বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা সংস্কৃতির সব প্রকাশ যেন নির্বিঘ্ন হয়: ছায়ানট সভাপতি নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে। ডিসি ইলিয়াসকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল রাজিহারে ঈদগাহ মাঠ সংস্কার কাজের উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র সুযোগের অপেক্ষায়, সবার সতর্ক থাকা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরের বিরামপুরে বিষ প্রয়োগে ধান নষ্টের অভিযোগ: তিন বছরেও মেলেনি প্রতিকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সাথে বিডব্লিউজেএফ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পটুয়াখালীতে ৩৫০ কোটি টাকার তরমুজ বাণিজ্যের সম্ভাবনা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত

দেশের দক্ষিণের জনপদ পটুয়াখালীর চরাঞ্চল এ বছরও লাল-সবুজ তরমুজে ভরে উঠছে। জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে এখন তরমুজের ক্ষেতে কর্মচাঞ্চল্য বিরাজ করছে। রমজানকে সামনে রেখে চাষিরা দ্রুত ফল বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এরইমধ্যে প্রথম সপ্তাহেই বাজার ধরার কৌশল নিয়েছেন অনেক উৎপাদক।

নদী ও সাগরঘেরা এ জেলার ভৌগোলিক অবস্থান তরমুজ চাষের জন্য খুবই অনুকূল। প্রতি বছরই নতুন নতুন চর জেগে উঠছে তেঁতুলিয়া নদীর তীর ঘেঁষে। আর এসব চর এখন পরিণত হয়েছে মৌসুমি কৃষির প্রধান ভরসায়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে সারি সারি তরমুজের লতা। বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে চাষিদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। ট্রলারযোগে যাওয়ার সময়ই দূর থেকে দেখা যায় সবুজ ক্ষেতের বিস্তার। কালাইয়া ইউনিয়নের চরশৌলায়ও একই দৃশ্য। প্রতিটি জমিতে চলছে পরিচর্যা ও আগাম তোলার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময়ার করছেন চাষিরা।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, এ বছর জেলায় বড় অঙ্কের বাণিজ্যের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকার লেনদেন হতে পারে। শুধু উৎপাদিত তরমুজ বিক্রিই প্রায় ২০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। বীজ, সার, পরিবহন ও শ্রম ব্যয় মিলিয়ে সামগ্রিক অর্থচক্র আরও বিস্তৃত হবে।

কালাইয়ার চাষি এম এ হান্নান জানিয়েছেন, পটুয়াখালীতে তরমুজ এখন লাভজনক ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। গত বছর ভালো দাম পাওয়ায় তিনি এবারও আবাদ বাড়িয়েছেন। তিনি বলেন, বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ক্ষতির আশঙ্কা কম। শিলাবৃষ্টি ও ঝড়-তুফানই একমাত্র দুশ্চিন্তার কারণ।

চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের কৃষক মো. শাহীন মৃধা ৩০ একর জমিতে তরমুজ রোপণ করেছেন। তিনি জানান, ফলন সন্তোষজনক হয়েছে। রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিক্রি শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। বাজারদর ভালো থাকলে লাভও আশানুরূপ হবে বলে মনে করছেন তিনি।

একই ইউনিয়নের চাষি আব্দুল জব্বার আকন জানান, অধিকাংশ চাষি-ই এবার তরমুজ চাষে ঝুঁকেছেন। উচ্চ ফলন ও নগদ অর্থপ্রাপ্তির কারণে এ ফসল দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে প্রায় ২০ হাজার একর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।

শুধু বাউফলেই নয়, জেলার আরও কয়েকটি উপজেলায় আবাদ বেড়েছে। রাঙ্গাবালী, গলাচিপা, দশমিনা ও কলাপাড়ার চরাঞ্চলেও বিস্তীর্ণ জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। মির্জাগঞ্জ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামেও আবাদ লক্ষ্য করা গেছে। চরভিত্তিক অর্থনীতিতে তরমুজ এখন প্রধান চালিকাশক্তি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল। এ বছর সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৪৮০ হেক্টরে। আবাদ বৃদ্ধির ফলে উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পটুয়াখালী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. আমানুল ইসলাম বাসসকে বলেছেন, চলতি মৌসুমে তররুজ চাষের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে বাণিজ্যের পরিমাণ।

তিনি আরও বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনা ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাবেন। রমজানকেন্দ্রিক চাহিদা ঘিরে এখন আশাবাদী জেলার তরমুজ চাষিরা। সবকিছু ঠিক থাকলে এ মৌসুমে পটুয়াখালীতে কয়েকশ কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রবাহ সৃষ্টি হবে। চরের সবুজ ক্ষেত তাই এখন শুধু কৃষির প্রতীক নয়, সম্ভাবনারও প্রতিচ্ছবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com