ব্রিটেনের জলবায়ুমন্ত্রী কেটি হোয়াইট বলেছেন, স্বল্প কার্বন নিঃসরণ অর্থনীতিতে রূপান্তর শুধু পৃথিবীর ভবিষ্যতের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, রাজনীতির জন্যও ভালো।
তিনি বলেন, চলতি গ্রীষ্মে দেশের রেকর্ড তাপমাত্রা জনমতকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জলবায়ু পদক্ষেপের পক্ষে নিয়ে গেছে।
ক্ষমতাসীন লেবার সরকারের সদস্য হোয়াইট বলেন, ব্রিটেনের ডানপন্থী দলগুলো ক্ষমতায় গেলে দেশের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্য বাতিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুল হিসাব করেছে।
জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এএফপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জ্বালানি নিরাপত্তা ও নেট জিরো বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হোয়াইট বলেন, ‘জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে ব্রিটিশ জনগণের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যে গ্রীষ্মকাল পার করেছি, তাতে সবচেয়ে চরম আবহাওয়া দেখেছি। চারটি তাপপ্রবাহ হয়েছে। দেশজুড়ে প্রাণঘাতী দাবানল হয়েছে। জনগণ এখন আরো পদক্ষেপ চায়।’
কনজারভেটিভদের শাসনামলে ব্রিটেন ২০৫০ সালের মধ্যে নেট জিরো অর্জনের লক্ষ্যকে আইনি বাধ্যবাধকতার আওতায় আনা প্রথম প্রধান অর্থনীতি ছিল। তবে দলটির বর্তমান নেতা কেমি ব্যাডেনকের নেতৃত্বে তারা এ লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। তাদের বক্তব্য, এই লক্ষ্য অর্থনীতির ক্ষতি করবে।
নাইজেল ফারাজের রিফর্ম পার্টি আরো এক ধাপ এগিয়ে লক্ষ্যটিকে ‘নেট স্টুপিড জিরো’ বলে উপহাস করছে। দলটির কয়েকজন সদস্য মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বৈজ্ঞানিক ঐকমত্যও সরাসরি প্রত্যাখ্যান করছেন।
তবে আগস্টে ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, ব্রিটেনের ৭৪ শতাংশ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বিগ্ন। ২০২৬ সালের গ্রীষ্মের আগে এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন বলে মনে করতে পারেন ৬৯ শতাংশ মানুষ।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 




















