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারাবে।


প্রিন্ট