শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
লেবানন ও ইসরাইলের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু; লঙ্ঘনের অভিযোগ সেনাবাহিনীর বাণিজ্য সচিবের মৃত্যুতে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের শোক আলোকিত লালমনিরহাটে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান: ট্রাম্প মুন্সীগঞ্জে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও সার বিতরণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব নিঝুম দ্বীপে সাবেক বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রাজধানীতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটক ২: র‌্যাব নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর

করোনার গান গাইলেন বাপ-বেটা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৯৪ বার পঠিত

বিনোদন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে দেশের অধিকাংশ মানুষের মতো ঘরবন্দি জীবন পার করছেন কণ্ঠশিল্পী আশীষ। ঘরবন্দি জীবনে সাত বছরের পুত্র অংশুমানকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন ব্যান্ড দল ‘সং ফর গুড’। দুই সদস্যের এই ব্যান্ড দলের লাইনআপ হলো—গিটার ও কণ্ঠ আশীষ। শেকার ও কণ্ঠ অংশুমান। গানের কথা-সুর করছেন আশীষ।

মূলত চার বছর আগে ‘সং ফর গুড’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেন আশীষ। যদিও এতসব করবেন এমনটা তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। গত চার বছরে চ্যানেলটি নিয়ে কোনোরকম মাথাও ঘামাননি। আর এই ঘরবন্দি জীবনে সেই নামেই ব্যান্ড দলের নামকরণ করেছেন তিনি।

এই বদ্ধ জীবনে কি করা যায় সেই ভাবনা থেকে জন্ম হয়েছে এই ব্যান্ড দল। আট দিন বয়েসি দলটি এরই মধ্যে পাঁচটি গান উপহার দিয়েছেন। করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এই সংকটকালে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো বাইরে কাজ করছেন তাদের নিয়ে তৈরি হয়েছে এসব গান। ব্যান্ডের নামে ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ রয়েছে। আর সেখানে এগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে পিতা-পুত্রের গাওয়া গানগুলো শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

আশীষ বলেন, আগে থেকেই আমি গান গাওয়ার চেষ্টা করতাম। তবে সেসব গান বাচ্চাদের জন্য করতাম। কিন্তু গানগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের চিন্তা ছিল না। যেটা এবার হয়ে গেল, তাও আবার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে। এটা আমাদের বাপ-বেটার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়। আরো ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে—এই খারাপ সময়েও আমাদের গান মানুষ শুনছেন এবং প্রশংসা করছেন।

প্রথম গান রেকর্ড করার গল্প জানিয়ে আশীষ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে স্ত্রী আর এক পুত্র নিয়ে বাসায় আছি। প্রথম সপ্তাহ শুয়ে-বসে কাটালাম। কিন্তু সময় তো কাটে না। দুশ্চিন্তাও কমে না। অসহায় মানুষ কিংবা জরুরি সেবা দেওয়া মানুষগুলোর জন্যও খারাপ লাগছিল। এসব ভাবনা থেকেই গিটার তুলে ছেলেকে ডেকে নিলাম, গান ধরলাম দুজনে। আর ওর মা আমাদের সামনে ক্যামেরা ধরলো। ব্যাস হয়ে গেল!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ইউটিউবে ভিউ পাওয়া বাপ-বেটার উদ্দেশ্য নয়। এই দুঃসময়ে তাদের গান যদি মানুষকে উৎসাহ দেয়, আনন্দ দেয়, সেটাই বড় প্রাপ্তি বলে জানান আশীষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com