ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

সরকারি চাকরিজীবীদের জিপিএফ-সিপিএফে সুদের হার ১৩ শতাংশ বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের জন্য সরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) এবং প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) সুদের হার শেষ পর্যন্ত ১৩ শতাংশই বহাল রেখেছে সরকার। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরেরও এ সুদের হার একই ছিল। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সব সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের (স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও কর্পোরেশন) আর্থিক সামর্থ্য একই ধরনের নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা নিজস্ব আর্থিক বিধি-বিধান ও সামর্থ্য অনুযায়ী সিপিএফ’র জমাকৃত আমানতের ওপর সুদ সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ ধরে হ্রাসকৃত হারে নির্ধারণ করতে পারবেন।’
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জিপিএফে সুদ চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে। এই তহবিলে জমা রাখলে মুনাফাসহ টাকা দেয় সরকার। চাকরি শেষে ভালো একটা অঙ্ক নিয়ে ঘরে ফিরতে পারেন চাকরিজীবীরা। আর সিপিএফে যে পরিমাণ টাকা রাখেন চাকরিজীবীরা, সরকার ওই পরিমাণ টাকাই তাদের অনুদান দেয়। কিন্তু অতিরিক্ত জমার ওপর কোনো মুনাফা দেয় না। রাজস্ব খাত থেকে যারা বেতন পান, তারাই জিপিএফে টাকা রাখতে পারেন। রাজস্ব খাতের বাইরে থেকে যারা বেতন পান, তারা টাকা রাখেন সিপিএফে।

সরকারি চাকরীজীরা আগে মূল বেতনের ৮০ শতাংশ পর্যন্ত জিপিএফে টাকা রাখতে পারতেন। তবে তা পারতেন সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের বেশি বেতন পাওয়া পদধারীরা। এখন মূল বেতনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ জিপিএফে রাখা যায়।

উদাহরণ দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ২৫ বছর চাকরি করলে একজন জিপিএফধারীর ৮০ মাসের মূল বেতনের সমান টাকা পাবেন। কিন্তু একই সময়ে একজন সিপিএফধারী পাবেন ৫০ মাসের মূল বেতনের সমান টাকা।

বর্তমান নিয়মে একজন সরকারি চাকরিজীবীর বয়স ৫২ বছর হলেই মোট জমার ৮০ শতাংশ তিনি তুলে নিতে পারেন। ৫২ বছর বয়স হওয়ার আগে তুলে নিতে চাইলেও কোনো অসুবিধা নেই। সে ক্ষেত্রে তিনি পাবেন ৭৫ শতাংশ টাকা এবং চারটি কিস্তিতে তা তোলা যাবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

সরকারি চাকরিজীবীদের জিপিএফ-সিপিএফে সুদের হার ১৩ শতাংশ বহাল

আপডেট টাইম : ০২:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের জন্য সরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) এবং প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) সুদের হার শেষ পর্যন্ত ১৩ শতাংশই বহাল রেখেছে সরকার। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরেরও এ সুদের হার একই ছিল। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সব সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের (স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও কর্পোরেশন) আর্থিক সামর্থ্য একই ধরনের নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা নিজস্ব আর্থিক বিধি-বিধান ও সামর্থ্য অনুযায়ী সিপিএফ’র জমাকৃত আমানতের ওপর সুদ সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ ধরে হ্রাসকৃত হারে নির্ধারণ করতে পারবেন।’
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জিপিএফে সুদ চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে। এই তহবিলে জমা রাখলে মুনাফাসহ টাকা দেয় সরকার। চাকরি শেষে ভালো একটা অঙ্ক নিয়ে ঘরে ফিরতে পারেন চাকরিজীবীরা। আর সিপিএফে যে পরিমাণ টাকা রাখেন চাকরিজীবীরা, সরকার ওই পরিমাণ টাকাই তাদের অনুদান দেয়। কিন্তু অতিরিক্ত জমার ওপর কোনো মুনাফা দেয় না। রাজস্ব খাত থেকে যারা বেতন পান, তারাই জিপিএফে টাকা রাখতে পারেন। রাজস্ব খাতের বাইরে থেকে যারা বেতন পান, তারা টাকা রাখেন সিপিএফে।

সরকারি চাকরীজীরা আগে মূল বেতনের ৮০ শতাংশ পর্যন্ত জিপিএফে টাকা রাখতে পারতেন। তবে তা পারতেন সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের বেশি বেতন পাওয়া পদধারীরা। এখন মূল বেতনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ জিপিএফে রাখা যায়।

উদাহরণ দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ২৫ বছর চাকরি করলে একজন জিপিএফধারীর ৮০ মাসের মূল বেতনের সমান টাকা পাবেন। কিন্তু একই সময়ে একজন সিপিএফধারী পাবেন ৫০ মাসের মূল বেতনের সমান টাকা।

বর্তমান নিয়মে একজন সরকারি চাকরিজীবীর বয়স ৫২ বছর হলেই মোট জমার ৮০ শতাংশ তিনি তুলে নিতে পারেন। ৫২ বছর বয়স হওয়ার আগে তুলে নিতে চাইলেও কোনো অসুবিধা নেই। সে ক্ষেত্রে তিনি পাবেন ৭৫ শতাংশ টাকা এবং চারটি কিস্তিতে তা তোলা যাবে।


প্রিন্ট