বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
কালীগঞ্জে মো: বকুল হোসেন ভূঁইয়ার নিজস্ব অর্থয়ানে ঈদ উপহার বিতরণ পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ দিনাজপুরের বিরামপুরে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে সরকারের মানবিক উদ্যোগ: শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নির্দেশ মন্ত্রীর ফসল বীমা চালুর উদ্যোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিপূরণ পাবেন কৃষক : কৃষিমন্ত্রী নির্ধারিত ভাড়ায় ঈদযাত্রা, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ট্রাম্পের চীন সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগে বেইজিং, অনির্দিষ্ট সময়সূচি শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে ২৫ মার্চের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হবে ইটভাটা থেকে যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার বগুড়ায় মাইক্রোবাসে আগুন; একই পরিবারের তিনজন নিহত শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে ২৫ মার্চের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হবে

ত্রিপুরা রাজ্যের সব মন্দিরে পশুবলি নিষিদ্ধ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩৭২ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ধর্মের নাম করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আর কোনো মন্দিরে পশুবলি দেয়া যাবে না। এ বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্যটির সর্বোচ্চ আদালত। এমনকি খোদ রাজ্য সরকার চাইলেও দিতে পারবেন না।

২৭ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি অরিন্দম লোধের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন। হাইকোর্ট বলেছে, পশুপাখিদেরও বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার আছে। ত্রিপুরার কোনো মন্দিরে আর পশুবলি দেয়া যাবে না। পশুবলির অনুমতি দিতে পারবে না রাজ্য সরকার। এমনকি, সরকার নিজস্ব উদ্যোগেও দিতে পারবে না।

এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকরের জন্য জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ত্রিপুরার বেশ কিছু মন্দিরে অসংখ্য পশুবলি হয়। অধিকাংশ বলির খরচ সরকার নিজেই জোগায়। সেদিকে বিশেষ নজর দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ত্রিপুরেশ্বরী এবং চতুরদাস দেবতা মন্দিরে সিসিটিভি বসানোরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কয়েক বছর আগে ত্রিপুরা রাজবাড়ির দুর্গাপূজা দেখতে গিয়েছিলেন রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত জেলা দায়রা জজ সুভাষ ভট্টাচার্য। সরকার পরিচালিত এ পূজায় নবমীর দিন মহিষ বলি দেখে বিচলিত হয়ে পড়েন তিনি। এর জের ধরে গত বছর একটি জনস্বার্থ মামলা করেন সুভাষ। গত তিন দিন ধরে সেই মামলার শুনানি চলে ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলি বন্ধের বিরোধিতা করা হয়। রাজ্য সরকারের আইনজীবী যুক্তি দেন, শত শত বছর ধরে এই প্রথা চলে আসছে।

কিন্তু সুভাষ পালটা যুক্তি দিয়ে দেখান, বেদ বা উপনিষদে কোথাও লেখা নেই বলি না হলে হিন্দু ধর্ম পালনে ক্ষতি হবে। সেই যুক্তি মেনে নেয় আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com